গাজামুখী ত্রাণবাহী জাহাজ আটকে দিল ইসরাইল

নিউজ ডেস্ক: এক ত্রাণবাহী জাহাজ গাজায় যেতে বাধা দিয়েছে ইসরাইল। দীর্ঘদিন ধরে গাজার ওপর থাকা অবরোধ না মেনে গাজার দিকে এগুতে থাকলে ফ্লোটিলার ওই ত্রাণবাহী জাহাজকে শুক্রবার আটকে দেওয়া হয়। গত এক সপ্তাহের মধ্যে এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো ত্রাণবাহী জাহাজটি আটকে দিয়েছে ইসরাইলি নৌবাহিনী।

সুইডিশ পতাকাবাহী এ ত্রাণবাহী জাহাজটিতে প্রয়োজনীয় পর্যাপ্ত বিভিন্ন ধরনের ত্রাণ ছিল। এ জাহাজটিকে আটক করে ইসরাইলি নৌবাহিনী। এক বিবৃতিতে ইসরাইলি সামরিক বাহিনী জানায়, গাজার উদ্দেশে যাওয়া এ জাহাজ থেকে ১২ জনকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া জাহাজে চিকিত্সার প্রচুর সরঞ্জাম ছিল। পরে সেটি ইসরাইলের নৌ-বন্দর আশদোদে নিয়ে যাওয়া হয়। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী এ জাহাজটিকে আটক করা হয়েছে।

আটককৃত এ জাহাজটি ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশনের চারটি জাহাজের অংশ ছিল। এ জাহাজটি গত মে মাসে ডেনমার্ক ছাড়ে। ১২ বছর ধরে ইসরাইল ও প্রতিবেশী দেশ মিশরের ১২ বছর ধরে চলা অবরোধ প্রত্যাহারের লক্ষ্যে জাহাজটি গাজার উদ্দেশে আসছিল।

শনিবার দেওয়া বিবৃতিতে ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে আরো বলা হয়, ফ্লোটিলার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার আগে শেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী জাহাজটি গাজার উপকূলে ৪০ নটিক্যাল মাইল এলাকার মধ্যে অবস্থান করছিল। এর আগে কমপক্ষে ২৩ জন বহনকারী নরওয়েজিয় পতাকাবাহী জাহাজটি আটক করার পর ফ্লোটিলা জাহাজটি আটক করা হয়েছে।

এদিকে গাজার এক মুখপাত্র ডরওর ফেইলের বলেছেন, আমরা দাবি করছি যে, ইসরাইলি দখলদার বাহিনী আমাদের নিরস্ত্র জাহাজে কোনো হস্তক্ষেপ করবে না। কারণ জাহাজে গাজার মানুষের জন্য অতি প্রয়োজনীয় চিকিত্সা সরঞ্জাম ও ওষুধ ছিল।

ইউএনের তথ্য অনুযায়ী, গাজায় প্রায় ২০ লাখ মানুষ বিদ্যুত্, খাদ্য, স্বাস্থ্যসেবাসহ মৌলিক সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে ২০২০ সালের মধ্যে ওই এলাকার পরিস্থিতি ‘অসহনশীল’ হয়ে উঠবে। আল জাজিরা।