৭ম এশিয়ান পর্যটন মেলা শুরু ২৮ সেপ্টেম্বর

সুমন দত্ত: বাংলাদেশের পর্যটকদের বিভিন্ন দেশে ভ্রমণের প্যাকেজ নিয়ে শুরু হতে যাচ্ছে ৭ম এশিয়ার ট্যুরিজম ফেয়ার ২০১৮। রাজধানীর বসুন্ধরা ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে আগামী ২৮, ২৯ ও ৩০ সেপ্টেম্বর শুরু হবে এই মেলা। চলবে প্রতিদিন সকাল ১০ টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত। ১২০ টি স্টল থাকবে মেলায়। অংশ নেবে ৮টি দেশ।

বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে অনুষ্ঠানের আয়োজক পর্যটন বিচিত্রার মহিউদ্দিন হেলাল এ কথা বলেন। এদিন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পর্যটক কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান আখতারুজ্জামান খান কবির।

এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ফিলিপাইনের রাষ্ট্রদূত ভিসিনেট ভিভিনসিও টি বান্ডিলো ও ইন্দোনেশিয়া দূতাবাসের সেক্রেটারি মিসেস রিনা পি সাওইমারোনো উপস্থিত ছিলেন।

মহিউদ্দিন হেলাল বলেন, বাংলাদেশে পর্যটন শিল্পের বিকাশ ঘটানোর লক্ষ্যে এই মেলার আয়োজন করা হয়েছে। সবাইকে এই মেলায় আসার আমন্ত্রণ জানানো হলো।

পর্যটনের চেয়ারম্যান বলেন, দেশে ও বিদেশে পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে এই মেলার আয়োজন করা হয়েছে। স্থানীয় পর্যটনগুলোর উন্নয়ন প্রকল্পে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন কাজ করে যাচ্ছে। দেশের পর্যটনখাতকে সমুন্নত করতে প্রচার মাধ্যমের সহায়তা দরকার। পর্যটন কর্পোরেশন দেশের মিডিয়াগুলোকে এতে সহায়তা করার ইচ্ছা রাখে। কেউ যদি কোনো স্থানে অ্যাসাইনমেন্টে যায় আর সেখানে যদি পর্যটনের কোনো আশ্রয় থাকে তবে সাশ্রয়ী মূল্যে মিডিয়ার লোকজনকে তা ব্যবহার করতে দেয়া হবে বলে তিনি জানান।

অনুষ্ঠানে আসা ট্যুর অপারেটরের সভাপতি বলেন, ভারতে গতবার ২০ লক্ষের মত বাংলাদেশি পর্যটক গিয়েছে। ভিসা ব্যবস্থা উন্নত করায় এটা সম্ভব হয়েছে। আমাদের তরফে ভারতীয় পর্যটক টানার জন্য ভিসা ব্যবস্থা উন্নত করা উচিত মনে করি।

পর্যটন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যানকে ভারতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনের দুর্বল ভিসা ব্যবস্থা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, এটি স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাজ। আমাদের তরফ থেকে তেমন কিছু করার নেই। তবে আমরা বলব। সাংবাদিকদেরই এ বিষয়ে লিখতে হবে। আমরা এ ধনের অভিযোগ পেয়েছি। আপনারা এর ওপর লিখুন।

ইন্দোনেশিয়া দূতাবাসের সেক্রেটারি বলেন, ২০১৭ সালে ৫২ হাজার বাংলাদেশি পর্যটক ইন্দোনেশিয়া গিয়েছে। বেশিরভাগ লোক বালি ও সুমাত্রার মত দ্বীপ গুলোতে ঘুরতে যায়। এই সংখ্যা বাড়াতে চান তারা।

ফিলিপাইনের রাষ্ট্রদূত বলেন, আমি বাংলাদেশি বিয়ে করেছি। আমি এদেশের মানুষকে ফিলিপাইনে ভ্রমণের অনুরোধ করি। বাংলাদেশের সঙ্গে ফিলিপাইনের সম্পর্ক উন্নত করতে আমি আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছি। তবে ইন্দোনেশিয়ার মত ফিলিপাইনের অত দ্বীপ নেই ভ্রমণ করার জন্য।

ঢাকানিউজ২৪ডটকম