জাতীয় লক্ষ্যের সাথে সঙ্গতি রেখে নতুন প্রজন্মকে তৈরি করতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, আমাদের লক্ষ্য দারিদ্র্যের অবসান ঘটিয়ে উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা। এই লক্ষ্যের সাথে সঙ্গতি রেখে লক্ষ্য অর্জনে নতুন প্রজন্মকে তৈরি করতে হবে। আধুনিক বাংলাদেশের নির্মাতা হিসেবে প্রস্তুত করতে তাদেরকে যুগের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ বিশ্বমানের শিক্ষা দিতে হবে।

শিক্ষামন্ত্রী শুক্রবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে ’এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা-২০১৮ : কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ও বৃত্তি প্রদান’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি ( ডিআরইউ) এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

শিক্ষামন্ত্রী ডিআরইউ সদস্যদের সন্তানদের মধ্যে যারা কৃতী শিক্ষার্থী হিসেবে সংবর্ধনা পেয়েছেন তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন এবং তারা জ্ঞানে-বিজ্ঞানে ও দক্ষতায় নিজেদের বিকশিত করে দেশের সেবায় কাজ করবে এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, আধুনিক ও দক্ষ নাগরিক তৈরির পাশাপাশি আমরা ভাল মানুষ তৈরি করতে চাই।

শিক্ষামন্ত্রী আরো বলেন, গত ৯ বছরে শিক্ষা-স্বাস্থ্য-বিদ্যুৎ ও খাদ্য উৎপাদনসহ দেশে সর্বক্ষেত্রে যে পরিবর্তন হয়েছে, এত অল্প সময়ে এ পরিবর্তন পৃথিবীর কোনো দেশে হয়নি। বাংলাদেশ এখন সকল ক্ষেত্রে ভাল’র উদাহরণ। তিনি বলেন, আমাদের শিক্ষার মান আরো বাড়াতে হবে। এসডিজি-৪ এর লক্ষ্য হচ্ছে মানসম্মত শিক্ষা। মান বাড়ানো এখন সারা দুনিয়ার চ্যালেঞ্জ। আমরা সে কাজটাই করছি।

ডিআরইউ সভাপতি সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার এন্ড কমার্স ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মোঃ গোলাম ফারুক। অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন ডিআরইউ সা ধারণ সম্পাদক সৈয়দ শুকুর আলী এবং সাবেক সভাপতি শাহেদ চৌধুরী। সংবর্ধনাপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে অনুভূতি ব্যক্ত করেন এইচএসসিতে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত তাবাসসুম মোস্তফা অথৈ এবং এসএসসিতে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত আতিয়া ফাইরুজ চৌধুরী।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এসএসসিতে ১৭ জন এবং এইচএসসিতে ৬ জন সর্বমোট ২৩ জন জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীকে ক্রেস্ট, সার্টিফিকেট ও বৃত্তি প্রদান করা হয়। এরা সবাই ডিআরইউ সদস্যদের সন্তান।