কোটা সংস্কার ও পর্যালোচনা কমিটির মেয়াদ ৯০ কার্যদিবস বাড়ল

নিউজ ডেস্কঃ সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার ও পর্যালোচনার বিষয়ে সরকারের গঠিত কমিটির মেয়াদ ৯০ কার্যদিবস বাড়ানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৯ জুলাই)জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

গত ২ জুলাই রাতে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলমের নেতৃত্বে সাত সদস্যের এ কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন— লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব মোহাম্মাদ শহিদুল হক, অর্থ বিভাগের সচিব মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী, জনপ্রশাসনসচিব ফয়েজ আহম্মদ, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সচিব অপরূপ চৌধুরী, সরকারি কর্মকমিশনের সচিব আকতারী মমতাজ এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব সাজ্জাদুল হাসান।

১৫ কার্যদিবসের মধ্যে অর্থাৎ আগামী ২৩ জুলাইয়ের মধ্যে এ কমিটির বর্তমান কোটা পদ্ধতি সংস্কার বা বাতিলের যৌক্তিকতা-সংক্রান্ত সুপারিশ-প্রতিবেদন দেওয়ার কথা ছিল। তবে সেই সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই কমিটির মেয়ার ৯০ কার্যদিবস বাড়ানো হলো।

এর আগে এই কমিটি গত ৮ জুলাই এই কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে প্রতিবেশী দেশসহ অন্যান্য দেশের কোটা সংস্কার-সংক্রান্ত তথ্য-উপাত্ত ও প্রতিবেদন সংগ্রহ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিদ্যমান কোটা ব্যবস্থায় মেধা কোটা ৪৫ শতাংশ, মুক্তিযোদ্ধা কোটা ৩০ শতাংশ, নারী কোটা ১০ শতাংশ, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ৫ শতাংশ এবং ক্ষেত্রবিশেষে জেলা কোটা ১০ শতাংশ ও প্রতিবন্ধী কোটা ১ শতাংশ রয়েছে।

এই কোটা ব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে গত ১১ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংসদে কোটা ব্যবস্থা পুরোপুরি বাতিলের ঘোষণা দেন। তবে কোটা ব্যবস্থা বাতিলের প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়ায় ফের শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামেন। এরপর গত ২ জুলাই কোটা ব্যবস্থা সংস্কার ও পর্যালোচনায় কমিটি গঠন করা হয়।

তবে সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী সংসদে বলেন, ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা রাখতে হাইকোর্টের রায় থাকায় কোটা ব্যবস্থা পুরোপুরি বাতিল করা সম্ভব নয়।