প্রধানমন্ত্রীর কাছে ‘প্রত্যাশার চেয়ে প্রাপ্তির পাল্লাই ভারী,আমরা কৃতজ্ঞ!

নিউজ ডেস্কঃ প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে ময়মনসিংহে সাজ সাজ রবপ্রায় পাঁচ বছর পর ময়মনসিংহ সফরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নির্বাচনের আগে তার এই সফরকে ঘিরে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ দেখা গেছে। প্রধানমন্ত্রী কী কী আশ্বাস দেবেন এবং তার কাছে স্থানীয়দের পক্ষ থেকে কী চাওয়ার আছে সেব্যাপারে বিভিন্ন মহলে আলোচনাও চলছে। তবে আওয়ামী লীগ নেতারা বলছেন, এখন পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রত্যাশার চেয়ে প্রাপ্তিই বেশি তাদের। এলাকার উন্নয়নে আগের প্রায় সব অঙ্গীকারও তিনি পূরণ করেছেন। এবারও ১৯৬টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করবেন তিনি। কাজেই নতুন করে খুব বেশি কিছু চাওয়ার নেই তার কাছে।

শুক্রবার (২ নভেম্বর) বেলা ৩টার সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সার্কিট হাউস ময়দান থেকে ময়মনসিংহ বিভাগের ১৯৬টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করবেন। ময়মনসিংহকে বিভাগ ও পৌরসভাকে সিটি করপোরেশন ঘোষণা করার পর প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ময়মনসিংহ আসছেন। বর্তমান সরকার মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এটিই প্রথম ময়মনসিংহের জনসভা। এর আগে ২০১৩ সালের জানুয়ারি মাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ময়মনসিংহের সার্কিট হাউস মাঠের জনসভায় বক্তৃতা করেন।

আওয়ামী লীগের স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৩ সালের ৩ জানুয়ারি ময়মনসিংহ সার্কিট হাউস ময়দানে জনসভায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ককে চারলেনে উন্নীতকরণ, ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের শয্যা ৫০০ থেকে বাড়িয়ে এক হাজার শয্যা, ময়মনসিংহকে বিভাগ ঘোষণা, পৌরসভাকে সিটি করপোরেশনে উন্নীতকরণ, শিক্ষা বোর্ড স্থাপন ও ময়মনসিংহের পুরনো ব্রহ্মপুত্র নদ খননসহ বেশ কিছু প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। ইতোমধ্যে এসব প্রতিশ্রুতির সবই বাস্তবায়ন করা হয়েছে। ফলে ময়মনসিংহবাসী এখন দৃশ্যমান উন্নয়নের সুফল পাচ্ছে এমন দাবি করে ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোহিত উর রহমান শান্ত বলেন, ‘প্রত্যাশার চেয়ে প্রাপ্তির পাল্লাই ভারী। এজন্য আমরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞ। ময়মনসিংহকে বিভাগ ও সিটি করপোরেশন ঘোষণা করে প্রধানমন্ত্রী ময়মনসিংহবাসীকে সম্মানিত করেছেন।’

শুক্রবারের জনসভা থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ময়মনসিংহ বিভাগের ১৯৬টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন এবং ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন এই ক্ষেত্রে নতুনমাত্রা যোগ করবে বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক ও নাগরিক নেতৃবৃন্দ। বিএনপিসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতারাও প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।

গণফোরাম ময়মনসিংহ জেলা শাখার সভাপতি অ্যাডভোকেট এএইচএম খালেকুজ্জামান জানান, ‘ব্রহ্মপুত্র নদে আরও ২টি ব্রিজ হচ্ছে এটি আশার কথা।’ সিপিবি’র ময়মনসিংহ জেলা শাখার সভাপতি অ্যাডভোকেট এমদাদুল হক মিল্লাত জানান, ‘নতুন বিভাগ ও সিটি করপোরেশনকে পরিকল্পিতভাবে সাজিয়ে তুললে এর সুফল পাবে ময়মনসিংহবাসী।’

নাগরিক আন্দোলন-ময়মনসিংহের সভাপতি ও বিভাগ আন্দোলনের নেতা অ্যাডভোকেট আনিসুর রহমান খান জানান, ‘ঢাকা-ময়মনসিংহ চার লেন হলেও নগরবাসী এখনও যানজটের নারকীয় যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পায়নি। এজন্য ময়মনসিংহ নগরীর ভেতর থেকে রেললাইন ও রেলস্টেশন নগরীর বাইরে স্থানান্তরের দাবি জানাই। এর বাইরে ঢাকা থেকে ময়মনসিংহ হয়ে জামালপুর পর্যন্ত ডাবল রেললাইন চালু, বিমান বন্দর প্রতিষ্ঠা, ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালকে এক হাজার শয্যা থেকে বাড়িয়ে দুই হাজার শয্যায় উন্নীতকরণ, ইপিজেড স্থাপন ও সংস্কৃতি নগরীর প্রতিষ্ঠার দাবি জানাই।’

