বাসযোগ্য টেকসই ঢাকার জন্য চাই পাতাল রেল

ড. আতিউর রহমান: ক’দিন আগে সিলেটের শাহ্‌জালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়েছিলাম তরুণদের এক মিলন মেলায়। ইংলিশ অলিম্পিয়াড আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে হাজার দুই ছাত্রছাত্রী ও তরুণ উদ্যোক্তারা অংশগ্রহণ করেছিল। কী করে দক্ষতার সঙ্গে ‘কমিউনিকেট’ করা যায় শিরোনামের আন্তর্জাতিক ওই কর্মশালায় দেশের ও প্রবাসের সফল উদ্যোক্তা ও বক্তারা উৎসাহব্যঞ্জক কথা বললেন। তরুণরাও তাদের নানা প্রশ্ন করে অনুষ্ঠানটিকে এক নয়া উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিল। সবশেষে প্রধান অতিথি হিসেবে আমি তাদের বলেছিলাম, ‘তোমরাই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ।’ আরও বলেছিলাম, তরুণদের মনে স্বদেশের ইতিবাচক পরিবর্তনের লক্ষ্যে আশার আলো সর্বদাই জাগিয়ে রাখতে হবে। কেননা, রবীন্দ্রনাথ যেমনটি বলেছিলেন, এই আশার ক্ষেত্রটি প্রসারিত করাই একটি জাতির জন্য মস্ত কথা।

আমাদের জাতির পিতা ‘শ্মশান বাংলাকে সোনার বাংলা’ গড়ার স্বপ্ন দেখতেন। তার সেই অপূর্ণ স্বপ্নকে পূরণ করার কাজে তারই সুযোগ্য উত্তরসূরি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ব্যস্ত রয়েছেন। স্ব-অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণসহ অনেক মেগা প্রকল্প নির্মাণের সৎসাহস দেখিয়েছেন বলেই স্বদেশের ৬৬ শতাংশ মানুষ তার নেতৃত্ব সমর্থন করেন (দেখুন ‘রিপাবলিকান ইনস্টিটিউট’-এর সাম্প্রতিক জরিপ)। এই সমর্থকদের মধ্যে তরুণদের সংখ্যাই বেশি। তবে তরুণদের সমর্থনকে আরও জোরদার করার জন্য তাকে পৃথিবীর সবচেয়ে ঘন বসতিপূর্ণ বৃহৎ নগরী ঢাকার পরিবহন ও অন্যান্য নাগরিক সুবিধার দিকে নজর দিতে হচ্ছে।

আজকাল সারাবিশ্বেই সবুজ অবকাঠামো গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তিনিও দিচ্ছেন। আমাদের দেশের তরুণরাও কিছুদিন আগে নিরাপদ সড়ক ব্যবস্থাপনার দাবিতে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মাধ্যমে একই বার্তা দিয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাদের সেই দাবির মর্ম বুঝতে পেরে দ্রুত আইন প্রণয়ন ও সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছেন। তরুণদের এই দাবির পেছনে ঢাকাকে বাসযোগ্য করে গড়ে তোলার জন্য টেকসই পরিবর্তন অবকাঠামোর আকাঙ্ক্ষাও সুপ্ত ছিল। তাই বয়স্কাউটসহ তরুণদের অনেকেই এ আন্দোলনের পাশাপাশি পরিবহন ব্যবস্থাপনাকে মানবিক করতে সহায়তার হাতও বাড়িয়ে দিয়েছিল। 

নিঃসন্দেহে, ঢাকা শহরের যাতায়াত ব্যবস্থার বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে হলে শুধু বাস ও অন্যান্য সংশ্নিষ্ট পরিবহনকে সুশৃঙ্খল করলেই তা সম্ভব নয়। চলমান মেট্রোরেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, ফ্লাইওভার নির্মাণ শেষ হলেও দ্রুত প্রসরমান ঢাকা শহরে সবার যাতায়াতের গতি ও সুবিধা কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে নিশ্চিত করা যাবে- এমন কথা হলফ করে বলা যাবে না। এ কারণেই চাই পাতাল রেল, যার মাধ্যমে প্রতিদিন লাখ লাখ মানুষ চলাচল করবে, চাপ কমে যাবে ভূপৃষ্ঠের সড়কপথে। কর্ণফুলী নদীর তলদেশ দিয়ে টানেল নির্মাণ করা গেলে ঢাকাতেও পাতাল রেল নির্মাণ অসম্ভব হবে না।

