ময়মনসিংহে শামীমের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার, রওশন এরশাদকে সমর্থন

মো. নজরুল ইসলাম ময়মনসিংহ : আওয়ামী লীগ সভাপতি, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে দাখিলকৃত স্বতন্ত্র প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি, এফবিসিসিআই’র সাবেক পরিচালক, ময়মনসিংহ চেম্বার অফ কামার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি মোঃ আমিনুল হক শামীম সিআইপি। এই আসনে মহাজোট প্রার্থী জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদকে সমর্থন করে তিনি বলেন রওশন এরশাদকে জয়ী করার লক্ষ্যে আপ্রাণ চেষ্টা করবো এবং তিনি জয়ী হবেন ইনশাল্লাহ।’ শনিবার দুপুরে জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক ড. সুভাষ চন্দ্র বিশ্বাসের হাতে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের চিঠি পৌছে দেন চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সহ-সভাপতি শংকর সাহা।

শনিবার দুপুরে জেলা চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে আমিনুল হক শামীম বলেন, ‘বিগত ১০ বছর বাংলাদেশ দুর্বার গতিতে এগিয়ে গেলেও স্থানীয় রাজনৈতিক সমন্বয়হীনতা ও অযোগ্য নেতৃত্বের কারণে ময়মনসিংহের কাঙ্খিত উন্নয়ন হয়নি। দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি বিপুল সংখ্যক তরুণ ভোটারের আশা-আকাঙ্খার প্রত্যাশা পূরণসহ বিপুল ভোটে বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ ময়মনসিংহ-৪ সদর আসনটি দেশরত্ব শেখ হাসিনাকে উপহার দেয়ার লক্ষ্য নিয়ে প্রার্থী হয়েছিলাম।

সংবাদ সম্মেলনে আরো উপিস্থিত ছিলেন সাবেক ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শামসুল আলম তালুকদার, জেলা আওয়ালী লীগ সদস্য তরিকুল ইসলাম তারেক, চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সহ-সভাপতি শংকর সাহা প্রমূখ।

এদিকে জাতির জনকের সুযোগ্য কণ্যা মাদার অব হিউম্যানিটি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে একটি সমৃদ্ধশালী উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণে অবদান রাখার লক্ষ্যে ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি, এফবিসিসিআই’র সাবেক পরিচালক, ময়মনসিংহ চেম্বার অফ কামার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি মোঃ আমিনুল হক শামীম সিআইপি ময়মনসিংহ-৪ সদর আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীতা প্রত্যাহার করায় আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সদ্য গঠিত জয়বাংলা নাগরিক পরিষদের আহবায়ক বর্ষিয়ান আইনজীবী, প্রবীণ রাজনীতিবিদ বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট আনিসুর রহমান খান ও সদস্য সচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা নূরুল আমিন কালাম ও যুগ্ম-আহবায়ক (অর্থ) লায়ন ড. মোঃ সিরাজুল ইসলাম।

সংবাদ সম্মেলনে আমিনুল হক শামীম সিআইপি বলেন ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন (সাবেক ময়মনসিংহ পৌরসভা) ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, বিউটিফিকেশনসহ নানা উন্নয়নযজ্ঞ উপহার দিলেও অন্যক্ষেত্রে আমাদের ময়মনসিংহ পৌঁছতে পারেনি উন্নয়ন মহাসড়কে। আমাদের আভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সমন্বয়হীনতার কারণে ত্রিশালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হাতছাড়া হয়েছে।

তিনি বলেন ব্রক্ষপুত্র নদের ওপারে স্বপ্নের বিভাগীয় শহরের গোড়াপত্তনও থমকে আছে কতিপয় রাজনীতিবীদদের কুটকোশলী আচরণের জন্য। স্বাধীনতার পর এখন পর্যন্ত ময়মনসিংহে মাঝারী ও ভারী কোনধরনের শিল্প-কারখানা এমনকি শিল্পাঞ্চলসহ ইপিজেট গড়ে ওঠেনি যার ফলে ময়মনসিংহের মানুষ তথা যুব সমাজ বিভিন্ন কর্মসংস্থান থেকে বঞ্চিত হয়েছে।

আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দকে সঙ্গে নিয়েই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের রোডম্যাপ বাস্তবায়ন করতে পারবেন বলে আমি আশাবাদী। আগামী ৩০ ডিসেম্বর ব্যালট বিপ্লব হবে জোটের পক্ষেই ইনশাআল্লাহ।