৫টি এমআরটি, ২টি বিআরটি এবং ৬টি এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তাঁর সরকার ৫টি ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (এমআরটি), ২টি বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি), ৩ স্তর বিশিষ্ট রিং রোড, ৬টি এক্সপ্রেসওয়ে, ২টি ট্রান্সপোর্টেশন হাব নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

একই সঙ্গে ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট-ট্রাফিক সেফটি ব্যবস্থার উন্নয়ন ও বাস পরিবহন সেক্টর পুনর্গঠনের ও পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রকল্পের আওতায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সাভার ইপিজেড পর্যন্ত ২৪ কি.মি. দীর্ঘ ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, গণপরিবহন সুবিধা সম্পন্ন পাতাল রেল এবং সাভারের বলিয়াপুর থেকে নিমতলী-ফতুল্লা-বন্দর হয়ে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জের লাঙ্গলবন্দ পর্যন্ত ৩৯ দশমিক ২৪ কি.মি এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী এবং সংসদ নেত্রী আজ সরকারি দলের সদস্য এম এ মালেকের এক প্রশ্নের উত্তরে এতথ্য জানান। ড. শিরীন শারমীন চৌধুরী এ সময় স্পিকারের দায়িত্ব পালন করছিলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, সরকারী খাতের পাশাপাশি বেসরকারী খাতের অংশগ্রহণের মাধ্যমে পিপিপি’র ভিত্তিতে তাঁর সরকার সড়ক খাতে উন্নয়নের বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।

যারমধ্যে রয়েছে- ২১৮ কি.মি এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ এবং জয়দেবপুর-দেবগ্রাম-ভুলতা-মদনপুর মহাসড়ক (ঢাকা বাইপাস) চারলেনে উন্নীতকরণ প্রকল্প।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের পরিবহন খাতকে গুরুত্ব দিয়ে তাঁর সরকার ২০০৯ সালে সরকার গঠনের পর সড়ক, সেতু,নৌপথ ও আকাশপথে যোগাযোগ সহজতর করতে এ পর্যন্ত এখাতে মোট ২ লাখ ৪১ হাজার ৫৪৬ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে এবং এবছর এখাতে ৫৩ হাজার ৮১ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

অপর এক প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর সরকারের ঢাকা শহরকে ঘিরে চারদিকে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে গড়ে তোলার পরিকল্পনাও সরকারের রয়েছে। একই সঙ্গে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক চারলেনের স্থলে ছয় লাইনে এবং দ্রুতগামী ট্রেনযোগাযোগ সম্প্রসারণের পরিকল্পনাও সরকারের রয়েছে।