পটুয়াখালী-৩: সবসময়ই আওয়ামী লীগের দখলে ঘুরে দাঁড়াতে চায় বিএনপি

সঞ্জিব দাস, পটুয়াখালী: পটুয়াখালী-৩ আসন সবসময়ই ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের দখলে রয়েছে। দক্ষিণের সাগর পাড়ের এ আসনে রয়েছে দলটির বিশাল ভোট ব্যাংক। প্রার্থী মনোনয়নে ভুল হলে কিংবা সাংগঠনিকভাবে দলটি কিছুটা দুর্বল হলে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি চাইছে ঘুরে দাঁড়াতে। আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনক্ষণ যতই ঘনিয়ে আসছে ততই নির্বাচনী হাওয়ার উত্তাপ ছড়িয়ে পড়ছে গ্রাম-গঞ্জ থেকে শুরু করে শহরের বিভিন্ন অলিতে-গলিতে। প্রতিটি চায়ের দোকানে এখন প্রার্থী মনোনয়ন নিয়ে ভোটারদের মধ্যে চলছে আলোচনা, সমালোচনা ও চুলচেরা বিশ্লেষণ। মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সমর্থকরা যার যার প্রার্থীর স্বপক্ষে আলোচনার ঝড় তুলছেন। সব প্রতিক‚লতা ডিঙিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাশীরা ছুটছেন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে। দলীয় সাংগঠনিক কার্যক্রমে সক্রিয় অংশগ্রহণ  এবং নেতা-কর্মী ও সাধারণ ভোটারদের আর্থিক অনুদানসহ নানা উপহার সামগ্রী প্রদান করার প্রতিযোগিতা চলছে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে। আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা দৃঢ়কন্ঠে বলছেন, বিভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ হলে এ আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হবে নৌকার প্রার্থী।

আর বিএনপির নেতা-কর্মীরা বলছেন, বিএনপির ভোট আগের চেয়ে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিএনপির গ্রুপিং-এর অবসান হলে এবং অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে ধানের শীষের প্রার্থীর বিজয়ী হওয়া অসম্ভব নয়।

গলাচিপা উপজেলার ১২ টি ইউনিয়ন, একটি পৌরসভা ও দশমিনা উপজেলার সাতটি ইউনিয়ন নিয়ে পটুয়াখালী-৩ আসন বরাবরই ভোটের দিক থেকে আওয়ামী লীগের জন্য ‘উর্বর ভ‚মি’। এ ভ‚মির ওপর দিয়ে বয়ে চলে নৌকার সমর্থিত ভোটারদের গণজোয়ার। নৌকার মনোনয়ন মানেই বিজয় নিশ্চিত। ১৯৯১ সালের পর থেকে এ আসন আওয়ামী লীগের দখলে শুধু ১৯৯৬-এর ১৫ ফেব্রুয়ারীর একতরফা নির্বাচন ছাড়া। সে কারণে এ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীর সংখ্যাও অনেক বেশি। গত দশম সংসদ নির্বাচনে  এ আসনে রেকর্ড সংখ্যক ৩৩ প্রার্থী আওয়ামী লীগের  মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছিলেন। আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় এখন পর্যন্ত যারা মাঠে রয়েছেন তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছেন – বর্তমান এমপি ও সাবেক বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইন, সাবেক এমপি গোলাম মাওলা রনি, ৯০ এর সৈরচার বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অন্যতম ভুমিকা পালনকারী সর্ব্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের কেন্দ্রীয় নেতা , ছাত্র নেতা ও বর্তমান আওয়ামীলীগ নেতা রাজু আহমে্দ , ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাডভোকেট মো. ফোরকান মিয়া, যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক কামরান শাহীদ প্রিন্স মহাব্বত,  ঢাকা মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পটুয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগ সদস্য মুহাম্মদ আরিফুর রহমান টিটু, পটুয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক কাজী আলমগীর হোসেন, দশমিনা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল আজিজ মিয়া, দশমিনা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাখাওয়াত হোসেন, দশমিনা সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ইকবাল মাহামুদ লিটন,  বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নূরুল হুদার ভাগ্নে এসএম শাহজাদা, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা গোলাম মোস্তফা নান্টু, জেলা কৃষক লীগের সভাপতি ও বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ প্রয়াত জয়নাল সিকদারের পুত্র তসলিম সিকদার, গলাচিপা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও গলাচিপা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. হারুন-অর-রশিদ, গলাচিপা উপজেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সাবেক সদস্য হাজী মো. শাহ আলম, প্রমুখ।

