অজয় রায় সমাজ-প্রগতিকে সমুন্নত রাখতে লড়াই করেছেন

নিউজ ডেস্ক:   জাতীয় অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান বলেছেন, আমাদের দেশের রাজনীতিবিদরা খুব বেশি জ্ঞানচর্চা করেন না। অজয় রায় জ্ঞানচর্চা করেছিলেন এবং তার গবেষণার ফল সবাইকে উপহার দিয়েছিলেন- যা থেকে আমরা সমৃদ্ধ হয়েছি, উপকৃত হয়েছি। ষাটের দশক থেকে অজয় রায় এদেশের মাটি ও মানুষের পক্ষে সমাজ-প্রগতির ধারাকে সমুন্নত রাখতে লড়াই সংগ্রাম করে গেছেন। তরুণ সমাজের কাছে তার এ আদর্শ তুলে ধরতে হবে।

বুধবার সকালে রাজধানীর শাহবাগে বাংলাদেশ টেনিস ফেডারেশন চত্বরে সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অজয় রায়ের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা নিবেদন ও স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান বলেন, অজয় রায় তার জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা দিয়ে দেশের মানুষের সেবা করেছেন। আদর্শে তিনি ছিলেন অটল।অসাম্প্রদায়িক ও ন্যায়পরায়ণ সমাজের জন্য যারা কাজ করতেন তাদের সঙ্গে নিজেকে যুক্ত করতে বাধা অনুভব করেননি তিনি। হৃদয়ের প্রসারতা ও চিন্তার সম্পূর্ণতা তার মধ্যে খুবই লক্ষণীয়।

পদার্থ বিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. অজয় রায় বলেন, অজয় রায় যে পটভূমিকে সামনে রেখে প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক শক্তির ঐক্য তৈরির পথ রচনা করেছেন, সেই বাস্তবতা আজ আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। তাই মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের বাম-প্রগতিশীল-গণতান্ত্রিক শক্তির প্রকৃত ঐক্যই বাংলাদেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে পারে।

সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলনের সভাপতি জিয়াউদ্দিন তারেক আলীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সাধারণ সম্পাদক সালেহ আহমেদের সঞ্চালনায় স্মরণসভায় স্মৃতিচারণ করে বক্তব্য রাখেন-মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি ডা. সারওয়ার আলী, সমাজ গবেষক ড. নুহ আলম লেলিন, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পর্টির পলিটব্যুরো সদস্য আনিসুর রহমান মল্লিক ও ঐক্যন্যাপের সাধারণ সম্পাদক আসাদুল্লাহ তারেক প্রমুখ।

অজয় রায়ের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানায় সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন, সাম্প্রদায়িকতা জঙ্গীবাদ বিরোধী মঞ্চ, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি, জাসদ (আম্বিয়া), ঐক্যন্যাপ, ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র, বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামসহ বিভিন্ন ব্যাক্তি ও সংগঠন।