উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে কৃষকদের মতবিনিময়

ঈশ্বরদী প্রতিনিধি: ঈশ্বরদীর জাতীয় পদক প্রাপ্ত ও স্থানীয় কৃষকদের সাথে ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মতবিনিময় করেছেন। শহরের অরণকোলায় মওলা কৃষি খামারে আজ সোমবার কৃষক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মতবিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আহাম্মদ হোসেন ভূঁইয়া। মতবিনিময় স্থল কৃষকের উৎপাদিত সবজি ও ফলমূল দিয়ে মনোমুগ্ধকর ভাবে সাজানো ছিল।

বাংলাদেশ কৃষক উন্নয়ন সোসাইটি ঈশ্বরদী উপজেলা সভাপতি আবুল হাসেমের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ঈশ্বরদী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল লতিফ, বাংলাদেশ কৃষক উন্নয়ন সোসাইটি কেন্দ্রিয় সভাপতি ও বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পদক প্রাপ্ত কৃষক ছিদ্দিকুর রহমান কূল ময়েজ ও বাংলাদেশ কৃষক উন্নয়ন সোসাইটি কেন্দ্রিয় সাধারন সম্পাদক আব্দুল জলিল কিতাব মন্ডল। কৃষকদের মধ্যে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পদক প্রাপ্ত কৃষক জাহিদুল ইসলাম গাজর জাহিদ, বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পদক প্রাপ্ত কৃষক হাবিবুর রহমান মৎস্য হাবিব, বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পদক প্রাপ্ত কৃষক আকমল হোসেন, বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পদক প্রাপ্ত কৃষক আলহাজ্ব রবিউল ইসলাম, সিআইজি ঈশ্বরদী উপজেলা সভাপতি মুরাদ মালিথা, কৃষক রেজাউল ইসলাম, মৎস্য চাষি আবু তালেব জোয়াদ্দার, কবির মালিথা ও মহসিন আলীসহ ঈশ্বরদীর বিভিন্ন স্তরের কৃষকেরা।

বক্তারা বলেন, কৃষকেরা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে ফসল উৎপাদন করে থাকেন। কিন্তু সেই ফসল হাট-বাজারে বিক্রি করতে গেলে ন্যায্য মূল্য পাওয়া যায়না। কৃষকের উৎপাদিত সকল পণ্যেই বর্তমানে লোকশান হচ্ছে। এরপর তা হাট-বাজারে বিক্রি করতে গেলে খাজনার নামে ইজারাদারের লোকেরা কৃষকদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছেন শতকরা দশ টাকা। কৃষি পণ্য বিক্রির পর কৃষকের কাছ থেকে খাজনা নেয়া সরকারের পক্ষ থেকে নিষেধ থাকলেও ইজারাদারের লোকেরা বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে তাদের ইচ্ছে মতো অধিকমাত্রায় খাজনা আদায় করছেন।

বক্তারা আরও বলেন, বর্তমান সরকার হচ্ছে কৃষি বান্ধব সরকার, এই সরকারের আমলে কোন কৃষককে সারের জন্য গুলি থেয়ে মরতে হয়নি। কিন্তু সরকার কর্তৃক রাসায়নিক সারের মূল্য নির্ধারনের পরেও ব্যবসায়িরা কৃষকদের কাছ থেকে বস্তা প্রতি দুই থেকে পাঁচশত টাকা বেশি নিচ্ছেন। সরকার কর্তৃক সারের মূল্য নির্ধারন করা থাকলেও তা পাবনা জেলার কোন ডিলার মানছেন না। ভেজাল কীটনাষকে ছেয়ে গেছে পুরো দেশ। চড়া মূল্যে ভেজাল কীটনাষক কিনে তা ব্যবহার করে কৃষক পদে পদে প্রতারিত হচ্ছে। ঈশ্বরদীতে কৃষি বীমা ও কৃষি হিমাগারের জোর দাবি তোলেন।

ঢাকানিউজ২৪ডটকম/প্রিন্স