কুড়িগ্রামে গভীর নলকূপের ঘর থেকে কিশোর-কিশোরীর লাশ উদ্ধার

নিউজ ডেস্কঃ কুড়িগ্রাম জেলা শহরের নালিয়ার দোলা নামক স্থানে একটি ডিপ টিউবওয়েলের পরিত্যক্ত ঘর থেকে দুই কিশোর-কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে স্থানীয় চেয়ারম্যান বলছেন, তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। হত্যার কারণ এখনও জানা যায়নি।

বুধবার সকালে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে পুলিশ ধারণা করছে, মঙ্গলবার রাতে তাদের শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে।

নিহতরা হলেন-উপজেলার বেলগাছা ইউনিয়নের নাগদারপাড় গ্রামের সৈয়দ আলীর পুত্র ও ভোকেশনাল ইন্সটিটিউটের নবম শ্রেণির ছাত্র জাহাঙ্গীর আলম এবং পার্শ্ববর্তী ডাকুয়াপাড়া এলাকার জাবেদ আলীর কন্যা ও আমিন উদ্দিন দ্বিমুখী দাখিল মাদ্রাসার ৮ম শ্রেণির ছাত্রী সেলিনা খাতুন।

বেলগাছা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. মাহবুবার রহমান বলেন, দু’জনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তবে তাদের কি কারণে হত্যা করা হয়েছে তা বোঝা যাচ্ছে না। ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক।

খবর পেয়ে পুলিশ সুপারসহ পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ শত শত নারী-পুরুষ ঘটনাস্থলে ছুটে যান। পরে সুরতহাল করার পর পুলিশ সাড়ে ১০টার দিকে মরদেহ দু’টি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

আমিন উদ্দিন দ্বিমুখী দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষিকা উম্মে রুমানী বলেন, চাঞ্চল্যকর এই ঘটনায় তারা হতবম্ভ হয়ে পড়েছেন। দ্রুত হত্যা রহস্য উদঘাটন ও হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবি জানান তিনি।

সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আমিন আর পারভেজ বলেন, হত্যা রহস্য উদঘাটনে পুলিশ কাজ শুরু করেছে। শিগগিরই রহস্য উন্মোচন হবে।

পুলিশ সুপার মো. মেহেদুল করিম বলেন, প্রাথমিকভাবে এটি হত্যাকাণ্ড মনে করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের পর প্রকৃত কারণ জানা যাবে এবং এরপর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং এ ব্যাপারে হত্যা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. রওশন কবির।