প্যারিস চুক্তির বাস্তবায়ন চায় নাগরিক সমাজ

সুমন দত্ত : কপ ২৪ বৈশ্বিক জলবায়ু সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামী ২ ডিসেম্বর পোল্যান্ডে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশের জনগণের প্রত্যাশা নিয়ে সেমিনার করে ইকুইটিবিডি নামের একটি সংগঠন। অনুষ্ঠানে প্যারিস চুক্তির বাস্তবায়ন চান তারা।

মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবে নাগরিক সমাজের প্রত্যাশা : প্যারিস চুক্তি বাস্তবায়ন নিয়ে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেনটেনশন করে তারা। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক বন ও পরিবেশ মন্ত্রী হাছান মাহমুদ এমপি। সভাপতি ছিলেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ খলিকুজ্জামান। বিশেষ অতিথি ছিলেন পরিবেশবিদ আইনুন নিশাত।

হাছান মাহামুদ বলেন, প্যারিস চুক্তি বাস্তবায়ন করতে হলে এই চুক্তি দুর্বলতা সম্পর্কে জানতে হবে আগে। এটি এমন এক চুক্তি যেখানে চুক্তি ভঙ্গের কোনো সাজা নেই। যার ফলে প্যারিস চুক্তি দুর্বল। বিশ্বের বড় দেশ আমেরিকা এই চুক্তি থেকে বেরিয়ে গেছে।

খলিকুজ্জামান বলেন, বাংলাদেশ জলবায়ু সংক্রান্ত বিষয়ে ১ বিলিয়ন ডলার খরচ করে। যার ৭৪ শতাংশ যোগান দেয়া হয় রাষ্ট্রীয় খাত থেকে। বাকী ২৫-২৬ শতাংশ বাইরের সাহায্য। এ সংক্রান্ত প্রকল্পে বাইরের সাহায্য খুব একটা পাওয়া যায় না।

আইনুন নিশাত বলেন, আমরা জলবায়ু পরিবর্তন রোধে সস্তা প্রযুক্তি ব্যবহার করতে চাই। আধুনিক প্রযুক্তি দাম বেশি হওয়া সেটা আনতে চাই না। উদাহরণ হিসেবে বলেন, আমি সাধারণ প্রযুক্তি ব্যবহার করে ১০০ থেকে ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারি। কিন্তু একই রিসোর্স দিয়ে সেটা ৫০০ মেগাওয়াটে নিয়ে যাওয়া যায়।

আর বাংলাদেশে জলবায়ু প্রকল্প বাস্তবায়নে দক্ষ জনবল গড়ে উঠেনি। যে কারণে জলবায়ু সংক্রান্ত প্রকল্পগুলো আমরা বাস্তবায়ন করতে পারি না। ক্যাপাসিটি বিল্ডিংয়ের একটি বিষয় আছে। এক্ষেত্রে আমাদের ক্যাপাসিটি বিল্ডিং করতে হবে।

অনুষ্ঠানে আগত সাংবাদিকরা গ্রিনহাউজ গ্যাসের নি:সরন নিয়ে কথা বলেন। তারা জানতে চান কার্বন ডাই অক্সাইড ছাড়াও আরো অনেক গ্যাস আছে যাদের কারণে উষ্ণতা বৃদ্ধি পায়। এগুলো নিয়ে কেন আলোচনা হচ্ছে না। শুধু কার্বন এমিশন নিয়ে কেন আলোচনা হচ্ছে? জবাবে সংগঠনের সদস্য জিয়াউল হক মুক্তা বলেন, আমরা গ্রিন হাউজ গ্যাসের সবগুলো নিয়ে আলোচনা করছি। এখানে কার্বন সমপর্যায়ের কথাটা বলা আছে।