জামায়াত নেতা আযাদের আত্মসমর্পণ, কারাগারে প্রেরন

নিউজ ডেস্ক:   আদালত অবমাননার মামলায় জামায়াত নেতা ও প্রাক্তন সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান আযাদের জামিন আবেদন খারিজ করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যন বিচারপতি মো.শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেণ।

জামায়াতের এই নেতার পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী আব্দুস সুবহান তরফদার ও মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন। এর আগে বেলা পৌনে ১১টার দিকে ট্রাইব্যুনালে জামায়াতের এ নেতা আত্মসমর্পণ করেন।

ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন বিষয়ে বক্তৃতা দেয়ায় আদালত অবমাননার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে জামায়াতের তিন নেতাকে জরিমানা এবং এর মধ্যে দু’জনকে তিন মাসের কারাদন্ড প্রদান করে ২০১৩ সালের মার্চ মাসে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। জামায়াত নেতা হামিদুর রহমান আযাদ এমপি ও তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলামকে তিন মাসের কারাদন্ড প্রদান এবং তিন হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে প্রত্যেকেরই আরও দুই সপ্তাহের কারাদন্ড ভোগ করতে হবে। একই অভিযোগে নগর জামায়াত নেতা সেলিমউদ্দিন ট্রাইব্যুনালের কাছে ক্ষমা চাওয়ায় তাকে এক হাজার টাকা জরিমানা এবং বিচারক এজলাস থেকে উঠা পর্যন্ত আদালতে অবস্থান করার নির্দেশ দিয়েছিলো ট্রাইব্যুনাল। জরিমানার টাকা না দিলে তাকে দুই সপ্তাহ কারাদন্ড ভোগ করতে হবে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তার আদেশে বলেন, আদালত অবমাননার পরে আদেশ অনুযায়ী আদালতে হাজির না হওয়ায় দু’জনের বিরুদ্ধে জেল-জরিমানা করেন। তবে সেলিমউদ্দিন ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করলে তাকে এক হাজার টাকা জরিমানা করেছেন। তাকে কোনো কারাদন্ড দেয়া হয়নি। ট্রাইব্যুনাল আরও বলেন, পুলিশের প্রতিবেদনে রফিকুল ইসলাম খান ও হামিদুর রহমান আযাদকে পলাতক দেখানো হয়েছে। কিন্তু তারা জনসমক্ষে বক্তব্য দিয়েছেন।

সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান আযাদ সংসদেও গেছেন। তারা ট্রাইব্যুনালে হাজির না হয়ে আদালত অবমাননা করেছেন। তাদের গ্রেফতার করার পর অথবা তাদের আত্মসমর্পণের পর থেকে এ সাজা কার্যকর হবে।