গাইবান্ধা-ধর্মপুর সড়কে সিএনজি চলাচল বন্ধ

গাইবান্ধা প্রতিনিধি: লাইসেন্স বিহীন ও এলপি গ্যাসযুক্ত সিএনজি আটকিয়ে বৈধ কাগজপত্র যাচাই-বাচাই করে রাস্তায় চলাচলে নিষেধ করলে সিএনজি চালকরা গাইবান্ধা-ধর্মপুর উপ-মহাসড়কে সিএনজি চলাচল বন্ধ করে দেয়।

রোববার (২ সেপ্টেম্বর) সকালে গাইবান্ধা-দারিয়াপুর উপ-মহাসড়কের “কদমতলা” নামক স্থানে প্রশাসনের লোকজন অভিযান শুরু করে। এ খবর দ্রুত চাকলদের মাঝে ছড়িয়ে পড়লে চালকরা সিএনজি চলাচল বন্ধ করে দেয়। ফলে যানবাহন শুণ্য হয়ে পড়ে গাইবান্ধা-ধর্মপুর উপমহাসড়ক। এতে যাত্রীরা বিড়ম্বনাসহ ভোগান্তিতে পড়ে। অল্পকিছু অটোরিক্সা সড়কে চলাচল করলেও নিদিষ্ট ভাড়ার থেকে দ্বিগুণ আদায় করা হয়। ফলে যাত্রী সাধারণের সাথে অটো চাকলদের বাক-বিতন্ডা করতে দেখা যায়। অনেককে আবার হেঁটে গন্তবে যেতেও দেখা গেছে।

প্রতিদিন সিএনজিতে চলাচলকারী দেলদার মিয়া বলেন, বৈর্ধকাগজ পত্র যাচাই বাচাই করাটা খুবই ভালো কাজ। আর এলপি গ্যাস দিয়ে সিএনজি চালানোটা মোটেই ঠিক নয়। তিনি আরও বলেন, প্রশাসন যেটি করছে, তা জনগণের ভালোর জন্যই করছে। আর এটাকে কেন্দ্র করে যদি চালকরা সিএনজি চলাচল বন্ধ করে দেয় তাহলে সেটা মোটেই ভালো নয়! তারা বৈর্ধ্য কাগজপত্র তৈরি করে সিএনজি রাস্তায় নামাক সেটা আমরা সকলেই চাই।

গাইবান্ধা থেকে আগত আরেক ব্যবসায়ী জানান, অধিকাংশ চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স নেই। প্রশাসন যদি এটি তদারকি করে তাতে মন্দের কী আসে যায়। তারা তো ভালো কাজটায় করছে। আর এটাকে কেন্দ্র করে যদি কেউ অবৈধ যান চলাচল বন্ধ করে দেয় দিক তাতে সমস্যার কিছু নেই। আগে যখন এসব যান ছিল না তখন মানুষ যাতায়াত করেনি? করেছে। সমস্যা কী এরপর তো আর লাইসেন্স বিহীন ড্রাইভারের কারণে সড়কে মানুষকে প্রান দিতে হবে না।

সিএনজি চালিত একাধিক ড্রাইভারের সাথে কথা বলে জানাযায়, হঠাৎ করে প্রশাসনের লোকজন কদমতলায় গাড়ি থামিয়ে তল্লাসি চালিয়ে আটকিয়ে দিচ্ছে। ফলে আমরা গাড়ি চলাচল বন্ধ করে দিয়েছি। তারা আরাও জানান, আমাদের মহাজনরা প্রশাসনের সাথে আলাপ আলোচনা করে সমাধান না করা পর্যন্ত আমরা রাস্তায় গাড়ি নামাবো না।

প্রিন্স, ঢাকা