ঢাকা-চট্টগ্রামে ঐক্যফ্রন্টের তিন প্রার্থী আক্রান্ত

ডেস্ক নিউজ: নির্বাচনী সহিংসতায় গতকাল রোববার ঢাকায় আফরোজা আব্বাস, চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম ও ফটিকছড়িতে কর্নেল (অব.) আজিম উল্লাহ বাহারের ওপর হামলা হয়েছে। তারা সবাই ২০ দলীয় জোট ও ঐক্যফ্রন্টের মনোনীত প্রার্থী। হামলায় আজিম উল্লাহ বাহারের মাথা ফেটে গেছে। এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের অন্তত ১৩টি স্থানে হামলা, ভাংচুর, মারামারি ও অগ্নিসংযোগের খবর পাওয়া গেছে। এতে আহত হয়েছেন শতাধিক।

ঢাকা-৯ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী আফরোজা আব্বাস রাজধানীর মুগদা এলাকায় গণসংযোগকালে হামলার শিকার হন। বিএনপির নেতাকর্মীরা জানান, দুপুর ১২টায় শাহজাহানপুরের নিজ বাসা থেকে নেতাকর্মীদের নিয়ে আফরোজা আব্বাস গণসংযোগে বের হন। মিছিলটি মুগদা ও মাণ্ডা হয়ে মানিকনগর মোড়ে পৌঁছালে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা চুণ্ডা বাবুর নেতৃত্বে তার লোকজন পেছন থেকে হামলা করে। এতে হায়দার আলী নামের এক ফটোসাংবাদিক গুরুতর আহত হন। হামলাকারীরা তার ক্যামেরা ছিনিয়ে নেয়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি শান্ত করে। হামলায় আহতদের মধ্যে রয়েছেন মহিলা দলনেত্রী আফরোজা আক্তার শোভা, নুরজাহান আক্তার ইভা, মনোয়ারা রহমান, জয়া, শারমিন আক্তার, মিজানুর রহমান, সোনিয়া আহমেদসহ অনেকে।

সমকালের ব্যুরো, আঞ্চলিক অফিস ও প্রতিনিধিদের পাঠানো আরও খবর : সিলেট :সিলেট-১ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ড. এ কে আবদুল মোমেনের  নির্বাচনী কার্যালয় ভাংচুর ও ককটেল বিস্ম্ফোরণ ঘটিয়েছে দুর্বৃত্তরা। শহরতলির শাহপরাণ গেট এলাকার ওই কার্যালয় শনিবার গভীর রাতে ভাংচুর করা হয়। তারা অফিসের চেয়ার-টেবিল ভাংচুর করে রাস্তায় ফেলে রাখে। এর প্রতিবাদে রাতেই সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা।

হামলার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন, খাদিমপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আফসর আহমদ, আওয়ামী লীগ নেতা জাহাঙ্গীর আলম, ছাত্রলীগ নেতা নাজমুল ইসলামসহ অন্যরা। জাকির হোসাইন নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, যারা রাতের আঁধারে হামলা করে, তারা কাপুরুষ। রাতের আঁধারে হামলা করাই বিএনপি-জামায়াতের কাজ।

মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (গণমাধ্যাম) জেদান আল মুসা সমকালকে জানিয়েছেন, বিস্ম্ফোরণের আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে। 

চট্টগ্রাম :চট্টগ্রাম-৫ হাটহাজারী আসনে ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থী মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম গতকাল বিকেলে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ নম্বর গেট এলাকায় গণসংযোগে গেলে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট শামীমের বড় ভাই মো. সেলিম ও শাহ আলমের নেতৃত্বে তার ওপর হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। এতে তিনিসহ তার পাঁচ-ছয় কর্মী আহত হয়েছেন। ভাংচুর করা হয়েছে তার গাড়িও। সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে হাটহাজারী থানার ওসিকে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন তিনি।

