আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতির বাণী

আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন: “বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস’ পালিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। এ উপলক্ষে আমি প্রবীণদের শ্রদ্ধা ও সম্মান জানাচ্ছি।

বার্ধক্য জীবনের বাস্তবতাকে অস্বীকার করার কোন উপায় নেই। কারণ প্রতিটি ব্যক্তিকেই স্বাভাবিক নিয়মে একদিন প্রবীণত্বকে বরণ করতে হয়। চিকিৎসা বিজ্ঞানের অভাবনীয় উন্নতিতে সর্বত্র মানুষের গড় আয়ু বেড়ে চলেছে। ফলে বিশ্বব্যাপী প্রবীণ জনসংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাংলাদেশের বিদ্যমান আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপটে প্রবীণদেরকে সিনিয়র সিটিজেন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। দেখা যায় যে, বেশ কিছু প্রবীণ ব্যক্তি অবনতিশীল স্বাস্থ্য, আর্থিক সংকট এবং পারিবারিক নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে বসবাস করছেন।

প্রবীণদের মৌলিক ও মানবিক অধিকার অক্ষুণ্ন রাখতে ইতিমধ্যে প্রবীণ বিষয়ক জাতীয় নীতিমালা প্রণীত হয়েছে। প্রসারিত হয়েছে সামাজিক নিরাপত্তা বলয়। তা সত্ত্বেও প্রবীণদের স্বস্তিময় জীবন নিশ্চিত করতে পরিবার থেকে উদ্যোগ নিতে হবে। জাতিসংঘ ঘোষিত এ বছরের আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয়মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায়প্রবীণদের স্মরণ পরম শ্রদ্ধায়(Celebrating Older Human Rights Champions) বর্তমান প্রেক্ষাপটে যথাযথ হয়েছে বলে আমি মনে করি ।

প্রবীণজন হচ্ছেন জ্ঞান, দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতার ভাণ্ডার। তাঁদের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানোর দায়িত্ব নবীন প্রজন্মের। প্রবীণদের সুস্থ জীবনযাপন ও সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করতে সরকারের পাশাপাশি বাংলাদেশ প্রবীণ হিতৈষী সংঘ এবং বিভিন্ন বেসরকারি সংগঠনকে প্রবীণদের কল্যাণে গঠনমূলক ভূমিকা পালন করতে হবে। আমি বাংলাদেশ ও বিশ্বের সকল প্রবীণদের সুস্বাস্থ্য ও স্বস্তিময় জীবন কামনা করছি।

আমি আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস ২০১৮ উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সফলতা কামনা করি।

 খোদা হাফেজ, বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”

প্রিন্স, ঢাকানিউজ২৪