মনে রাখতে হবে, অন্যান্য সমমানের মেগাসিটিতে যেখানে গত এক দশকে জনসংখ্যা বেড়েছে ২০ শতাংশ; ঢাকা শহরে তা বেড়েছে ৫০ শতাংশেরও বেশি। আর এই জনচাপ কমার কোনো লক্ষণ দেখছি না। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে কর্মসংস্থানের সন্ধানে অনেকেই উপকূল, চর, হাওরাঞ্চল থেকে ঢাকার পানে ছুটছে। ঢাকার আশপাশের শহরগুলোকে যদি পরিবেশসম্মত স্মার্ট নগর হিসেবে গড়ে তোলা যেত এবং সেগুলোর সঙ্গে রেল, নদী ও সড়কপথের যোগাযোগ দ্রুত ও মসৃণ করা যেত, তাহলে হয়তো অনেকেই ওইসব সম্পূূরক শহরে বাস করতেন। কাজের জন্য ঢাকায় এসে ফের চলে যেতেন। সেদিকে নজর দেওয়ার পাশাপাশি ঢাকায় পাতাল রেল গড়ার মেগা প্রকল্প হাতে নেওয়ার সময় যে বয়ে যাচ্ছে। তরুণদের প্রত্যাশা, আসন্ন নির্বাচনী ইশতেহারে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দল ঢাকাকে আরও ভালোভাবে বাসযোগ্য করার জন্য পাতাল রেল গড়ার প্রতিশ্রুতি দেবে। মনে রাখতে হবে, পৃথিবীর সবচেয়ে দ্রুত নগরায়নের এই রাজধানী শহরের নিচের পুরোটা জমিই সরকারের হাতে।

ওই জমি নিয়ে কোনো বিরোধ নেই। তা ছাড়া বর্তমানে মাটির নিচে ‘বোরিং’ প্রযুক্তি এতটাই উন্নত হয়েছে, খুব দ্র্রুতই মেশিন দিয়ে মাটি কেটে তা বস্তাবন্দি করে নির্দিষ্ট জায়গায় নিয়ে যাওয়া যাবে। একই সঙ্গে ওই মেশিন দিয়েই মাটির নিচে রেল বসানোর আনুষঙ্গিক সব অবকাঠামো নির্মাণও করা যাবে। তাই কলকাতার পাতাল রেল নির্মাণের সময় প্রায় এক দশক ধরে যে জনভোগান্তি হয়েছিল, তা আর এখন হবে না। প্রযুক্তির কল্যাণে তাই নির্বিঘ্নে এই মেগা প্রকল্পটি নির্মাণে মনোনিবেশ করা যায়। উল্লেখ্য, টোকিওর পাতাল রেল তিন স্তরে নির্মিত। গভীর ওই অবকাঠামো নির্মাণে আমাদের প্রবাসী প্রকৌশলীরাই গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। ছয় বছর আগে ক্যালিফোর্নিয়া নিবাসী বাঙালি প্রকৌশলী আওয়ালের সঙ্গে সানফ্রান্সিসকোতে আমার দেখা হয়। আমি সেবার প্রবাসী অর্থনীতিবিদদের একটি সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য গিয়েছিলাম।

তার কাছ থেকেই এসব গল্প শুনলাম। আমার সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের তৎকালীন প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. বিরূপাক্ষ পালও ছিলেন। আমি ওই প্রকৌশলী দলকে ঢাকায় এসে এ বিষয়ে একটি উপস্থাপনা দেওয়ার আমন্ত্রণ জানাই। তারা এসেছিলেন এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের অফিসে একটি পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনাও দিয়েছিলেন। সেদিন তারা আমাদের জানিয়েছিলেন- মাত্র পাঁচ বছরে বিমানবন্দর থেকে মতিঝিল পর্যন্ত প্রথম পর্যায়ের পাতাল রেল স্থাপনে খরচ পড়বে পাঁচ বিলিয়ন ডলার। আমরা সেদিন বলেছিলাম, এই পরিমাণ অর্থ আমরা আন্তর্জাতিক বন্ডের মাধ্যমেই জোগাড় করতে পারব।

