ড. কামাল হোসেনের বিরুদ্ধে এনবিআরের তদন্ত রাজনৈতিক হয়রানী

সুমন দত্ত : গণফোরামের প্রতিষ্ঠাতা ও আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন আইনজীবী ড. কামাল হোসেনের বিরুদ্ধে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কে লেলিয়ে দিয়েছে সরকার। অভিযোগ করা হচ্ছে ড. কামাল হোসেনের আয় ব্যয়ে গড়মিল আছে, কর ফাঁকি দিয়েছেন।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রাক্কালে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলকে নিয়ে ঐক্যফ্রন্ট গঠনে করায় ড. কামাল হোসেনের মত সৎ, র্নিলোভ, পর মত সহনশীল, সংবিধান প্রনেতার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্য মূলক এমন কর্মকাণ্ড পরিচালনা দু:খজনক। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক শ্রেনীর রাজনৈতিক দল ও গোষ্ঠি মিথ্যা ও বানোয়াট খবর প্রকাশ করছে বলে তার ঘনিষ্ঠরা মনে করেন।

ড. কামাল হোসেনকে বিতর্কিত করার লক্ষ্যে সরকার নির্বাচন কমিশনের ওপর প্রভাব খাটিয়ে এসব উদ্যোগ নিয়েছে। ড. কামাল হোসেন নির্বাচন করছেন না। এমনকি তার মেয়ে বিশিষ্ট আইনজীবী সারা হোসেনও নির্বাচন করছেন না। এসব জেনেও কোন উদ্দেশ্য পূরণে ড. কামাল হোসেনের বিরুদ্ধে আয় ব্যয়ের খোঁজ খবর নেয়া হচ্ছে তা রহস্যজনক। তাকে মানসিকভাবে হয়রানী করার উদ্দেশ্যই এর পিছনে কাজ করছে বলে মনে করছে দেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

প্রতি বছর এনবিআরকে আয়কর রিটার্ন দাখিল করেন ড. কামাল হোসেন। তার বিরুদ্ধে আজ পর্যন্ত কোনো সরকারি বেসরকারি সংস্থা কর ফাকির অভিযোগ আনেনি। তার বিরুদ্ধে নামে বেনামে সম্পত্তি থাকার কথাও কেউ শোনেনি। আইন পেশার বাইরে ড. কামাল হোসেনের অন্য কোনো পেশা নেই। বিদেশে তিনি আইনি লড়াই করলেও ফিস নেবার সময় সেদেশের আইন অনুসারে কর পরিশোধ করেন তিনি।

এসব সত্য জানার পরও ড. কামাল হোসেনে বিরুদ্ধে এনবিআর দিয়ে তদন্ত তাকে রাজনৈতিকভাবে হেয় করার সামিল বলে মনে করছেন অনেকে। বিএনপির সঙ্গে জোট করার কারণে ড. কামাল হোসেন সরকারের চক্ষুশূলে পরিণত হয়েছেন। তার প্রভাবই দেখা যাচ্ছে। অথচ দেশে সংঘাতপূর্ণ রাজনীতিকে শান্তিপূর্ণ করায় তার বিশেষ উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছে দেশে বিদেশের কূটনীতিকরা। যার কারণে একটি অংশগ্রহণমূলক, র্নির্বাচন করার পটভূমি তৈরি হয়। তার আগ পর্যন্ত অংশগ্রহণ মূলক নির্বাচন ছিল অনিশ্চিত ও সুদূর পরাহত।

ঢাকানিউজ২৪ডটকম