সুখী দম্পত্তি চা পান বিক্রেতা নুরু মিয়া ও তার স্ত্রীর গল্প

চা পান বিক্রেতা মোহাম্মদ আলী নুরু মিয়া ও তার স্ত্রী। টাঙ্গাইল শহরের সাবালিয়া এলাকায় চার রাস্তার মোড়ে এই দম্পত্তির চায়ের দোকান। ভোরবেলা ওই দোকানে চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে চায়ের স্বাদ নিতে গিয়ে কথা হয় তাদের সাথে। এই এলাকায় তাদের বসবাস। পৈত্রিক ভিটা সখিপুর উপজেলার কাকরাজান ইউনিয়নের গোয়াইলবাড়ী আমবাগ এলাকায়। জীবিকার তাগিদে আগে ভ্যান রিক্সা চালালেও প্রায় পাঁচবছর যাবৎ চা পানের এই দোকানটি দিয়েছেন তারা।

প্রতিদিন ভোরবেলা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দুজন মিলে চা পান বিক্রি করেন। প্রচন্ড ভীড় লেগেই থাকে তাদের এই দোকানটিতে। চা এর স্বাদও অসাধারন। সৎ পথে উপার্জিত এই টাকা দিয়েই চলে নুরু মিয়ার সংসার। সংসারে তাদের ২ মেয়ে ছিল। দুই মেয়ের বিয়ে দিয়েছেন। তাদের ঘরে ৩ নাতি ও ১ নাতনী। সবকিছু মিলে সুখেই আছে এই পরিবার।

সুযোগ হলো এই সুখী দম্পত্তির চা পান করার দৃশ্য ক্যামেরা বন্দি করার। মনের সুখই যেন প্রকৃত সুখ, আবারো তার প্রমান পেলাম। কোটি টাকার মালিক না হয়েও, যে সুখী হওয়া যায় এই দম্পত্তির চা পানের দৃশ্যই তার প্রমান। লোভ, হিংসা, বিদ্বেষহীন জীবন যাপন, আর অল্প প্রাপ্তিতে মনের তৃপ্তিতে যে সুখ পাওয়া যায় এটাই হয়তো প্রকৃত সুখ। একমাত্র একে অপরের প্রতি ভালোবাসাই পারে অশান্ত পৃথিবীটাকে শান্ত ও বাসযোগ্য করতে।