নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সংখ্যালঘু নির্যাতন নয়

সুমন দত্ত: জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সংখ্যালঘুদের ওপর যেন হামলা না হয় সে ব্যাপারে সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে কঠোর পদক্ষেপ নেবার আহবান জানিয়েছে বেসরকারি মানবাধিকার সংস্থা শারি।

বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ভিআইপি লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত এক গোল টেবিল আলোচনা এই আহবান জানানো হয়। আলোচনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সমাজ কল্যাণ মন্ত্রী জনাব রাশেদ খান মেনন । অনুষ্ঠান শুরু করেন উপস্থাপক শ্যামল দত্ত ও ড. মেসবা কামাল।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মানবাধিকার কর্মী অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রানাদাশ গুপ্ত। এছাড়া প্যানেল আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রিইবের নির্বাহী প্রধান মেঘনা গুহঠাকুরতা, দৈনিক সংবাদের সম্পাদক খন্দকার মুনীরুজ্জামান, দৈনিক প্রথম আলোর যুগ্ম সম্পাদক জনাব সোহরাব হাসান, বাংলাদেশ খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নির্মল রোজারিও।

রানা দাশ গুপ্ত বলেন, নির্বাচন এলেই সাম্প্রদায়িক উসকানি দিতে থাকেন অনেকে। আমরা ভুলি নাই সেই সাবাস বাংলাদেশের কথা, যেখানে একজন রাজনীতিবিদ দলকে জেতাতে এক হাতে কোরান আর অন্য হাতে গীতা নিয়ে বলেন আপনারা কাকে জেতাতে চান? জাতি এসব ভুলে নাই যে, একজন দল প্রধান বলেন, অমুক দল জিতলে মসজিদ থেকে আযান নয় উলু ধ্বনি আসবে, শঙ্খ ধ্বনি আসবে। এবার যাতে এসব না হয়। সে দাবি জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, সরকার ১ থেকে ২ পারসেন্ট ভোটের জন্য জেএসসি পরীক্ষা স্থগিত করতে পারেন। কিন্ত ১০ থেকে ১১ পারসেন্ট ভোটের জন্য তিনি কি পদক্ষেপ নেবেন। তা জানাবেন।

খ্রীস্টান অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নির্মল রোজারিও বলেন, সুবল দাশ নামের আমাদের সম্প্রদায়ের এক লোক আওয়ামীলীগ করতেন বলে হামলার শিকার হোন। আমরা বিএনপির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলতাফ হোসেনের কাছে গেলে তিনি বলেন, আমার কাছে এলেন কেন? চলে যান শেখ হাসিনার কাছে। এমন আচরণ তাকে হতাশ করেছিল বলে তিনি জানান।

অনুষ্ঠানে সাংবাদিক কল্যাণ কুমার চন্দ বলেন, আমাকে মানসিক ভাবে নির্যাতন করা হয়েছিল। আমার বিয়েতে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেছিল এলাকার বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত দুর্বৃত্তরা। আমি বিষয়টি বিএনপিকে জানালে আমার চাঁদা দিতে হয়নি ঠিকই কিন্তু ৫০ জনকে ভোজন করাতে হয়েছিল।