চট্টগ্রামে রেকর্ডের সামনে সাকিব-মুশফিকরা

নিউজ ডেস্ক:   জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির সিরিজ গেছে টাইগারদের। শুরুতে সফরকারীদের কাছে টেস্ট হেরেছে বাংলাদেশ। পরের টেস্টে ঘুরে দাঁড়িয়ে গড়েছে বেশ কিছু রেকর্ড। সেঞ্চুরি পেয়েছেন মুমিনুল। রেকর্ড ইনিংসে খেলেছেন মুশফিক। একমাত্র উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান হিসেবে টেস্টে দুটি ডাবল সেঞ্চুরি পেয়েছেন মুশি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে চট্টগ্রাম টেস্টেও সাকিব-মুশফিক ও মুমিনুল-তাইজুলের জন্য বেশ কিছু রেকর্ড অপেক্ষা করছে।

মুশফিকের সামনে চট্টগ্রাম টেস্টে দুই রেকর্ড অপেক্ষা করছে। টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের দ্বিতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে চার হাজার রান করতে তার দরকার মোটে ৩১ রান। তার বর্তমান রান ৩৯৬৯। চট্টগ্রাম টেস্টে মাত্র ৮১ রান করতে পারলেই টেস্টের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকও হয়ে যাবেন মুশফিক। শীর্ষে থাকা তামিমের রান ৪০৪৯ রান। চট্টগ্রাম টেস্টের দলে নেই তিনি। তামিমের সঙ্গে টেস্টে সর্বোচ্চ রানের সাপ-লুডু খেলটা এবার বেশ জমবে তাদের।

হাতের ইনজুরি কাটিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে ফেরা সাকিব আল হাসান ব্যাটে-বলে কেমন করবেন তা বলা মুশকিল। কিন্তু খুব খারাপ না করলে চট্টগ্রাম টেস্টে ৪ উইকেট পেয়ে যাবেন তিনি। আর সাকিব যদি ৪ উইকেট পান তবে বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে টেস্টে দুইশ’ উইকেট হবে তার। টেস্টে ৫৩ ম্যাচে সাকিবের বর্তমান উইকেট সংখ্যা ১৯৬। তার যোজন পেছনে আছেন মোহাম্মদ রফিক (১০০)।

সাকিব-মুশফিকের দিকে যেমন নজর থাকবে দলের। তেমনি টেস্টে বাংলাদেশ দলের অন্যতম ভরসা মুমিনুল হক। বেশ কিছু দিন ব্যাটে রান পাচ্ছিলেন না তিনি। কিন্তু জিম্বাবুয়েরে বিপক্ষে ১৬১ রানের ইনিংস খেলে আবার ছন্দে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছেন। তার ক্যারিয়ারের সাত সেঞ্চুরি পাঁচটিই করেছেন চট্টগ্রামে। জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে তার সংগ্রহ ৮৬৯ রান। দুই ইনিংসে আর ১৩১ রান পেলেই দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসেবে চট্টগ্রামে এক হাজার রান হবে মুমিনুলের। এই স্টেডিয়ামে মুশফিকের সংগ্রহ ১০৯২ রান।

জিম্বাবুয়ে সিরিজে বল হাতে দারুণ করা বাঁ-হাতি স্পিনার তাইজুল ইসলামের সামনেও আছে দারুণ এক কীর্তি ছোঁয়ার সুযোগ। আর ১৩ উইকেট পেলে তৃতীয় বাংলাদেশি হিসেবে টেস্টে ১০০ উইকেট হবে তার। তাইজুলের সামনে আছেন মোহাম্মদ রফিক (১০০) ও সাকিব আল হাসান (১৯৬)। চট্টগ্রাম টেস্টে না হলেও ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে তাই ১০০ উইকেটের মাইলফলক ছোঁয়ার আশা করতেই পারেন তাইজুল।