অভিযোগ করার পর হয়রানির মাত্রা বাড়ছে : ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থী

জেলা প্রতিনিধি: গায়েবি মামলা, গ্রেফতার ও নির্যাতনের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মৌলভীবাজার-৩ সদর-রাজনগর আসনের বিএনপি মনোনিত ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থী এম এ নাসের রহমান। সোমবার সকালে মৌলভীবাজার প্রেসক্লাবে তিনি এ সাংবাদিক সম্মেলন করেন।

নাসের রহমান লিখিত বক্তব্য বলেন, বিনা কারণে পুলিশের গ্রেফতারি অভিযান ও হয়রানিমূলক কর্মকাণ্ড বিষয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা বরাবর অনেক অভিযোগপত্র দাখিল করি। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে, এ বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা কোনো নিবারণমূলক পদক্ষেপ তো নেনই নাই, উপরন্তু এই ধরনের পুলিশী হয়রানি অভিযানের মাত্রা দিন দিন বেড়ে গতকাল পর্যন্ত উদ্ধেগজনক মাত্রায় পৌঁছেছে। বিশেষ করে, মৌলভীবাজার মডেল থানার উপ-পরিদর্শক তাপস, অলি, সাব্বির মিয়া নামে তিন দারোগা বেশি হয়রানি করছে। 
সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে তাদের বিরুদ্ধে তিনি লিখিত অভিযোগ রির্টানিং কর্মকর্তার দাখিল করবেন বলেও জানান।

তিনি আরো বলেন, গত ১০ দিনে আমার নির্বাচনী এলাকার শতাধিক নেতা-কর্মীকে পুলিশ বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেফতার করেছে।

বিএনপি নেতা ও সাবেক পৌর কাউন্সিলর মোঃ অলিউর রহমানের বাসায় পুলিশী অভিযানের নিন্দা জানিয়ে নাসের বলেন, গতকাল রাতে এই নেতার বাসায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাকে না পেয়ে বাসার জিনিসপত্র তছনছ ও ভাঙচুর করে। এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অলিউর রহমান বাসার দেয়াল টপকিয়ে পড়ে তিনি আহত হন।

তিনি আরো বলেন, বিএনপির নেতা অলিউর রহমান গত ছয় মাস লন্ডনে অবস্থানের পর মাত্র এক সপ্তাহে আগে বাংলাদেশে আসেন। অনুরুপভাবে বর্তমান কাউন্সিল স্বাগত কিশোর দাস ও বায়েস আহমদের বাসায় ডিবি পুলিশের বিরাট দল হানা দেয়। সৌভাগ্যক্রমে তারা নিরাপদ স্থানে সরে পড়েন।

এইরুপ বেআইনি ও বিনা কারণে গ্রেফতারি অভিযান জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে, যা ন্যুনতম সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ বিনষ্ঠ করেছে বলে তিনি মনে করেন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র ফয়জুল করিম ময়ূন, সাবেক সংসদ সদস্য বেগম খালেদা রব্বানী, জেলা বিএনপির সহসভাপতি আব্দুল মুকিত, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ভিপি মিজানুর রহমান প্রমুখ।