আমাদের জিডিপি-বৈদেশিক ঋণের যে অনুপাত, তা উন্নয়নশীল দেশগুলোর চেয়ে ঢের কম। তাই এমন ধারার বন্ড চালু করার মতো ঝুঁকি আমরা নেওয়ার সক্ষমতা রাখি। প্রায় এক কোটি অনাবাসী বাঙালিকে উৎসাহিত করলে তারাই এ বন্ডের সিংহভাগ কিনে নেবেন। তা ছাড়া আইডিপি, জাইকা, এডিবি, এশীয় ইনফ্রাস্ট্রাকচার উন্নয়ন ব্যাংকসহ আন্তর্জাতিক প্রায় সব আর্থিক প্রতিষ্ঠানই এ প্রকল্পে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেবে। বিশেষ করে, জাপান সরকার মেট্রোরেলে যেভাবে সহায়তা দিচ্ছে, তা দেখে মনে হয় পাতাল রেলের ব্যাপারেও আগ্রহ দেখাবে। 

কিছুদিন আগে ঢাকায় জাপানি রাষ্ট্রদূতের আমন্ত্রণে এ নৈশভোজে যোগ দিয়েছিলাম। তিনি বললেন, চীন ও ভারতের মধ্যখানে গতিময় এক ত্রিভুজের নাম বাংলাদেশ। সেই বাংলাদেশে বিনিয়োগ করার জন্য জাপান একপায়ে দাঁড়িয়ে আছে। বিশেষ অর্থনৈতিক জোন, মাতারবাড়ি কয়লাবিদ্যুৎ, মেট্রোরেলসহ নানা প্রকল্পে জাপান বিনিয়োগ করছে। আমাগীতে আরও বেশি বিনিয়োগে তারা উৎসাহী। আর আমরাও নিজেদের সম্পদের একাংশ কেন এমন গুরুত্বপূর্ণ ও জনবান্ধব অবকাঠামোর জন্য ব্যয় করতে পারব না? সে জন্য আমাদের প্রত্যেকেরই কর দেওয়ার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে। ‘কর দেওয়া দেশপ্রেমের অংশ’- এমন স্লোগান সারাদেশের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে দিতে হবে। আজকাল ডিজিটাল প্রযুক্তি ও লেনদেন ব্যবস্থা বিপুলভাবে প্রসারিত হয়েছে এবং প্রত্যেকের হাতে রয়েছে জাতীয় পরিচয়পত্র; মোবাইল ফোন।

প্রযুক্তি প্রসারের এই সুযোগ নিয়ে আমরা চাইলেই স্বদেশবাসীকে সমৃদ্ধ সবুজ বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নের সঙ্গে নিশ্চয় সংযুক্ত করতে পারি। আর সেই সংযুক্তির মাধ্যমেই স্বদেশ গড়ার জন্য প্রত্যেককে তাদের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় অভ্যন্তরীণ সম্পদ সমাবেশের কর্তব্য পালনে উৎসাহিত করতে পারি। এই স্বপ্নের সংযোগ ঘটানোর কাজে আমরা আমাদের তরুণ প্রজন্মকে উৎসাহিত করতে পারি। মনে রাখা চাই, এই তরুণরাই আগামীর বাংলাদেশ। তাই উন্নত বাংলাদেশ গড়ার জন্য যে ধরনের নাগরিক সক্রিয়তা, অংশগ্রহণ ও দেশপ্রেমের সঞ্চার করা দরকার, এই তরুণরা তাদের প্রযুক্তি-জ্ঞান ও সুশিক্ষার মাধ্যমে তা উস্কে দেবে- এমনটি আশা করা নিশ্চয় অবাস্তব নয়। বিশ্বের অন্যান্য বড় শহরে কীভাবে গণপরিবহনের সমস্যা মোকাবেলা করা হচ্ছে, তা আমাদের নজরে রাখতে হবে। বেইজিং তার পাতাল রেল এমনভাবে সাজাচ্ছে, যাতে এক কিলোমিটার দূরে থাকা যে কোনো মানুষ তার ‘অ্যাকসেস’ পেতে পারে।

কলকাতা ও ব্যাংককের কথাই ধরা যাক। মাত্র ২০ বছর আগে এ দুটি শহরের যানজটের অবস্থা আজকের বাংলাদেশের চেয়েও খারাপ ছিল। কিন্তু পাতাল রেল, ফ্লাইওভার, সারফেস রেলের ব্যাপক উন্নয়ন ঘটিয়ে এই দুটি নগর কতটা বসবাসযোগ্য হয়ে উঠেছে, তা বলাই বাহুল্য। উন্নয়নশীল দুটি দেশ যদি এমন করে গণপরিবহন ব্যবস্থায় রূপান্তর ঘটাতে পারে, তাহলে আমরা কেন পারব না? আমাদের কোমলমতি সন্তানরাই আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে, আমাদের নগর ব্যবস্থাপনায় কোথায় গলদ রয়েছে। সেই গলদ দূর করার উদ্যোগ আমাদেরই নিতে হবে। সরকার এরই মধ্যে বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছেও।

