বিচার চলবে খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতেই

নিউজ ডেস্ক: কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতেই জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার বিচার কাজ চালানোর আদেশ দেওয়া হয়েছে।

এক আবেদনের শুনানি নিয়ে বৃহস্পতিবার ঢাকার অস্থায়ী ৫ নম্বর বিশেষ আদালতের বিচারক মো. আখতারুজ্জামান এ আদেশ দেন।

‘অসুস্থতার কারণে’ জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় গত সাত মাসে আদালতে হাজির করা যায়নি বিএনপি চেয়ারপারসনকে। এরই মধ্যে কারাগারের ভেতরে অস্থায়ী আদালত বসানো হয়।

অস্থায়ী আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় গত ১৩ সেপ্টেম্বর খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতেই ফৌজদারি আইনের ৫৪০ ‘এ’ ধারায় আদালতের কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার আর্জি জানান দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল। ওই আবেদনের শুনানি হয় বৃহস্পতিবার।

২০১০ সালের ৮ আগস্ট রাজধানীর তেজগাঁও থানায় জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা করা হয়। এ ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগে এ মামলা করে দুদক। এ মামলায় ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ আদালত জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের সাজা দেন। সেদিনই তাকে পুরান ঢাকার সাবেক কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

তার পর থেকে ৭৩ বছর বয়সী খালেদা জিয়া কারাগারে আছেন। এই ‘বিশেষ কারাগারে’ সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার ব্যক্তিগত এক গৃহকর্মীও রয়েছেন।

গত ৫ সেপ্টেম্বর বিশেষ জজ আদালতের অস্থায়ী এজলাসে শুনানির প্রথম দিন হাজির হন খালেদা জিয়া। নিজের অসুস্থতার কথা জানিয়ে তিনি সেদিন বিচারককে বলেন, তিনি বার বার আদালতে আসতে পারবেন না।

১২ সেপ্টেম্বর এক চিঠিতেও খালেদা জিয়া বিচারককে জানান, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় তিনি আদালতে আর আসবেন না।