জিম্বাবুয়ে সিরিজের পূর্বে মুশফিকেও আঙুলের ইনজুরিতে

নিউজ ডেস্কঃ ঘরের মাঠে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজে সাকিব-তামিমের খেলা হচ্ছে না এটা নিশ্চিত। ইনজুরি আছে মুশফিকেরও। শেষ পর্যন্ত তিনিও খেলতে পারবেন কিনা তা এখনই বলা যাচ্ছে না। তবে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে খেলতে আশাবাদী বাংলাদেশের উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা মুশফিক পাঁজরের ইনজুরি নিয়ে খেলা চালিয়ে গেছেন। এশিয়া কাপের শেষে বিশ্রামে আছেন তিনি। পুরোপুরি সেরে উঠতে চলছে পুর্নবাসন প্রক্রিয়া। আগামী ২১ অক্টোবর থেকে জিম্বাবুয়ে সিরিজ শুরু হবে। সিরিজের আগেই সেরে ওঠার ব্যাপারে মুশফিক বলেন, ‘ব্যথা আস্তে আস্তে কমছে। আমি আগের থেকে এখন বেশ ভালো অনুভব করছি। সেরে ওঠার ওপর ভিত্তি করে পরিশ্রমের গতি বাড়াচ্ছি।’

দ্রুতই ব্যাটিং শুরু করার ব্যাপারে সোমবার মুশফিক ক্রিকবাজকে বলেন, ‘পুর্নবাসন পক্রিয়া চলছে। আশা করছি এক দু’দিনের মধ্যে ব্যাটিং অনুশীলন শুরু করতে পারবো। যেহেতু আমার ইনজুরির কারণে কোন অস্ত্রোপচার লাগছে না; আশা করছি সামনের সিরিজের আগেই পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠবো।

জিম্বাবুয়ে সিরিজে সাকিব-তামিম দলে থাকবেন না। টেস্ট-টি২০ সিরিজে পাওয়া যাবে না মাশরাফিকে। আর তাই মুশফিক যদি দলে না থাকেন তবে তরুণ দল নিয়ে ভালো করা কঠিন হতে পারে টাইগারদের জন্য। আবার ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফর, এরপর বিপিএল খেলে ফেব্রুয়ারিতে দেশের বাইরে সিরিজ, বিশ্বকাপ এসব মাথায় নিলে মুশফিককে বিশ্রাম দেওয়াও দরকার। কারণ পাঁজর বা কোন হাড়ের চিড় সারতে সাধারণত ১৫-২০ দিন লেগে যায়। মুশফিকও বললেন সেটা। তবে জিম্বাবুয়ে সিরিজে তিনি বিশ্রামে থাকতে চান না বলেই জানালেন।

এশিয়া কাপে দেশের হয়ে ৩০২ রান করা মুশফিক বলেন, ‘এমনিতে দেশকে প্রতিনিধিত্ব করার জন্য আপনার সামনে অনেক সুযোগ আসবে না। আর এ কারণে আমি দেশের হয়ে সব ম্যাচই খেলতে চাই। হুট করে ইনজুরিতে পড়লে তা অবশ্যই চিন্তার বিষয়। বাস্তবতা তো মানতে হবে। যদি বড় কোন ঝুঁকি থাকে তবে ফিজিও তা দেখে সিদ্ধান্ত নেবেন। তবে ক্যারিয়ার জুড়ে আমি ছোট খাটো ইনজুরি নিয়ে খেলে আসছি।’

তার অন্যান্য ইনজুরি নিয়ে মুশফিক বলেন, ‘আমার পাঁজরের ইনজুরির পাশাপাশি দুই-তিনটা আঙুলে চিড় আছে। সেগুলো যদি অস্ত্রোপচার করায় তবে মাঠে ফিরতে দু্ই থেকে চার মাস সময় লাগবে। আর ক্রিকেটে এতো দিনের বিরতী দিয়ে ফেরা সত্যিই খুব কঠিন।’ এছাড়া পাঁজরের ইনজুরি নিয়ে তিনি জানান, উইকেটকিপিং করলে তার ইনজুরিটা একটু চিন্তার বিষয়। যদি ডাইভ দেন তবে ইনজুরির কি অবস্থা হবে তা নিয়ে চিন্তা আছে। এটা নিয়ে টিম ম্যানেজমেন্ট এবং ফিজিওর সঙ্গে আলাপ করছেন বলেও জানান তিনি।