এন্ডারসন দুর্দান্ত উইকেট শিকারি বোলার: ম্যাকগ্রা

নিউজ ডেস্কঃ   আর ৭ উইকেট নিতে পারলেই অস্ট্রেলিয়ার গ্লেন ম্যাকগ্রাকে টপকে টেস্ট ক্রিকেটে পেসারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি হবেন ইংল্যান্ডের জেমস এন্ডারসন। এমনটি হলে এন্ডারসন ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে যাবে বলে মনে করেন অসিদের ডান-হাতি পেসার ম্যাকগ্রা। তিনি বলেন, ‘এন্ডারসন দুর্দান্ত এক বোলার। আমাকে ছাড়িয়ে গেলে টেস্ট ক্রিকেটের সেরা ফাস্ট বোলার হবেন এন্ডারসন।’

টেস্ট ক্রিকেটের সবচেয়ে বেশি উইকেট শিকারি শ্রীলংকার মুত্তিয়া মুরালিধরন। ১৩৩ ম্যাচে ৮শ’ উইকেট শিকার করেছেন তিনি। তবে পেসারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি উইকেট পকেটে ভরেছেন অস্ট্রেলিয়ার ম্যাকগ্রা। তার শিকার ৫৬৩টি। কিন্তু ম্যাকগ্রার ঘাড়ের উপর নিঃশ্বাস ফেলছেন এন্ডারসন। ইংলিশ পেসারের উইকেট শিকার সংখ্যা ৫৫৭। আর মাত্র ৭ উইকেট পেলেই ম্যাকগ্রাকে পেছনে ফেলবেন এন্ডারসন।

ভারতের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচ সিরিজের দু’টি টেস্ট বাকী রয়েছে ইংল্যান্ডের। যে ফর্মে রয়েছেন এন্ডারসন, তাতে দু’টেস্টে সাত উইকেট শিকার করা তার জন্য হাতের মোয়া। কারণ প্রথম তিন টেস্টে ইতোমধ্যে ১৭ উইকেট ঝুলিতে ভরেছেন এন্ডারসন। তাই ম্যাকগ্রাকে চলতি টেস্ট সিরিজে ছাড়িয়ে যেতে পারেন এন্ডারসন। আর সেটি যদি হয়ে যায়, এন্ডারসনই হবে টেস্ট ক্রিকেটের সবচেয়ে সেরা ফাস্ট বোলার বলে মন্তব্য করলেন ম্যাকগ্রা।

ব্রিটেনের ডেইলি মেইল সংবাদ পত্রিকায় লেখা কলামে তিনি বলেন, ‘এন্ডারসন যা কিছু পেয়েছে তা সবই তার প্রাপ্য। যদিও তিনি একজন ইংরেজ, তথাপি সে আমার রেকর্ড ভাঙ্গলে আমি খুশি হব এবং টেস্ট ক্রিকেটের সেরা ফাস্ট বোলার হিসেবে খ্যাতি পাবে।’

ম্যাকগ্রা আরও বলেন, ‘এন্ডারসনের প্রতি আমার যথেষ্ট শ্রদ্ধাবোধ রয়েছে। তার জন্য শুভ কামনা রইল। আমি বিশ্বাস করি, সে একবার আমাকে টপকে গেলে সে কখনও হার মানবে না।’

এন্ডারসনের প্রশংসা করে ম্যাকগ্রা আরও বলেন, ‘রেকর্ডগুলো দুর্দান্ত এবং অন্যান্য পেসারদের চেয়ে আমি অনেক বেশি উইকেট নেয়ায় আমি গর্বিত। কিন্তু এই রেকর্ডগুলোকে টপকে যাবার জন্য কেউ আছেন এবং আমি এন্ডারসনের জন্যও গর্বিত হবো যদি সে আমাকে টপকে যায় কারণ ফার্স্ট বোলার ইউনিয়ন এখন বেশ শক্তিশালী। এটি যেই দেশেরই ফার্স্ট বোলার হোক না কেন।’

২০০৩ সালে টেস্ট অভিষেক হয় এন্ডারসনের। ইংল্যান্ডের হয়ে এখন পর্যন্ত ১৪১টি টেস্ট খেলেছেন তিনি। সর্বোচ্চ উইকেট শিকারের তালিকায় পঞ্চম স্থানে রয়েছেন ৩৬ বছর বয়সী এন্ডারসন।