ইষ্ট ওয়েষ্ট ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত হলো ইয়ুথ সিম্পোজিয়াম

দেশের প্রান্তিক এলাকা হতেও বৈশ্বিক পরিমন্ডলে উঠে আসছেন বাংলাদেশের উদ্যোক্তারা। সুতরাং দেশের প্রাণকেন্দ্রে বসে সব ধরনের সুযোগ সুবিধা পেয়েও উদ্যোক্তা শিক্ষা চর্চা না করাটা নেহায়েত বোকামি। যখন দেশের শিক্ষিত সমাজে বেকারত্বের হার বেশী তখনই দেশে ও বিদেশে এই শিক্ষিতরাই উদ্যোক্তা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করছে একের পর এক। তাইতো শিক্ষা জীবন শেষ হওয়ার আগেই বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা যেভাবে নিজেদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে পারে সে বিষয়ে সকলকে অবগত করতে “ইয়ুথ স্কুল ফর স্যোসাল এন্ট্রাপ্রেনারস” ও “ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয় এনভায়রনমেন্ট এন্ড স্যোসাল ক্লাব” গত ২রা ডিসেম্বর আয়োজন করেছিল “বাংলাদেশ ইয়ুথ সিম্পোজিয়াম- ২০১৮”। অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সফল উদ্যোক্তা, পরামর্শক, ব্যবসায়ী, ক্যারিয়ার কোচ ও সফল পেশাজীবি।

ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়-এর প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত এই আয়োজনের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপ-উপাচার্য, প্রফেসর ড. ফকরুল আলম এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে “লিড”-এর প্রেসিডেন্ট ও কুইন ইয়াং লিডার-এর উপদেষ্টা. আশফাক জামান, সিপিএ। সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকেই আরো বেশি উদ্ভাবনী ও উদ্যোক্তা বান্ধব হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন মাননীয় প্রধান অতিথি ড. ফকরুল আলম। অপরদিকে পথ নির্দেশনা দেওয়ার জন্য সর্ব পর্যাযের সামাজিক উদ্যোক্তারা বরাবরই আগ্রহী। কিন্তু শিক্ষার্থীরাই এই পথে ঝুঁকির কথা বিবেচনা করে অগ্রসর হয় না। তবে সঠিক পরামর্শ ও পাইলট প্রজেক্ট সুপরিকল্পিত ভাবে বাস্তবায়ন করতে পারলে ঝুকি অনেক কমানো যায় বলে মনে করে মাননীয় বিশেষ অতিথি। আলোচক হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন তরু ইন্সটিটিউট অব ইনক্লুসিভ ইনোভেশন-এর হেড অব এন্টারপ্রাইজ ডিজাইন, মনসুরুল আজিজ, ফায়ার ফিল্ম মিডিয়া-এর সহপ্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী, এলেক্স ম্যাকেন্জি, ডন সামদানী ফ্যাসিলিটিশন-এর চিফ ইন্সপাইরেশন অফিসার, গোলাম সামদানী ডন, বিশিষ্ট প্রশিক্ষক ও স্বনামধন্য প্রেরণাদায়ক বক্তা, আলমাসুর রহমান। একজন অসাধারণ উদ্যোক্তার সাধারন কার্যাবলি, নতুন আইডিয়া নিয়ে কাজ করার কৌশল নির্ধারণ, নতুন বাজারে প্রবেশের পূর্বে করণীয়, সফল উদ্যোক্তা হওয়ার পথে বাধাঁগুলো ইত্যাদি বিষয়ে আলোকপাত করেন স্বনামধন্য আলোচকগণ।

আলোচনার পাশাপাশি অংশগ্রহণকারীদেরকে উৎসাহ ও উদ্দীপনা দেওয়ার জন্য বিশেষ উপস্থিত বক্তৃতার আয়োজন করা হয়েছিল। অনুষ্টানটি আয়োজনে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করে লিড। এই বণার্ঢ্য আয়োজনের কৌশলগত অংশীদার রকমারি ডট কম। অনুষ্ঠানটির প্রিন্ট মিডিয়া পার্টনার হিসেবে কার্যকর ভূমিকা রেখেছে পাঠক সমাদৃত জনপ্রিয় পত্রিকা “দৈনিক সমকাল” ও “দি বাংলাদেশ টুডে”। আর ইভেন্ট পার্টনার হিসেবে সহযোগিতা করেছে “সিমুড ইভেন্ট”। একই সাথে ডিজিটাল মার্কেটিং পার্টনার হিসেবে পাশে ছিল “জিনি ৩৬০ ডিজিটাল স্যলুশন” ও অনলাইন মিডিয়া পার্টনার হিসেবে ছিল “সিএনআই”।

প্রাইম এশিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমেই এ বছর বাংলাদেশ ইয়ুথ সিম্পোজিয়ামের যাত্রা শুরু হয়েছিল। এরই ধারাবাহিকতায় এটি ইতোমধ্যেই ইষ্ট ওয়েষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়, ইন্ডিপেন্ডেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়, ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর পরে দেশের আরো অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একই ধরনের আয়োজন করা হবে পর্যায়ক্রমে- এই আশাবাদ ব্যক্ত করে ইয়ুথ স্কুল ফর স্যোসাল এন্ট্রাপ্রেনারস এর প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি শেখ মোহাম্মদ ইউসুফ হোসেন।