প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় এসব দাবি গুরুত্ব পাবে উল্লেখ করে ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট জহিরুল হক খোকা জানান, ‘প্রত্যাশার চেয়েও বেশি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ইউরোপ আমেরিকার মতো ব্রহ্মপুত্র নদের ওপারে নতুন বিভাগীয় সদর দফতর ও আধুনিক নগর গড়ে তোলা হবে। ব্রহ্মপুত্র খননে একনেকে প্রয়োজনীয় টাকাও বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। জামালপুর থেকে ময়মনসিংহ পর্যন্ত ব্রহ্মপুত্র খনন করে এর নাব্য ফিরিয়ে এনে ব্রহ্মপুত্রের দুই পারে দৃষ্টিনন্দন নগর গড়ে তোলা হবে। এমন নানা উন্নয়নের কারণে শেরপুর, জামালপুর ও নেত্রকোনাসহ ময়মনসিংহবাসী অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আগমনের জন্য।’

শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ময়মনসিংহ জেলায় ৩১টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ৩৪টি উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এর বাইরে ময়মনসিংহ বিভাগীয় সদর দফতরের জন্য আর ১০টি উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করবেন। উদ্বোধনের অপেক্ষায় থাকা প্রকল্পগুলো হচ্ছে- ত্রিশালের বালিপাড়ায় ব্রহ্মপুত্র নদের ওপর শহীদ রফিক উদ্দিন ব্রীজ নির্মাণ, গফরগাঁও উপজেলার সালটিয়া-হাজিগঞ্জ-দেওয়ানগঞ্জ বাজার সড়কে ব্রহ্মপুত্র নদের ওপর ৮১০ মিটার ব্রীজ নির্মাণ, ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজের ১০ তলা ভিতের ওপর ৩ তলা বিশিষ্ট ছাত্র হোস্টেল নির্মাণ, জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা-এনএসআইয়ের অফিস নির্মাণ, বিএসটিআইয়ের অফিস নির্মাণ, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন পরিদপ্তর অফিস নির্মাণ, দৃস্টি প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য ২ তলা বিশিষ্ট হোস্টেল নির্মাণ, ময়মনসিংহ কেন্দ্রীয় কারাগারে মহিলা কারারক্ষীদের জন্য আবাসিক ভবন নির্মাণ, আলমগীর মনুসর মিন্টু কলেজ, নাসিরাবাদ কলেজ, ভালুকা ডিগ্রী কলেজ, গৌরীপুর মহিলা ডিগ্রী কলেজ, জিকেবি কলেজ, নান্দাইল উপজেলার মশুলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, নান্দাইলে সমুর্ত জাহান মহিলা কলেজ, নান্দাইলে খুররম খান চৌধুরী কলেজ, নান্দাইল শহীদ স্মৃতি আদর্শ কলেজ, ঈশ্বরগঞ্জের উচাখিলা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ এবং আঠারবাড়ি ডিগ্রী কলেজের চারতলা বিশিষ্ট নব নির্মিত একাডেমিক ভবন নির্মাণ, ময়মনসিংহ জেলা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ভবন নির্মাণ, সরকারী আনন্দ মোহন কলেজের ১৩২ সীটের ৫তলা ছাত্রী হোস্টেল নির্মাণ, ঈশ্বরগঞ্জে ৫০০ আসন বিশিষ্ট অডিটরিয়াম কাম কমিউনিটি সেন্টার নির্মাণ, শতভাগ বিদ্যুতায়িত উপজেলা ময়মনসিংহের সদর ও ত্রিশাল উপজেলা, ভালুকা, ত্রিশাল, ফুলবাড়িয়া, মুক্তাগাছা ও গৌরীপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণ, ধোবাউড়া ও নান্দাইল ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন নির্মাণ। ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনযোগ্য প্রকল্পসমূহ হচ্ছে- নবসৃষ্ট ময়মনসিংহ বিভাগের নতুন বিভাগীয় শহর, বিভাগীয় কমিশনার ও রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়, বিভাগীয় স্টেডিয়াম, বিভাগীয় সার্কিট হাউস, বিভাগীয় পুলিশ হাসপাতাল নির্মাণ, বঙ্গবন্ধু নভো থিয়েটার, আরআরএফ ময়মনসিংহ রেঞ্জ, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, পুরনো ব্রহ্মপুত্র নদ খনন, ব্রহ্মপুত্র নদের কেওয়াটখালিতে ব্রীজ নির্মাণ, ময়মনসিংহে হাইটেক পার্ক নির্মাণ, মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট নির্মাণ, সিভিল সার্জনের কার্যালয়, সমাজ সেবা কমপ্লেক্স, বিআরটিসির ডিপো কাম ট্রেনিং সেন্টার, ময়মনসিংহ সদরের চরসিরতায় ডা. মুশফিকুর রহমান শুভ মেমোরিয়াল ইসলামিক মিশন হাসপাতাল, ময়মনসিংহ নেত্রকোণা সড়ক উন্নয়ন, সীমান্ত সড়ক নির্মাণ(ময়মনসিংহ-নেত্রকোনা অংশ), বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও গৌরীপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন নির্মাণ, ময়মনসিংহ কেন্দ্রীয় কারাগারের সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন, গফরগাঁও-বরমী-মাওনা সড়ক উন্নয়ন, ত্রিশাল-বালিপাড়া-নান্দাইল সড়ক উন্নয়ন, জামালপুর-চেচুয়া-মুক্তাগাছা সড়ক উন্নয়ন, ময়মনসিংহ-গফরগাঁও-টোক সড়কের বানার নদীতে ব্রীজ নির্মাণ, ঈশ্বরগঞ্জে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপন, তারাকান্দা উপজেলা ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল নির্মাণ, সরকারী আনন্দ মোহন কলেজে ১০ তলা বিশিষ্ট একাডেমিক ভবন নির্মাণ, ময়মনসিংহে ৩৬০ মেগাওয়াট ডুয়েল ফুয়েল কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুত উৎপাদন কেন্দ্র নির্মাণ, ময়মনসিংহের সুতিয়াখালিতে ৫০ মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুত উৎপাদন কেন্দ্র নির্মাণ, নান্দাইলে আনোয়ারুল হোসেন খান চৌধুরী মহিলা কলেজের ৪ তলা একাডেমিক ভবন নির্মাণ, ধোবাউড়ায় টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের ৫ তলা একাডেমিক, ৪ তলা প্রশাসনিক ও এক তলা বিশিষ্ট ওয়ার্কসপ নির্মাণ, নান্দাইলে নরসুন্দা নদীর বাম তীর সংরক্ষণ প্রকল্প, তারাকান্দা উপজেলার কাকনি-শ্যামগঞ্জ সড়ক, ফুলবাড়িয়া উপজেলার কৈয়ারচালা-সাগরদীঘি সড়ক, ত্রিশাল উপজেলার হদ্দের ভিটা-কালবি বাজার সড়ক, ভালুকা উপজেলার ভালুকা-গফরগাঁও-ধলিয়া সড়ক উন্নয়ন এবং ভালুকা-গফরগাঁও-হোসেনপুর সড়কসহ জেলা মহাসড়কের যথাযথ মান উন্নয়ন ও প্রশস্থকরণ প্রকল্প, নান্দাইল, হালুয়াঘাট ও ধোবাউড়া উপজেলায় মডেল মসজিদ নির্মাণ প্রকল্প।

