টিভিতে দেখেছি সাদেক খানের সঙ্গে বিএনপির প্রার্থী আছে ! : ঢাকা-১৩ একজন ভোটার

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাত্র ১৩ দিন বাকী । সব দল ও জোটের অংশগ্রহণে হচ্ছে এবারের নির্বাচন। রাজধানী ঢাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ আসন ঢাকা-১৩ (মোহাম্মদপুর-আদাবর,শেরে বাংলা নগর)। আসনটিতে বিভিন্ন দল ও জোট থেকে প্রার্থীদের মনোনয়ন দেওয়া হলেও তারা এখনো ভোটারদের কাছে পৌঁছাতে পারে নি।

১৭ ডিসেম্বর এই আসনের ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য জানা গেছে।

এ আসনটি সরজমিন ঘুরে দেখা যায়, সকালের গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিতে দোকানপাট ঠিকমত খোলেনি। কিছু যানবাহন রাস্তায় বের হয়েছে। মোহাম্মাদপুর, রায়েরবাজার, কাদিরাবাদ হাউসিংসহ নানা এলাকায় মহাজোটের প্রার্থী সাদেক খানের পোস্টার-ব্যানারে ছেয়ে গেছে। বিভিন্ন সড়কের কয়েকটি মোড়ে ছোট্ট ছোট্টঘর সাদেক খানের পোস্টার দিয়ে মুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। গোটা এলাকায় বিএনপি প্রার্থীর কোন পোস্টারও চেখে পড়েনি। তবে কাস্তে মার্কায় সিপিবির প্রার্থী খান আহসান হাবীব (লাবলুর) কয়েকটা পোস্টার দেখা গেল।

জানতে চাইলে রায়েরবাজারে টং দোকানের চা বিক্রেতা উজ্জ্বল কুমার বলেন, আমরা টিভিতে দেখেছি সাদেক খানের সঙ্গে বিএনপির একজন প্রার্থী আছে। তাকে চিনিও না। কোন দিন আসেওনি এদিকে। আর কোনো প্রার্থী আছে কী না জানি না।

এদিকে শনিবার (১৫ই ডিসেম্বর) বিকেল ৩টায় মহিলা দলের নেতা-কর্মী নিয়ে মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট সংলগ্ন বিহারি ক্যাম্প ও স্টাফ কোয়ার্টারে নির্বাচনী লিফলেট বিতরণ করেছিলেন ধানের শীষের প্রার্থী আবদুস সালামের স্ত্রী অধ্যাপিকা ফাতেমা সালাম। ধানের শীষ মার্কায় ভোট চান তিনি।

মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটের দোকানদার সবুজ মিয়া বলেন, বিএনপি প্রার্থীর স্ত্রী লিফলেট নিয়ে একদিন আসলেও কাস্তে ও হাতপাখা মার্কার প্রার্থীরা এখনো আসেনি কেউ।

অন্যপ্রার্থীরা ভোটারদের কাছে পৌঁছাতে না পারলেও মহাজোটের প্রার্থী সাদেক খান ভোটারদের কাছে যেতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন। প্রতীক বরাদ্দের আগে থেকেই তিনি উঠান বৈঠক করে গণসংযোগ চালিয়েছেন।  তার মালিকানাধীন পেট্রোল পাম্প, সাদেক ফিলিং স্টেশন থেকেই সমস্ত নির্বাচনী প্রচারণা করা হচ্ছে।

জানতে চাইলে কাদিরাবাদ হাউসিং সোসাইটিতে বসবাসকারী সাদ্দাম হোসেন বলেন, মহাজোট প্রার্থী সাদেক খানের পোস্টার, ব্যানারে গোটা এলাকা ছেয়ে গেছে। তার প্রচারণায় মাইকিংও শোনা যায়। কিন্তু এই এলাকার মানুষের এখনো ভোট নিয়ে আগ্রহ কম।