ইউপি চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট শামীম বলেন, মহাজোটের প্রার্থীর সমর্থনে মিছিলের সময় একই পথে যাচ্ছিলেন সৈয়দ ইবরাহিম। তার যেতে দেরি হওয়ার কারণে কথাকাটাকাটি হয়। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। এতে আমাদের এক নেতাও আহত হন।

হাটহাজারী থানার ওসি বেলাল উদ্দিন জাহাঙ্গীর বলেন, হামলার অভিযোগ পেয়েছি। প্রার্থীর পক্ষ থেকে লিখিতভাবে জানানো হলে ব্যবস্থা নেব।

এদিকে, চট্টগ্রাম-২ আসনে বিএনপি প্রার্থী কর্নেল (অব.) আজিম উল্লাহ বাহার নির্বাচনী প্রচারে দক্ষিণ ফটিকছড়ির জাফতনগর ইউনিয়নের মোহাম্মদ তকিরহাট বাজারে গেলে দুর্বৃত্তরা লাঠিসোটা নিয়ে হামলা করে। লাঠির আঘাতে বাহারের মাথা ফেটে যায়। আহত হন সাবেক বিচারপতি ও বিএনপি নেতা ফয়সাল মাহমুদ ফয়েজী, শহিদুল আজম, আজম খান, মোর্শেদ হাজারী, আহমদ রশিদ, সাইফুল ইসলাম, মো. ইব্রাহীম, মো. রাশেল, মো. মাসুদসহ অন্তত ২০ জন। আজিম উল্লাহ বাহার বলেন, নৌকা মার্কার সমর্থকরা আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে লাঠি ও অস্ত্র নিয়ে এ হামলা করেছে। 

অন্য ঘটনায় একই আসনে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট মনোনীত মোমবাতি প্রতীকের প্রার্থী শাহ্‌জাদা সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল-হাসানী মাইজভাণ্ডারীর গাড়িবহরে হামলা হয়েছে। গতকাল বিকেলে গণসংযোগে গেলে কাজীরহাট বাজারের দক্ষিণ পাশে ৭০-৮০ জনের একদল যুবক দেশি অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তার গাড়িবহরে হামলা চালায়। এতে বহরে থাকা তিনটি গাড়ি ভাংচুর এবং মোমবাতি প্রতীকের প্রার্থীর নির্বাচনী কর্মকর্তা মহসিন মোহনসহ সাতজন আহত হন।

এসব ঘটনা জানতে ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুশফিকুর রহমান ও থানার ওসি বাবুল আকতারকে ফোন করা হলেও সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে তারা ফোন কেটে দেন।

নোয়াখালী :নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনে বিএনপির প্রার্থী প্রকৌশলী মোহাম্মদ ফজলুল আজিমের নির্বাচনী প্রচার বহরে হামলায় ১০-১২টি মোটরসাইকেল ভাংচুর ও সাত-আটটি মোটরসাইকেল ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল বিকেলে হাতিয়া পৌরসভার উচখালী মহল্লার নৌকার প্রার্থী আয়শা ফেরদাউসের বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে। এতে ফজলুল আজিমের ১০ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক শাহ নেওয়াজকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ হামলার শিকার যুবদল ও ছাত্রদলের সাত কর্মীকে আটক করেছে। এ হামলার জন্য মোহাম্মদ আলীর লোকজনকে দায়ী করেছেন ফজলুল আজিম। তবে মোহাম্মদ আলী এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

হাতিয়া থানার ওসি কামরুজ্জামান শেখ আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বিএনপি নেতাকর্মীরা হামলা চালিয়ে স্থানীয় এমপির দুই অনুসারীকে আহত করেছে। 