নেত্রকোনা, জামালপুর ও শেরপুরের উল্লেখযোগ্য প্রকল্পসমূহ হচ্ছে- নেত্রকোনায় শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিক্যাল কলেজের ভিত্তি প্রস্থর স্থাপন, নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র, নেত্রকোনা আধুনিক স্টেডিয়াম, নেত্রকোনা যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও কেন্দুয়া ৫০০ আসন বিশিষ্ট অডিটরিয়াম কাম মাল্টিপারপাস হল নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। মোহনগঞ্জে ৫০০ আসনের অডিটয়িরাম নির্মাণ,অর্থনৈতিক অঞ্চল ও শৈলজারঞ্জন সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের ভিত্তি প্রস্থর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী। জামালপুরের ইসলামপুরে শেখ হাসিনা ইনষ্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজী, জামালপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস, জামালপুরে ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুত কেন্দ্র উদ্বোধন করবেন এবং ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করবেন বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, জামালপুরের মাদারগঞ্জে শেখ হাসিনা স্পেশালাইজড জুট টেক্সটাইল মিল, জামালপুরের মেলান্দহে শেখ হাসিনা টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ও জামালপুরের মাদারগঞ্জে শেখ রাসেল টেক্সটাইল ইনষ্টিটিউট, জামালপুরের মাদারগঞ্জে ১০০ মেগাওয়াট সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট, ইউনাইটেড জামালপুর পাওযার লিমিটেড এর ১১৫ মেগাওয়াট পাওয়ার প্ল্যান প্রকল্প, হাইটেক পার্ক, বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল,জামালপুর নার্সিং টেনিং ইনস্টিটিউট, জামালপুর পল্লী উন্নয়ন একাডেমী ও জামালপুর-জয়দেবপুর রেললাইন সম্প্রসারণসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের। শেরপুর সদর হাসপাতালকে ১০০ শয্যা থেকে ২৫০ শয্যায় উন্নীতকরণ প্রকল্প, শেরপুর পিটিআই কমপ্লেক্স ভবন, কারিগরী ট্রেনিং সেন্টার-টিটিসি, চন্দ্রকোনায় পুলিশ ফাঁড়ি নির্মাণ, নালিতাবাড়িতে কৃষকসেবা কেন্দ্র, নকলায় ভোগাই নদীর ওপর রাবার ড্যাম নির্মাণ, নকলা-নালিতাবাড়ি-নাকুগাঁও স্থলবন্দর সড়ক এবং নকলা-নালিতাবাড়ি চারলেন সড়কের উদ্ধোধন ও শেরপুর-জামালপুর বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তি প্রস্থর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 

ঢাকানিউজ২৪ডটকম/জাহিদ