ইপিআই ভবন ও নার্সিং ইনস্টিটিউটে ক্লাসরুম

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি: নেত্রকোনার হাওড়ের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা সুবিধা নিশ্চিতের জন্য মেডিকেল কলেজ প্রদান করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। চলতি সেশনেই নেত্রকোনা মেডিকেল কলেজের কার্যক্রম শুরু হচ্ছে।

সেজন্য অস্থায়ীভাবে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালের ইপিআই ভবনসহ বেশ কয়েকটি স্টাফ কোয়ার্টার ব্যবহার করা হবে। এ সকল স্থাপনার কিছু কাজ আমরা গণপূর্ত বিভাগের সঙ্গে পরিকল্পনা শুরু করব। এটি নেত্রকোনাবাসীর জন্য প্রধানমন্ত্রীর একটি বিশেষ উপহার। তাই তা বাস্তাবায়ন করতে আমরা সর্বাত্মক চেষ্ঠার কথা বলেছেন নেত্রকোনা জেলা প্রশাসক মো. মঈন উল ইসলাম।

নতুন নেত্রকোনা মেডিকেল কলেজের সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ডাঃ একেএম সাদেকুল আজম বলেছেন, ‘নেত্রকোনাবাসীর দাবির প্রেক্ষিতে ও প্রধানমন্ত্রীর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় অনুমোদনপ্রাপ্ত কলেজটির কার্যক্রম শুরু করতে যা যা করতে হয় তার সবই করব। এবারই ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে কলেজে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হচ্ছে। তাদের ক্লাসও শুরু হবে, দেশের অন্যান্য মেডিকেল কলেজের সাথেই।’ তিনি আরও জানিয়েছেন, ইতোমধ্যেই নেত্রকোনার সিভিল সার্জনের সঙ্গে তার যোগাযোগ হয়েছে এবং সেখানে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য যথেষ্ট অবকাঠামো থাকার কথা জানিয়েছেন তিনি। তাই মেডিকেল কলেজের কার্যক্রম শুরু করার বিষয়ে তিনি আশাবাদী।

নেত্রকোনার সিভিল সার্জন ডাক্তার তাজুল ইসলাম খান জানান, সদ্য অনুমোদিত নেত্রকোনা মেডিক্যাল কলেজে চলতি শিক্ষাবর্ষেই শিক্ষার্থী ভর্তি ও কার্যক্রম পরিচালনার জন্য অস্থায়ীভাবে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালের ইপিআই ভবন, চিকিৎসক ও নার্সদের জন্য নির্মিত স্টাফ কোয়াটার ও নার্সিং ইনস্টিটিউটে ক্লাস ও ছাত্রীদের আবাসনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

মন্ত্রনালয় কর্তৃক চলতি সেশনে ৫০ জন শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য যে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে । তাদের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরণের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে স্থানীয়ভাবে পরিকল্পনা প্রহণ করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের জন্য শ্রেণি কক্ষ, ল্যাব, আবাসন ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় ভবন চিহ্নিত করা হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রতিষ্ঠানটির জন্য অধ্যক্ষা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

সিভিল সার্জন বলেছেন, ‘হাসপাতালে কয়েকটি ভবন রয়েছে ৬০ ভাগের মতো সম্পন্নের পর যেগুলোর নির্মাণ কাজ আর এগোয়নি; ঠিকাদার কাজ বন্ধ করে চলে গেছে। সেগুলোকে মেরামত করে কীভাবে শিক্ষা কার্যক্রমের উপযোগী করা যায় তা নিয়ে পরিকল্পনা করা হচ্ছে। অচিরেই জেলা প্রশাসক ও গণপূর্ত বিভাগকে নিয়ে কাজ শুরু করা হবে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয় থেকে যোগাযোগ করা হয়েছে এবং নেত্রকোনা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষও নিয়োগ করা হয়ে গেছে। তিনি হয়তো আগামী রোববার নাগাদ নেত্রকোনায় আসতে পারেন।’ অধ্যক্ষ চলে এলে পরিকল্পনার বাস্তবায়ন আরও ভালোভাবে হবে বলে মনে করেন সিভিল সার্জন।

প্রিন্স, ঢাকা