নির্বাচনকে অবাধ ও সুষ্ঠু করার দাবি জানিয়েছে সুজন

সুমন দত্ত: সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের স্বার্থে সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে আন্তরিক হওয়ার আহবান জানিয়েছে সুশাসনের জন্য নাগরিক সংগঠন সুজন। সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে সুজনের সম্পাদক ড.বদিউল আলম মজুমদার এই আহবান জানান। এসময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সুজনের সমন্বয়ক দিলীপ কুমার সরকারসহ অন্যরা।

অনুষ্ঠানে মূল বক্তব্য পাঠ করেন দিলীপ কুমার সরকার, তিনি সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের জন্য নিজেদের উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন। আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২০১৮ তে সুজনের পক্ষ থেকে কি করা হবে তার বর্ণনা দেন তিনি।

বদিউল আলম মজুমদার বলেন, দলীয় সরকার থাকা অবস্থায় সুষ্ঠু নির্বাচন হতে পারে। আমরা রংপুর নির্বাচনের কথা বলতে পারি। সেই নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছিল এবং সেটাই এই নির্বাচন কমিশনের অধীনে। তবে আমরা দেখছি নির্বাচন কমিশন তাদের ক্ষমতা পুরোটা প্রয়োগ করছে না। নির্বাচন কমিশনের হাত অনেক লম্বা। এই মুহূর্তে তারা অনেক কিছু করতে পারেন। আমরা নির্বাহী বিভাগকে বলবো তারা যেন নির্বাচন কমিশনকে যথাযথ সহায়তা করে। আর মন্ত্রী এমপিরা যেন এই সময়ে তাদের প্রভাব না খাটায়।

তিনি আরো বলেন, আমরা নির্বাচনে আগে ও পরে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর আয় ব্যয়ের হিসাব জানিয়ে আরো কয়েকটি সংবাদ সম্মেলন করবো। এছাড়া ৩০ টি নির্বাচনী কেন্দ্রে আমরা সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে প্রচারণা চালাবো।

দিলীপ সরকার নির্বাচন কমিশনের প্রতি কয়েকটি প্রস্তাব দিয়েছেন, যার মধ্যে আছে সকলের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফ্লিড তৈরি করা,প্রার্থীরা হলফ নামায় যেসব উল্লেখ করা হয়েছে তা খতিয়ে দেখা। এবং এসব তথ্য নির্বাচন কমিশনের ওয়েব পেজে আপলোড করা। প্রার্থীরা যাতে নির্বাচন আচরণ বিধি মেনে চলেন সেই বিষয়ে কঠোর হতে বলেন নির্বাচন কমিশনকে তিনি। আইন শৃঙ্খলা বাহিনী যাতে কারো বিরুদ্ধে হয়রানি মূলক মামলা না দেয় সে ব্যপারে নির্দেশ দেয়া। ধর্মীয় ও সংখ্যালঘুদের জান মাল নিরাপত্তায় এবং তারা যাতে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারে সেই ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।

রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহবান জানিয়ে তারা বলেন, অসৎ,অযোগ্য, মাদক ব্যবসায়ী, ঋণ খেলাপি, উড়ে এসে জুড়ে বসা, সাম্প্রদায়িক মনোভাবাপন্ন ব্যক্তিকে যেন মনোনয়ন না দেয়া হয়।