জনপ্রতিনিধি হিসেবে সার্বক্ষনিকভাবে কাজ করে যাচ্ছি : আসম কামরুল

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি :: কুলাউড়া উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের যুব বিষয়ক সম্পাদক আসম কামরুল ইসলাম বুধবার উপজেলা পরিষদে আয়োজিত সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময়ে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার-২ আসনে নিজেকে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশীর আনুষ্টানিক ঘোষনা দিয়ে বলেছেন কুলাউড়াবাসী নেত্রীর কাছে এ আসনে নৌকা প্রতিকের প্রার্থী আশা করছে।

কুলাউড়ার সাবেক এমপি,আওয়ামীলীগের বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ মরহুম মোঃ আব্দুল জব্বারের সুযোগ্য পুত্র উপজেলা চেয়ারম্যান আসম কামরুল ইসলাম মতবিনিময়ে বলেন ঐতিহ্যবাহী কুলাউড়ার রাজনীতিতে তিনি ছাত্র জীবন থেকেই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ লালন করে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় ও জনগনের সেবায় রাজনীতি করছেন। বাবার আদর্শ ও নীতিকে বুকে লালন করে ২০০৯ সালের উপজেলা নির্বাচনে উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও ২০১৪ সালে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। কুলাউড়ার মানুষ তাকে দু’বার ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছে। মানুষের সেবা করার মন নিয়েই একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে সার্বক্ষনিকভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে মনোনয়ন চেয়েছেন।

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের মনোনয়ন পুনরায় চাইবেন। নেত্রী তার রাজনীতির মূল্যায়ন বিবেচনা করে মনোনয়ন দেবেন বলে তিনি আশাবাদী। তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ আসনে যাকে মনোনয়ন দেবেন তাঁর পক্ষে তিনি কাজ করে এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে সংসদ নির্বাচনে নৌকা মার্কার বিজয় ছিনিয়ে আনবেন বলে অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন কুলাউড়ার মানুষ মৌলভীবাজার-২ আসনে লাঙ্গলের প্রার্থী চায়না। কারন ২০০৮ সালে নেত্রী যাকে এ আসনে মহাজোটের লাঙ্গলের প্রার্থীর মনোনয়ন দিয়েছিলেন তিনি ১লাখ ৩০ হাজার ভোট পেয়ে বিজয়ী হওয়ার পর বিএনপির বেগম খালেদা জিয়ার ২০ দলীয় জোটে যোগ দেন।

২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে একইভাবে মহাজোটের লাঙ্গলের অপর এক প্রার্থী মনোনয়ন নিয়ে পরাজিত হন। তাই আগামী নির্বাচনে মৌলভীবাজার-২ আসনে কুলাউড়াবাসী নেত্রীর কাছে নৌকা প্রতিকের প্রার্থী আশা করে।

সভায় তিনি উপজেলা পরিষদের বিগত ১০ বছরের তার দায়িত্বকালীন সময়ে বিভিন্ন উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার ক্ষমতায় থাকার কারনে দেশের উন্নয়নের পাশাপাশি কুলাউড়া উপজেলার শিক্ষা,স্বাস্থ্যসহ সর্বক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন ও সাফল্য অর্জন সম্ভব হয়েছে। তিনি কুলাউড়ার উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে দলমত নির্বিশেষে অতিতের মত আগামীতেও তাকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আহ্বান জানান।