লাওসের বিপক্ষে জয় বাংলাদেশের

নিউজ ডেস্ক: সাফ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপে দারুণ শুরু করেও গ্রুপ পর্বেই বাংলাদেশের বিদায় নিতে হয়। হিসেবের মারপ্যাচে বাদ পড়ে যায় বাংলাদেশ। ঘরের মাঠে হারার সেই খেদ মেটানোর ভালো সুযোগ ছিল বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবল। তাতে প্রথমার্ধে দর্শকদের আশা দিতে পারেননি জামাল ভূঁইয়ারা। তবে সোমবার সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে দ্বিতীয়ার্ধে করা এক গোলে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। 

বাংলাদেশের ফুটবলে গেল কয়েক বছর কেবল ভাটাই চলছে। জোয়ারের সন্ধান ওই সাফ চ্যাম্পিয়নসশিপ যা একটু মিলেছিল। ভালো শুরু করে ফাইনাল খেলার ও জেতার স্বপ্নও দেখেছিল বাংলাদেশ। ওই টুর্নামেন্টে গ্রুপ পর্ব পেরোলেই সেমিফাইনালে যাওয়ার সুযোগ ছিল। কিন্তু সেটাও করতে পারেনি বাংলাদেশ। সেই ধাক্কা সামলে লাওসের বিপক্ষে বাংলাদেশ কেমন খেলবে সে প্রশ্ন তাই ছিলই। কিন্তু জামাই ভূঁইয়ারা কাজটা ভালোই করেছেন।

লাওস অবশ্য বাংলাদেশের থেকে কঠিন দল। কাগজে কলমের হিসেবে তারা এগিয়ে বাংলাদেশের চেয়ে। কিন্তু ঘরের মাঠে খেলা হওয়ায় জয়ের পাল্লা ভারী ছিল বাংলাদেশের দিকে। র‌্যাংকিংয়ে ১৭৯ নম্বরে থাকা লাওসকে ১৯৩ অবস্থানে থাকা বাংলাদেশ হারিয়েছে এটাই বড় প্রাপ্তি ধরতে হবে। কিন্তু বাংলাদেশ সমর্থকদের এ ম্যাচ কতটা মন ভরাতে পেরেছে তা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যায়। জেমি ডে’র শিষ্যরা বেশ কিছু সুযোগ তৈরি করেছেন। কিন্তু গোল দিতে না পারায় প্রথমার্ধে সমতা এবং হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় তাদের। 

এরপর দ্বিতীয়ার্ধেও বাংলাদেশ চাপ ধরে রাখে লাওসের বক্সে। গোল পাওয়া যেন সময়ের ব্যাপার মনে হচ্ছিল বাংলাদেশের জন্য। কিন্তু লক্ষ্য ভেদ করতে পারছিলেন না সাদ-সুফিলরা। ম্যাচের ৬০ মিনিটে দলের হয়ে একমাত্র গোলটি করেন বিপুল আহমেদ। তার নেওয়া শটটি লাওস গোলরক্ষকের পায়ে লেগেও বল ঢুকে যায় জালে। ওই গোলেই স্বস্তির জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ। 

গ্রুপ ‘বি’তে বাংলাদেশ দুটি ম্যাচ খেলবে। অন্য ম্যাচ আগামী ৫ অক্টোবর ফিলিপাইনের বিপক্ষে মাঠে গড়াবে। শক্তির দিক থেকে ফিলিপাইনের থেকে লাওসই সহজ প্রতিপক্ষ ছিল। এছাড়া লাওস ম্যাচ দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করেছে বাংলাদেশ। আর তাই জয় ভিন্ন কিছু ভাবার ছিল না কোচ কিংবা বাংলাদেশ দলের। পরের রাউন্ডে যেতে এই ১-০ গোলের জয় বড় অবদান রাখবে বাংলাদেশের জন্য।