পাবনা :ভাঙ্গুড়ায় আওয়ামী লীগের নির্বাচনী অফিসে ককটেল নিক্ষেপ ও লাঠিসোটা নিয়ে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় কয়েকজন আহত হয়েছে বলে জানা গেছে। শনিবার রাত ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুল ইসলাম অভিযোগ করেন, পৌর সদরের হাজী জামাল উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের পূর্বপাশে তাদের নির্বাচনী অফিসে আলোচনা সভা চলছিল। হঠাৎ করেই শরৎনগর বাজারের ভেতর থেকে মোটরসাইকেলে কয়েকজন যুবক এসে অফিস লক্ষ্য করে দুটি এবং সামনে এগিয়ে গিয়ে আরও দুটি ককটেলের বিস্ম্ফোরণ ঘটায়। একই সময় ২০-২৫ জন মুখ বাঁধা লোক লাঠিসোটা নিয়ে হামলা চালিয়ে আমাদের লোকজনকে মারধর শুরু করে। মারধরে পৌর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ওমর ফারুক রানা, যুবলীগ নেতা সোহেল হোসেন ও ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নাহিদ হোসেনসহ কয়েকজন আহত হন। 

মৌলভীবাজার :সদর উপজেলার কাগাবলা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার রাতে কাগাবলা বাজারে অবস্থিত কার্যালয়টি দুর্বৃত্তরা পুড়িয়ে দেয়। 

সাতক্ষীরা :তালা উপজেলার ইসলামকাটি ইউনিয়নের পরানপুর গ্রামে যুবলীগ নেতাকর্মীরা বাড়িঘর ও দোকানপাটে ভাংচুর চালিয়েছে। তাদের হামলায় আহত হয়েছেন চার গ্রামবাসী। এলাকাবাসী জানায়, শনিবার স্থানীয় যুবলীগ কর্মী খায়রুল ও তার সহযোগীরা বিএনপির দুই কর্মীকে মারধর করে। এরপরই গ্রামবাসী যুবলীগের বাবু নামের এক কর্মীকে আটকে রেখে মারধর করে। এর জেরে গতকাল সকাল ১১টায় খায়রুলের নেতৃত্বে তার সহযোগীরা কয়েকটি বাড়ি ও দোকানে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে। 

মুক্তাগাছায় (ময়মনসিংহ) :ময়মনসিংহ-জামালপুর সড়কের মুক্তাগাছার চেচুয়া বাজারে গতকাল রাত ৮টায় নৌকার সমর্থকের মোটরসাইকেল ও একটি অটোটেম্পোতে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। সন্ধ্যায় স্থানীয় সৈয়দপাড়া বাজারে ধানের শীষ প্রার্থী জাকির হোসেন বাবলুর সহধর্মিণী আফরোজা হোসেন খানের গাড়িবহরে হামলা হয়েছে। এ সময় গাড়ির চালকসহ চারজন আহত হন।

গৌরনদী (বরিশাল) :বরিশাল-২ আসনের উজিরপুর উপজেলার শোলক ইউনিয়নের ধামুরা বাজারে পাল্টাপাল্টি হামলায় আওয়ামী লীগ ও বিএনপির দুটি নির্বাচনী অফিস ভাংচুর হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবারের এ হামলায় আহত হয়েছেন রাজীব ও শাকিল নামের দুই ছাত্রলীগ কর্মী। 

শিবগঞ্জ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) :উপজেলার বিনোদপুর কলেজগেটের সামনে ও মাদ্রাসার পাশে গতকাল বিকেলে বিএনপির নির্বাচনী দুটি ক্যাম্প ভাংচুর ও পোস্টার ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

খাগড়াছড়ি :সদর উপজেলার ভাইবোনছড়া ইউনিয়নের মুনিগ্রামে ইউপিডিএফ সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী (সিংহ প্রতীক) নূতন কুমার চাকমার সমর্থকদের বাড়িঘরে জনসংহতি সমিতির কর্মীরা হামলা ও ভাংচুর করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল দুপুরে ১০-১২ জনের একটি সশস্ত্র দল ইউপিডিএফ সংগঠক অনি বিকাশ চাকমা, পল্লব জ্যোতি চাকমা ও মুরুব্বী মঙ্গল চাকমার বাড়িতে এ হামলা চালায়।