বিএনপির এখন পর্যন্ত তিনজন সম্ভাব্য প্রার্থী মাঠে সক্রিয় রয়েছেন। তারা হলেন – গলাচিপা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি সাবেক এমপি আলহাজ্ব মো. শাহজাহান খান, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়  ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি হাসান মামুন এবং কেন্দ্রীয় কৃষক দলের অর্থ বিষয়ক সম্পাদক ও গলাচিপা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব গোলাম মোস্তফা মিয়া।  এছাড়া সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকায় আরও রয়েছেন – কর্নেল এসহাক মিঞা এবং জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম কেন্দ্রীয় সংসদ-এর অন্যতম সদস্য ব্যারিষ্টার আশিকুর রহমান। অন্যান্য দলের সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন চরমোনাই পীরের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. কামাল হোসেন ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ)  এ্যাডভোকেট মো. হাবিবুর রহমান শওকত।

সম্ভাব্য হেভিওয়েট প্রার্থীদের নিয়ে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে থেকে যেসব কথা উঠে আসছে – বর্তমান এমপি আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইন একজন ত্যাগী, পোড়খাওয়া, ধৈর্য্যশীল, দক্ষ ও প্রবীণ রাজনীতিবিদ। তিনি সন্ত্রাস, নৈরাজ্য, চাঁদাবাজী, ঘুষ, দূর্নীতি দমনে সর্বদা সচেষ্ট থাকেন। যার ফলশ্রুতিতে এলাকার সাধারণ জনগণ শান্তিতে বসবাস করতে পারে।

সাবেক ছাত্রনেতা রাজু  আহমে্দ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন মেধাবী ছাত্র ছিলেন, জনাব রাজু আহম্মদে ১৯৮৫-৮৬ শক্ষিার্বষে ঢাকা বশ্বিবদ্যিালয়ে র্ভতি হয়ে টানা ১৯৮৮ সন র্পযন- বপ্লিবী ছাত্র ইউনয়িন (পরর্বিততি গণতান্ত্রকি ছাত্র ইউনয়িন) এর ঢাকা বশ্বিবদ্যিালয় কমটিরি যথাক্রম-ে সংগঠক, সমন্বয়ক, পাঠচক্র সমন্বয়ক এবং জাতীয় কমটিরি সদস্য হসিবেে সামরকি স্বরৈাচার এর বরিুদ্ধে কন্দ্রেীয় ছাত্র সংগ্রাম পরষিদ এর সকল র্কমসূচীতে সক্রয়ি ভূমকিায় অবর্তীণ হন। বাংলাদশে ছাত্র কন্দ্রেরে সাবকে সভাপতি ও  ৯০ এর গণ আন্দোলনে র্সবদলীয় ছাত্র ঐক্যরে কন্দ্রেীয় নতো রাজু আহমেদ, জাসদ ছাত্র লীগ-এর সাবকে সাধারণ সম্পাদক ’৯০ এর গণঅভূত্থানরে অন্যতম কন্দ্রেীয় নতো শফি আহমদে, বাংলাদশে ছাত্র ফডোরশেনরে সনিয়ির সহ-সভাপতি ডাঃ সরদার ফারুকরে ৫ শতাধকি নতোর্কমীসহ ১৯৯৬ সনরে ১৩ই আগস্ট বকিলে ৩টা বঙ্গবন্ধু এভনিউিতে এক সমাবশেে তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জনাব জল্লিুর রহমান এবং তৎকালীন যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক পরর্বততিে সাধারণ সম্পাদক প্রয়াত জনাব আব্দুল জলিল এর কাছে বাংলাদশে আওয়ামী লীগ-এ যোগদান করনে বাংলাদশে আওয়ামীলীগ রাজনীতরি সাথে যুক্ত আছনে। তনিওি এ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী।

