আয়কর বিভাগের দুর্নীতির ২৩ উৎস চিহ্নিত

নিউজ ডেস্কঃ  আয়কর বিভাগের দুর্নীতির ২৩ উৎস চিহ্নিত করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক। সার্বিক দুর্নীতি প্রতিরোধে দুদক ২৩টি সুপারিশ করেছে। বৃহস্পতিবার দুদক সুপারিশ অনুমোদন করে কমিশনের ভারপ্রাপ্ত সচিব সারোয়ার মাহমুদের স্বাক্ষরে মন্ত্রীপরিষদ বিভাগের সচিব বরাবরে পাঠানো হয়েছে। এর আগে দুর্নীতি প্রতিরোধে কমিশনের পক্ষ থেকে ৩ সদস্যের কমিটি তৈরি করা ওই সুপারিশ অনুমোদন দিয়েছে দুদক।

দুদকের পরিচালক ও কমিটির প্রধান মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলীর নেতৃত্বে গঠিত তিন সদস্যের কমিটি আয়কর বিভাগে দুর্নীতির ক্ষেত্রে ২৩টি উৎস চিহ্নিত ও সার্বিকভাবে দুর্নীতি বন্ধে ২৩টি সুপারিশ করে।

দুদক সূত্র জানায়, আয়কর বিভাগ এবং কাস্টম এক্সাইজ ও ভ্যাট সংক্রান্ত আইন, বিধি, পরিচালন পদ্ধতি, ট্যাক্স ও রাজস্ব ফাঁকির দিকসমূহ পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ করে উক্ত প্রতিষ্ঠানের সম্ভাব্য ইতিবাচক ও নেতিবাচক দিক এবং দুর্নীতির যেসব কারণ রয়েছে তা উল্লেখপূর্বক সুপারিশসহ প্রতিবেদন দাখিলের জন্য কমিশন কর্তৃক প্রাতিষ্ঠানিক টিম গঠন করা হয়। প্রাতিষ্ঠানিক টিম বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনা করে। এছাড়া আয়কর বিভাগ এবং কাস্টম এক্সাইজ ও ভ্যাট সংক্রান্ত বিভিন্ন নথি/রেকর্ডপত্র পর্যালোচনাও করেছে কমিটি।

সরেজমিনে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন,গণমাধ্যম থেকে প্রাপ্ত তথ্যাদি এবং কমিশনের গোয়েন্দা উৎস থেকে প্রাপ্ত তথ্যাদি পর্যালোচনা করে আয়কর বিভাগ এবং কাস্টম এক্সাইজ ও ভ্যাটের দুর্নীতির উৎস/কারণ এবং তা প্রতিরোধে সুপারিশমালাসহ প্রতিবেদন দাখিল করে। প্রতিবেদনের সুপারিশের বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিব, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, সিনিয়র সচিব, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ এবং চেয়ারম্যান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বরাবরে সুপারিশমালা প্রেরণের জন্য কমিশন কর্তৃক সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।