অসাবধানতায় খুলে গেছে আকাশবীণার র‍্যাফট

নিউজ ডেস্ক: অসাবধানতাবশত খুলে পড়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার আকাশবীণার সামনের একটি ইমার্জেন্সি এক্সিট ডোরের র‍্যাফট। এ ঘটনায় মঙ্গলবার বিমানের প্রকৌশল বিভাগের একজনকে সাময়িক বরখাস্ত করে শো-কজ করা হয়েছে। তবে বিমানটির ফ্লাইট পরিচালনা অব্যাহত রয়েছে। যাত্রীদের নিরাপত্তা বিবেচনায় র‍্যাফট রিপ্লেস করার আগ পর্যন্ত আকাশবীণাকে ৫৫ জন যাত্রী কম পরিবহন করতে হবে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, গতকাল ভোর সোয়া চারটার দিকে মালয়েশিয়া থেকে যাত্রী নিয়ে ঢাকায় ফেরে ড্রিমলাইনার আকাশবীণা। যাত্রী নেমে যাওয়ার পর নিয়মিত গ্রাউন্ড চেকের অংশ হিসেবে বিমানের প্রকৌশল বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয় বিমানটি। পরবর্তী ফ্লাইটের প্রস্তুতির জন্য কেবিন ক্লিনিংসহ চেকআপ করা হয় বিমানটি। পরবর্তী ফ্লাইটের যাত্রীদের খাবার বিমানে ওঠানোর জন্য দরজা খোলার সময় ‘অসাবধানতাবশত’ র‍্যাফট খুলে যায়। পরবর্তীতে র‍্যাফটটি বিমানের প্রকৌশল বিভাগে পরীক্ষার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়।

সূত্র আরো জানায়, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের প্রকৌশল বিভাগে বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার পরিচালনায় দক্ষ জনবল না থাকায় ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্স থেকে পাঁচজন প্রকৌশলী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাদের তত্ত্বাবধানে ড্রিমলাইনারের জন্য বোয়িং থেকে প্রশিক্ষিত বিমান কর্মীদের কাজ করার নির্দেশনা রয়েছে। গতকাল খাবারের গাড়ি এলে দরজা খোলার সময় অসাবধানতাবশত প্রকৌশল বিভাগের কর্মী মোস্তাফিজুর রহমান র‍্যাফটটি খুলে ফেলেন।

জরুরি অবস্থায় যাত্রীদের বিমান থেকে বের হওয়ার জন্য দরজার সঙ্গে থাকে এই র‍্যাফট। এটার মাধ্যমে যাত্রীরা বিমান থেকে দ্রুত বের হয়ে যেতে পারেন। ড্রিমলাইনারে একটি দরজা দিয়ে ৫৫ জন যাত্রী বের হতে পারেন। চারটি ইমার্জেন্সি এক্সিট ডোরের একটিতে র‍্যাফট না থাকায় ৫৫ জন যাত্রী কম নিয়ে ফ্লাইট পরিচালনা করতে হচ্ছে বিমানকে।

বিমানের একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘এ ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কারো গাফিলতির প্রমাণ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।