নিরীহ মানুষকেও হয়রানি করা হচ্ছে: মির্জা আব্বাস

 

নিউজ ডেস্ক:    ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, নির্বাচনের একদিন আগেও তার বাসার সামনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অবস্থান নিয়ে শুধু নেতাকর্মী নয়, সাধারণ ও নিরীহ মানুষদেরও আটক করেছে। অনেককে হয়রানি করেছে। এ অবস্থায় সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়। এ সব ঘটনা নির্বাচন কমিশনকে জানানো হলেও তাদের ভূমিকা ন্যাক্কারজনক বলে জানান তিনি।

রাজধানীর শাহজাহানপুর নিজ বাসভবনে শনিবার আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ করেন।

আব্বাস বলেন, শনিবার দুপুরে ৬ থেকে ৭টি গাড়িভর্তি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য তার বাড়ির সামনে অবস্থান নেয়। তারা বাড়ির আশেপাশের এলাকা থেকে প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ জনকে ধরে নিয়ে যায়। তারা কোথায় কি অবস্থায় আছে তিনি জানেন না। এ সময় তার বাড়িতে আসা যাওয়া করা নেতাকর্মীদের মধ্যে ভীতি ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয় বলেও মন্তব্য করেন মির্জা আব্বাস।

সংবাদ সম্মেলনে তার স্ত্রী ঢাকা-৯ আসনের প্রার্থী আফরোজা আব্বাস বলেন, স্থানীয় প্রশাসনের হয়রানী, হামলা, মামলা ও নানা ধরনের অত্যাচারের কারণে নির্বাচনী প্রচারের শেষ দিন পর্যন্ত তারা ভোটার স্লিপ পৌঁছাতে পারেননি। তিনি বলেন, শনিবার সকালেও ঢাকা-৯ আসনের বিভিন্ন এলাকায় শুধু দলীয় নেতাকর্মী নয়, নিরীহ মানুষও হয়রানীর শিকার হয়েছে।

এদিকে ঢাকা-১৪ আসনের বিএনপি প্রার্থী সৈয়দ আবু বকর সিদ্দিক সাজু সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, নির্বাচনের দিন সেনাবাহিনী দেশপ্রেমিকের দায়িত্ব পালন করবেন। জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিতে তারা সর্বাত্নক সহায়তা করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

রাজধানীর দারুস সালামের নিজ বাসভবনের প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে শনিবার সংসদীয় আসনের সাধারণ জনগণের সঙ্গে মতবিনিময় ও পোলিং এজেন্ট বিষয়ক এক কর্মশালায় সাজু এসব কথা বলেন।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, গত শুক্রবার ২৩ জনসহ তার নির্বাচনী এলাকার দুই শতাধিক নেতাকর্মী ও সমর্থকদের গ্রেফতার করার পরও সাধারণ মানুষের ঢল থামিয়ে রাখতে পারেনি প্রশাসন।