বাহরাইনকে হারিয়ে জয় বাঙালি মেয়েদের

নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ ফুটবলে যে টুকু স্বস্তি তা মেয়েদের নিয়ে। বিশেষ করে মেয়েদের বয়সভিত্তিক দল নিয়ে। বাংলাদেশ নারী দলের কোচ গোলাম রব্বানী ছোটনের তাই এএফসি অনূর্ধ্ব-১৬ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের বাছাইপর্ব নিয়ে ব্যস্ত সময় যাচ্ছে। সেই ব্যস্ততার ফল সোমবার প্রথম ম্যাচে বাহরাইনের বিপক্ষে ১০-০ গোলের বড় জয় মেয়েদের। 

গত আসরে গ্রুপসেরা হয়ে প্রথমবার মূল পর্বে খেলেছিল বাংলাদেশ। এবারও সেই স্বপ্ন লালন করছেন তিনি। তার শুরুটা হলো দুর্দান্ত। বাছাইপর্বের পথটা অবশ্য অনেক কঠিন ধরেই মাঠে নামে বাংলাদেশ। কারণ এবার চার প্রতিপক্ষের তিন দলই অচেনা। কমলাপুর স্টেডিয়ামের চেনা মঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষও ছিল অচেনা বাহরাইন। 

তাতে প্রথমার্ধেই বড় ব্যবধানে এগিয় যায় মেয়েরা। এরপর ১০-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে মারিয়া-তহুরারা। গ্রুপ ‘এফ’-এ সেরা হওয়ার লড়াই শুরু করতে যাওয়া বাংলাদেশের ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয় বিকেল সাড়ে ৩টায়। গ্রুপের অন্য দুই দল সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং লেবানন। 

গত ডিসেম্বর থেকে একটানা অনুশীলনের মধ্যে আছে মারিয়া মান্ডা-তহুরা খাতুনরা। এর মধ্যে দুটি টুর্নামেন্টও খেলেছে বাংলাদেশ। গত মার্চে হংকংয়ে জকি কাপের শিরোপা জিতেছিল। ভুটানে সাফ অনূর্ধ্ব-১৫ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ভারতের কাছে হারলেও ভালো খেলেছে তারা। সেই হারের দুঃখ এএফসি চ্যাম্পিয়নশিপের চূড়ান্ত পর্বে উঠে মোচন করতে চায় সাজেদা খাতুন-শামসুন্নাহাররা। 

মধ্যপ্রাচ্যের দেশ বাহরাইন নিজেদের প্রথম ম্যাচে লেবাননের কাছে ৮-০ গোলে হেরেছে। বাংলাদেশ তাদের জালে ১০ গোল দিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছে তারাও কোন দিক থেকে কম যায় না। 

ভুটানে কিশোরী সাফে যে ভুলগুলো ছিল, তা কাটিয়ে উঠতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ছিল দল। ম্যাচে ট্যাকটিক্যাল পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেন কোচ। শিষ্যদের তা বলে দেনন কোচ ছোটন। ২০১৬ সালে এএফসি অনূর্ধ্ব-১৬ চ্যাম্পিয়নশিপে খেলা ২৩ জনের মধ্যে ১২ জনই বর্তমান দলের সঙ্গে আছে। এবার পুরনো-নতুনের মিশেলে গড়া দলটাও ভালো শুরু করলো। বার্তা দিল অন্য দলগুলোকে।