আওয়ামীলীগ শিক্ষার মান উন্নয়ন করেছে: রমেশ

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সাংসদ রমেশ চন্দ্র সেন বলেন আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর বাংলাদেশর শিক্ষার মান উন্নয়ন করেছ। শিক্ষার হার বৃদ্ধির জন্য এ সরকার প্রতিনিয়ত কাজ করছে। বৃহস্পতিবার সকালে সালন্দর ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার ৪ তলা বিশিষ্ট একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন উপলক্ষ্যে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

সাংসদ রমেশ চন্দ্র সেন বলেন- শিক্ষা সহ সারাদেশের যাবতীয় উন্নয়ন করছে আওয়ামীলীগ সরকার। এ সরকার বিশেষ করে শিক্ষার মান প্রসার করার জন্য বিভিন্নভাবে কাজ করছে। সরকারের লক্ষ্য শিক্ষার হার শতভাগ নিশ্চিত করা। সবাই যাতে শিক্ষা লাভের সুযোগ পায় তাই সরকার বছরের শুরুতে বিনাম‚ল্যে বই বিতরণ করছে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মান উন্নয়ন করছে। তিনি আরও বলেন শুধু তাই নয় দেশের এমন কোন সেক্টর নেই যেখানে আওয়ামীলীগ সরকারের উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি।

বাংলাদেশর এই উন্নয়নের ধারা অব্যহত রাখতে হবে। দেশের উন্নয়ন রুখে দিতে একটি কুচক্রী মহল দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। ষড়যন্ত্রকারীদের থেকে সাবধান থাকতে হবে। মনে রাখতে হবে আওয়ামীলীগ ছাড়া এত উন্নয়ন দেশে বিগত কোন সরকারের আমলে হয়নি। তাই দেশের উন্নয়নের জন্য আওয়ামীলীগকে ক্ষমতায় রাখতে হবে। এ জন্য সংসদ নির্বাচনে নৌকাকে বিপুল ভোটে জয়লাভ করাতে হবে। এ সময় তিনি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সবাইকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের পতাকাতলে থাকার আহ্বান জানান।

এ সময় সালন্দর ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার ম্যানিজিং কমিটির সভাপতি এ্যাডভোকেট মকবুল হোসেন বাবুর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন ঠাকুরগাঁও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মুহা: সাদেক কুরাইশী, সদর উপজেলা আওয়ামলীগের সাধারন সম্পাদক মোশারুল ইসলাম সরকার, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক নজরুল ইসলাম স্বপন, সালন্দর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাহাবুব আলম মুকুল, জেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক সানোয়ার পারভেজ পুলক, অত্র মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আলহাজ্জ্ব রফিকুল ইসলাম প্রমুখ। উলে­খ যে, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের অওয়াতায় একাডেমিক ভবনটির নির্মান কাজ সম্পন্ন করতে ব্যায় ধারা হয়েছে ২ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা। ভবনটি নির্মান হলে অনেক শিক্ষার্থী সেখানে পাঠ অর্জনের সুযোগ পাবে।

প্রিন্স, ঢাকা