বগুড়ার গাবতলীতে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত-১

নিউজ ডেস্কঃ বগুড়ার গাবতলীর কোঁচামারী সেতুর কাছে বুধবার গভীর রাতে গাছ ফেলে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুক যুদ্ধে’ খায়রুল ইসলাম (২৮) নামে এক ‘ডাকাত’ নিহত হয়েছে। এ সময় ডাকাতদের ছোড়া গুলির স্প্লিন্টারে তিন পুলিশ কর্মকর্তা আহত হয়েছেন।

পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তিনটি দেশীয় অস্ত্র, দুটি করাত ও কার্তুজের দুটি খোসা উদ্ধার করেছে। এ ব্যাপারে আহত পুলিশ কর্মকর্তা এসআই জাহিদ গাবতলী থানায় পুলিশের ওপর হামলা, সরকারি কাজে বাধাসহ বিভিন্ন ধারায় মামলা করেছেন।

নিহত ডাকাত খায়রুল ইসলাম গাবতলী উপজেলার রামেশ্বরপুর ইউনিয়নের জাইগুলি গ্রামের আবদুল খালেকের ছেলে।

গাবতলী থানার ওসি খায়রুল বাশার জানান, নিহত খায়রুল নাড়ুয়ামালা ইউনিয়নের প্রথমারছে গ্রামে পরিবার নিয়ে বাস করতো। তার বিরুদ্ধে থানায় ডাকাতির প্রস্তুতি নিয়ে ৩টিসহ বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে। বুধবার রাত আড়াইটার দিকে খায়রুল ইসলামের নেতৃত্বে একদল ডাকাত কোঁচামারি সেতুর কাছে সুখানপুকুর-সৈয়দ আহমদ কলেজ সড়কে কাটাগাছ ফেলে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। গাবতলী থানার টহল পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গেলে ডাকাতরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি করতে থাকে। এ সময় জানমাল রক্ষায় পুলিশও পাল্টা ৫ রাউন্ড গুলি করে। ডাকাতদের বন্দুকের গুলির স্প্লিন্টারে এসআই জাহিদ, এএসআই হাবিব ও এএসআই আউয়াল আহত হন। অবস্থা বেগতিক দেখে অন্য ডাকাতরা পালিয়ে গেলেও গুলিবিদ্ধ খায়রুল ইসলাম পড়ে যায়। রাত সাড়ে ৩টার দিকে আহত তিন পুলিশ ও খায়রুলকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ সদস্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা নেন এবং সকাল ৬.২০ মিনিটে ডাকাত খায়রুল মারা যায়। ঘটনাস্থলে দুই রাউন্ড বন্দুকের গুলির খোসা, একটি সামুরাই, একটি হাসুয়া, একটি চাপাতি ও গাছ কাটার দু’টি করাত পাওয়া যায়। বৃহস্পতিবার দুপুরে শজিমেক হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে ডাকাত খায়রুলের লাশ তার পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।