সাবেক এমপি গোলাম মাওলা রনি  একজন সৎ, ন্যায়পরায়ণ, নির্ভীক, আদর্শবান ও দানশীল ব্যক্তি। তিনি এলাকার সাধারণ জনগণসহ অসহায় গরীব মানুষদের আর্থিক সাহায্য সহযোগিতা করে আসছেন। এছাড়া, তিনি বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানেও আর্থিক সাহায্য সহযোগিতা করে আসছেন। সাধারণ জনগণের মাঝেও তাঁর গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে।

ঢাকা মহানগর দক্ষিন আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাডভোকেট মো. ফোরকান মিয়া দীর্ঘদিন ধরে ্এলাকায় গণসংযোগ করে আসছেন। এলাকায় অসহায় গরীবদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ, মুসলমান ও হিন্দুদের ধর্মীয় উৎসবগুলোতে সাধারণ জনগণের মাঝে পাঞ্জাবী , শাড়ী, লুঙ্গী বিতরণের মধ্যদিয়ে তিনি সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ ও মন জয় করে নিয়েছেন।

সাবেক এমপি বিএনপি নেতা আলহাজ্ব শাহজাহান খান এলাকায় একজন কর্মীবান্ধব ও দানশীল নেতা হিসেবে নিজেকে সু-প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছেন। একসময়ে গলাচিপা উপজেলা বিএনপির নেতা-কর্মীদেরকে তিনিই সু-সংগঠিত করে রেখেছিলেন। উপজেলা বিএনপির সংগঠনের পিছনে তাঁর অনেক ত্যাগ ও অবদান রয়েছে।

কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা হাসান মামুন এলাকায় বিশেষ করে যুবশ্রেণির মাঝে একজন ক্লিন ইমেজের উদীয়মান নেতা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন। তৃণমূলে রয়েছে তাঁর ব্যাপক জনসমর্থন।

জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম কেন্দ্রীয় সংসদ-এর অন্যতম সদস্য ব্যারিষ্টার আশিকুর রহমান বলেন আমি ছাত্র জীবন থেকে শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রানিত হয়ে রাজনীতি করে আসছি । কর্মজীবনে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাথে সরাসরি বিএনপির রাজনীতির সাথে যুক্ত আছি। বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে দলের কর্মসূচী পালন করে আসছি আমাকে মনোনয়ন প্রদান করা হলে গলাচিপা দশমিনা নির্বাচনী এলাকায় দলের মধ্যকার গ্রুপিং নিরসন করে বিজয়ী হতে পারব।

কেন্দ্রীয় কৃষক দলের নেতা আলহাজ্ব গোলাম মোস্তফা মিয়া এলাকায় একজন সৎ, সমাজ সেবক, ভদ্রলোক, সহজসরল ও দানশীল ব্যক্তি হিসেবে সু-পরিচিত। দীর্ঘদিন ধরে তিনি এলাকার দলীয় নানা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণসহ শহর থেকে গ্রাম-গঞ্জে গণসংযোগ করে আসছেন।

আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইনের মনোনয়ন প্রসঙ্গে গলাচিপা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যাপক সন্তোষ দে বলেন, উপজেলা থেকে শুরু করে ইউনিয়ন-ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের অধিকাংশের কাছে তাঁর জনপ্রিয়তা আকাশছোঁয়া। সাধারণ মানুষের কাছেও তিনি আস্থা এবং নির্ভরতার প্রতীক। দলের প্রার্থী হিসেবে আবারও তাঁকে মনোনিত করা হলে  আওয়ামী লীগের দুর্গ হিসেবে খ্যাত এ আসনটি সুরক্ষিত থাকবে।

রাজু আহম্মেদ মনোনয়ন প্রসঙ্গে বলেন, এ আসনটি জাতীর জনক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে জননেত্রী শেখ হাসিনার নৌকার দুর্গ হিসেবে পরিচিত হলেও ব্যাক্তি স্বার্থে দলের মধ্যে কয়েকটি গ্রুপ সৃস্টি করে নিজশ্ব বলয় তৈরী করা হয়েছে। আমাকে মনোনয়ন দেয়া হলে দলের মধ্যে যাহাতে কোনো গ্রুপিং না থাকে সেই লক্ষে কাজ কবর। ৯০ এর গনঅদ্ভুথ্যানে সর্ব্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের কেন্দ্রীয়নেতা হিসেবে  বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে কারাবরন করেছি। আমাকে  মনোনয়ন দেয়া হলে দলের সকল ধরনের অনৈক্য দুর করে আওয়ামীলীগের সকল নেতা কর্মী ও ভোটারদের এক যায়গায় নিয়ে আসব। আমি আশাকরি বিভিন্ন আন্দলোন সংগ্রামে অবদান রাখা এবং ভবিষ্যতে গলাচিপা দশমিনার আওয়ামীলীগকে সুসংগঠিত রাখার জন্য জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে  মনোনয়ন দিবেন।

গোলাম মাওলা রনি বলেন,  আমি সাধারণ মানুষের ভালবাসা পেয়েছি। তৃণমূলের নেতা-কর্মী ও সাধারণ জনগণ  আমার পাশে আছেন। গত সংসদ নির্বাচনে আমি দলীয় মনোনয়ন চাইনি। এলকার অসহায়, গরীব, সাধারণ জনগণ ও উন্নয়নের স্বার্থে এবার আমি মনোনয়ন চাইব। তৃণমূলে জনপ্রিয়তা ও জনমত জরিপের ভিত্তিতে আশা করছি আমি দলীয় মনোনয়ন পাব।

এ্যাডভোকেট মো. ফোরকান মিয়া বলেন, গত কয়েক বছর ধরে এলাকায় আমি উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। কেন্দ্রীয় নেতা হিসেবে আমি মনোনয়নের সর্বোচ্চ দাবিদার।

সাবেক এমপি আলহাজ্ব শাহজাহান খান বলেন,  দলের দুর্দিনে আমি দলীয় নেতা-কর্মীদেরকে তৃণমূল পর্যায় থেকে সু-সংগঠিত করে রেখেছি। বিএনপির নীতি নির্ধারকরা সঠিকভাবে মূল্যায়ন করলে  আমি পুনরায় মনোনয়ন পাব।

কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা হাসান মামুন বলেন, এ আসনটি পুনরুদ্ধার করার জন্য  তৃণমূল নেতা-কর্মীদের মতামতের ভিত্তিতে একজন গ্রহণযোগ্য প্রার্থী হিসেবে আশা করি দল আমাকে মনোনয়ন দিবে।

কেন্দ্রীয় কৃষক দল নেতা আলহাজ্ব গোলাম মোস্তফা মিয়া বলেন,  দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে দলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয় অংশগ্রহণ, বিভিন্ন ধর্মীয়-শিক্ষা-সামাজিক প্রতিষ্ঠানে অর্থ অনুদান, নিজের অর্থায়নে একক প্রচেষ্টায় এলাকায় স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করা এবং তৃণমূল নেতা-কর্মীদের সমর্থন ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের আস্থা অর্জন করায় আশা করছি দল আমাকে মনোনয়ন দিবে।