নাঙ্গলকোটে হেলমেট বাহিনীর তাণ্ডব :কুমিল্লার রায়কোট দক্ষিণ ইউনিয়নের বেতাগাঁও গ্রামে ধানের শীষের পোস্টার ছিঁড়ে ফেলে যুবলীগ কর্মীরা। এতে বিএনপি নেতাকর্মীরা বাধা দিলে সংঘর্ষ বেধে যায়। এ ঘটনায় যুবলীগ নেতা শরীফুল ইসলামসহ দু’জন আহত হন। এর জেরে হেলমেট পরিহিত একদল দুর্বৃত্ত বেতাগাঁও গ্রামের চুনা বেপারী, বিএনপি কর্মী শফিক, মাওলানা ইব্রাহিম, জালাল ও তার ভাতিজা শাহীনের বাড়িঘর দোকানে ভাংচুর এবং আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেয়। একই সময়ে রায়কোট দক্ষিণ ইউনিয়নের ইলেকশন বাজারে ওই গ্রামের বাসিন্দা ও বিএনপি কর্মী হালিমের দোকান, জয়নালের হার্ডওয়্যার দোকান, মঘুয়া গ্রামের শাকেরের দোকান ও জামায়াত নেতা শামছু উদ্দিনের মার্কেটে ভাংচুর চালানো হয়।

এদিকে, সন্ধ্যায় একদল দুর্বৃত্ত শ্রীফলিয়া বাজারে ইকরামুল হক মজুমদারের গাড়ি ও একটি মোটরসাইকেল ভাংচুর করে। একপর্যায়ে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। এ সময় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা শ্রীফলিয়া বাজার কমিটির সেক্রেটারি ও বিএনপি কর্মী সেলিম ভূঁইয়ার ফার্মেসি, জামায়াত নেতা মহিউদ্দিন শিপনের কনফেকশনারি দোকানে ভাংচুর চালায়। 

নাঙ্গলকোট থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আশরাফ বলেন, সন্ধ্যার আগমুহূর্তে আওয়ামী লীগের ১৫-১৬ মিলে একটি মিছিল বের করে। ওই মিছিলে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা হামলা চালায়। এতে তাদের পাঁচ-ছয়জন আহত হন। এরপর কী হয়েছে, এ নিয়ে কোনো অভিযোগ আমরা পাইনি।

রাজাপুর ছাত্রলীগের দু’পক্ষে সংঘর্ষ :ঝালকাঠির রাজাপুরের বড়ইয়ায় গতকাল সন্ধ্যায় মহাজোট প্রার্থীর নির্বাচনী পথসভা শেষে ছাত্রলীগের দু’পক্ষে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে পাঁচ ছাত্রলীগ নেতাকর্মী আহত এবং সভাস্থলের প্রায় ২৫টি চেয়ার ভাংচুর করা হয়েছে। রাজাপুর থানার এসআই সিদ্দিকুর রহমান জানান, সভা শেষে মহাজোটের প্রার্থী বি এইচ হারুন মঞ্চ থেকে নেমে চলে যাওয়ার সময় ছাত্রলীগ নেতা মাহমুদুল হাসান ও আলিম হোসেনের মধ্যে ধাক্কা লাগে। এমপি চলে যাওয়ার পর এ ঘটনা নিয়ে তাদের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। পরে পুলিশ লাঠিচার্জ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

ছুরিকাঘাতে নৌকার কর্মী আহত :চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটে শনিবার রাতে নৌকার নির্বাচনী প্রচার চালানোর সময় আবদুল জাব্বার নামের এক যুবক ছুরিকাহত হয়েছেন। জামবাড়িয়া ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি আবদুস সামাদ এ ঘটনার জন্য বিএনপি কর্মীদের দায়ী করেছেন। তবে উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, এটি পারিবারিক দ্বন্দ্বের জের।