কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণের উপায়

নিউজ ডেস্ক: স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য কোলেষ্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি। কারণ এটি নিয়ন্ত্রণে না থাকলে স্ট্রোক অথবা হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে। অনেকেই শরীরের এলডিএল (খারাপ) এবং এইচডিএল (ভাল) কোলেস্টেরল নিয়ে বিভ্রান্তিতে পড়েন। কারও কারও ধারনা কোলেস্টেরল হৃদরোগের ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা সৃষ্টি করে না। এমনিতে কোলেস্টেরল ধমনী প্রাচীর এবং হরমোন উৎপাদনে ভূমিকা রাখে।কিন্তু কোলেস্টেরল বেশি থাকা শরীরের জন্য খারাপ। এ কারণে শরীরের কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি। তা না হলে উচ্চ রক্তচাপ, স্ট্রোক ও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে। কিছু কিছু খাবার আছে যেগুলো কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে।যেমন-

১. দইয়ে থাকা প্রোবায়োটিক উপাদান কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমায়। এটি রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে। সেই সঙ্গে হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।

২. পর্যাপ্ত পানি পান কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে কার্যকরী ভূমিকা রাখে। প্রতিদিন কমপক্ষে ৬ গ্লাস বা তার চেয়ে বেশি পানি পান করলে উচ্চ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমপক্ষে ৫০ ভাগ কমে। পর্যাপ্ত পানি পান ওজন কমাতেও সাহায্য করে। 

৩. জাম্বুরা কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে দারুন কার্যকরী। এটি হৃদরোগের জন্যও উপকারী। এছাড়া এটি ওজন কমাতে এবং ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে ভূমিকা রাখে। 

৪. আদা শরীরের কোলেস্টেরলের মাত্রা ঠিক রাখতে সাহায্য করে। এ কারণে প্রতিদিন কমপক্ষে ১ গ্রাম পরিমাণ আদা খাওয়া উচিত। 

৫. উচ্চ কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণের আরেকটি উপায় হচ্ছে নিয়মিত গ্রিন টি পান করা। এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ফ্লাভোনাল হৃদরোগ সম্পর্কিত জটিলতা কমায়। 

৬. খাদ্য তালিকায় নিয়মিত ফল এবং শাকসবজি রাখুন। যেসব খাবারে ফাইবার থাকে সেগুলো কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। 

৭. এছাড়া ধূমপান পরিহার এবং নিয়মিত ব্যায়ামও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে ।

 সূত্র : হেলদিবিল্ডার্জড