তাঞ্জানিয়ায় ফেরি ডুবে মৃ্ত্যুর সংখ্যা ১৩৬

নিউজ ডেস্ক: তাঞ্জানিয়ায় ভিক্টোরিয়া হ্রদে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৩৬-এ দাঁড়িয়েছে। জীবিত আর কাউকে উদ্ধার করার সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছেন দেশটির কর্মকর্তারা। মৃতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে।

বৃহস্পতিবার ভিক্টোরিয়া হৃদের দক্ষিণে এমভি নিয়েরেরে নামের ওই ফেরি ডুবির ঘটনায় তাৎক্ষণিক ৩৭ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়। ইউকেরেবে দ্বীপের কাছে সেদিন বিকেলে আফ্রিকার বৃহত্তম হ্রদে ফেরিটি ডুবে যায়।

তাঞ্জানিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে বলা হয়, ‘লোকজন এ বিষয়ে সচেতন যে, জীবিত আর কাউকে উদ্ধারের আশা শূন্য।’

ফেরি ডুবির কারণ এখনো সুনির্দিষ্টভাবে জানা যায়নি। তবে প্রত্যক্ষদর্শী ও বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিরা ফেরি ডুবির জন্য অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই, যাত্রীবাহী ফেরিতে পণ্য পরিবহন ও খারাপ আবহাওয়াকে দায়ী করেছেন।

তাঞ্জানিয়া রেড ক্রসের মুখপাত্র গডফ্রিডা জোলা বলেছেন, ‘কমপক্ষে ২০০ জন নিহত হয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। স্থানীয় জেলে ও প্রত্যক্ষদর্শী অন্যরা এ কথা বলেছেন। কারণ বৃহস্পতিবার হাটের দিন ছিল। তাই ধারণ ক্ষমতার অনেক বেশি লোক ফেরিতে উঠেছিল। তবে ঠিক কত জন ওই ফেরিতে ছিল তা কেউ বলতে পারেননি।’

তাঞ্জানিয়ায় ভিক্টোরিয়া হৃদে ১৯৯৬ সালে এক ভয়াবহ ফেরি দুর্ঘটনায় ৫ শতাধিক লোক নিহত হয়েছিল। এ ছাড়া, ২০১২ সালেও দেশটির জাঞ্জিবার দ্বীপপুঞ্জে ফেরি দুর্ঘটনায় ১৪৫ জন নিহত হয়।

তথ্য : আল জাজিরা