জলবায়ু পরিবর্তনের শিকার লাখ লাখ মানুষ এখন নগরপানে ছুটছে। তাদের থাকা-খাওয়া, বাসস্থান, চিকিৎসা, পরিবহন, নিরাপত্তা এবং তাদের সন্তানদের শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টির চ্যালেঞ্জ এই নগর পরিচালকরা কীভাবে গ্রহণ করবেন? এই নগরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কতটা পরিবেশসম্মত? এই নগরের সাংস্কৃতিক পরিবেশ কতটা জনবান্ধব? এসব প্রশ্নের মুখোমুখি আমাদের হতেই হবে। নিঃসন্দেহে, দেশ এগিয়ে চলেছে। তবে শুধু সংখ্যায় নয়, জীবন চলার সুযোগগুলো কতটা জনবান্ধব, কতটা আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব- সে প্রশ্ন উঠতেই পারে। সেসব প্রশ্নের উত্তর খোঁজার জন্যই দূরদর্শী নেতৃত্বকে জনগণের চাহিদার ধরনগুলো বুঝতে হবে, ধরতে হবে। সেই আলোকে উপযুক্ত কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে।

সারাবিশ্বেই যে সমাজ ও অর্থনীতির ডিজিটাল রূপান্তর ঘটছে, আমরা তার বাইরে থাকতে পারব না। প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে। সেই রূপান্তরের ধারা অনুভব করেই আমাদের সুদূরপ্রসারী কৌশলগত পরিকল্পনা গ্রহণ ও তার রূপায়ণ করতে হবে। নিরন্তর আমাদের সামনের দিকেই চোখ রেখে এগোতে হবে। নদী যেমন পেছনের দিকে ফিরে আসে না; আমাদেরও তেমনি সামনের দিকেই হাঁটতে হবে। পুরো সমাজকে নিয়ে হাঁটতে হবে। আমাদের যে যেতে হবে অনেক দূর। হতে হবে স্বপ্নের সমান। 

এই স্বপ্ন পূরণের জন্য অবশ্য আমাদের অবকাঠামো খাতের বাজেট আরও বাড়াতে হবে। ভারত তার জিডিপির ৫ শতাংশ, ভিয়েতনাম ১০ শতাংশ অবকাঠামো খাতে ব্যয় করে। আমরা করি মাত্র ২ দশমিক ৮৭ শতাংশ। এক দশক আগে অবশ্য আমাদের এ খাতের বাজেট আরও কম ছিল। সাম্প্রতিক সময়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাহসী উদ্যোগের কারণে এ খাতে খরচ বাড়ছে। তবে এই খরচ যেন সুষ্ঠুভাবে হয়, সেদিকে সর্বদাই নজর রাখতে হবে। পিপিপির অধীনেও আমরা বিদেশি উদ্যোক্তাদের এ কাজে যুক্ত করতে পারি।

আমরা প্রয়োজনে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন নির্মাণ কোম্পানিকে নিয়োগ দিয়ে যথাসময়ে বড় অবকাঠামো নির্মাণ কাজ শেষ করব- তেমন নীতি-পরিকল্পনা করতেই পারি। তা ছাড়া নতুন সময়ের অবকাঠামোর ডিজাইন, নির্মাণ কৌশল, উপকরণ, যন্ত্রপাতি- সবকিছু টেকসই উন্নয়নের চাহিদামতো হতে হবে। নয়া প্রযুক্তি ব্যবহারে আমরা মোটেও পিছপা হবো না। সবার ঊর্ধ্বে থাকবে জনগণের স্বার্থ।

পাতাল রেল খুবই জনবান্ধব। এটা চালু করা গেলে ব্যক্তি খাতের পরিবহনের ব্যবহার কমবে; যানজটও কমবে। সে কারণে এটি পরিবেশবান্ধবও। তাই দূরদর্শী যে নেতৃত্ব আগামী ৮১ বছরের ব-দ্বীপ পরিকল্পনা করতে পারেন, তার দৃষ্টিতে এই মেগা প্রকল্প অগ্রাধিকার পাবে- সে প্রত্যাশা করাটা মনে হয় খুব অসমীচীন হবে না। আসুন, আমরা ঢাকাকে বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি।
dratiur@gmail.com

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর, বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