কেশবপুরে ৯৩ মন্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রস্তুুতি সম্পন্ন

কেশবপুর, যশোর প্রতিনিধি: হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় পূঁজা আর মাত্র ক’দিন বাকি। যশোরের কেশবপুরে ৯৩ টি মন্ডপে ইতোমধ্যে রংতুলির কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

কেশবপুর উপজেলার মন্ডপগুলির মধ্যে পৌরসভা এলাকায় ৭ টি, সদর ইউনিয়নে ৮ টি, ত্রিমোহিনী ইউনিয়নে ১ টি, সাগরদাড়ী ইউনিয়নে ১৩ টি, মজিদপুর ইউনিয়নে ৬ টি, বিদ্যনন্দকাটি ইউনিয়নে ৪ টি, মঙ্গলকোট ইউনিয়নে ৪ টি, পাঁজিয়া ইউনিয়নে ৯ টি, সুফলাকাটি ইউনিয়নে ১১ টি, গৌরিঘোনা ইউনিয়নে ১২ টি, সাতবাড়িয়া ইউনিয়নে ৯ টি, হাসানপুর ইউনিয়নে ৯ টিসহ মোট ৯৩ টি মন্ডপে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

কেশবপুর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারন সম্পাদক সুকুমার সাহা ও যুগ্ন সম্পাদক গৌতম রায় বলেন এবার হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ শারদীয় দূর্গোৎসব ভাবগাম্ভীর্যের সাথে পালন করা হবে।

এব্যাপারে কেশবপুর থানা অফিসার ইনচার্জ মো.শাহিন সকালের সময়কে জানান, হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ শারদীয় দূর্গোৎসবে নির্বিঘে দুর্গাপূজা পালনে পুলিশের পাশাপাশি র‌্যাব, ডিবি পুলিশ, সাদা পোষাকে পুলিশ, গোয়েন্দা বাহিনী, আনসার ভিডিপি ও নারী সদস্যসহ মন্ডপে মন্ডপে স্বেচ্ছাসেবক ডিউটিতে থাকবে। এ ছাড়াও সার্বক্ষণিক মোবইল টিম উপজেলা ব্যাপি দায়িত্ব পালন করবে। উপজেলার ১ টি পৌরসভা ও ১১ টি ইউনিয়নে সর্বমোট ৯৩ টি পূজামন্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। তবে গতবার ৯০ টি মন্ডপে পূজা হয়েছিল। এবার বাড়ছে ৩ টি পূজা মন্ডপ।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার জানান, হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ শারদীয় দুর্গোৎসবে দুষ্কৃতিকারীরা কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটাতে পারে সেজন্য প্রশাসনের কঠোর নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়েছে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টকারিদের বিরূদ্ধে পূজার মাঠে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের তত্ত¡াবধানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।

প্রিন্স, ঢাকা