জনগন ও ভোটারদের চাওয়া পূরন করতে মনোনয়ন প্রত্যাশী- শাহীন আহমেদ

এইচ এম এরশাদ কেরানীগঞ্জ: ঢাকা-২ আসন মনোনয়ন প্রত্যাশী তুখোর সংগঠক ও রাজনীতিবিদ মেধাবী ছাত্রনেতা কেরানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের আহবায়ক ও দু‘দুবার বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত -প্রধান মন্ত্রীর হাত থেকে মেডেল – সনদ প্রাপ্ত কেরানীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান -শাহীন আহমেদ।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কেরানীগঞ্জ উপজেলার সাতটি ইউনিয়ন, সাভার উপজেলার তিনটি ইউনিয়ন এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) আওতাধীন কামরাঙ্গীর চরের তিনটি ওয়ার্ডে ব্যাপক গনসংযোগ চালিয়েছেন তিনি। এই আসনের ভোটাররা তরুন ও মেধাবী যোগ্যনেতা হিসাবে শাহিন আহমেদকে বেছে নিয়েছেন। এলাকাবাসী মনে করেন শাহিন আহমেদ কে মনোনয়ন দিলে ও এমপি হিসাবে পেলে এলাকার ব্যাপক উন্নয়ন করতে পারবে এবং সংগঠনের নেতাকর্মীদের সু-সংগঠিত রাখতে পারবে। আওয়ামীলীগের আবস্থান আরো ভালো হবে। প্রধান মন্ত্রীর যে মিশন দিয়েছেন তা রক্ষা করতে যিনি মানুষের কাছে কাছে গিয়ে পাড়া মহল্লায় ছোট ছোট করে ওয়ার্ড ভিত্তিক কমিটি করে দিয়েছেন। যে খানে ৭০% জনগনের ভোট বিএনপি পেত, সেই বিএনপির ঘাটিকে ভেঙ্গে চুরমার করে দিয়ে, আওয়ামীলীগের বীজবপন করেছেন শাহিন আহমেদ। শাহিনের প্রানের সংগঠন আওয়ামীলীগ এর স্থান কে সর্বচ্চো স্থানে নিয়ে আসার জন্য তিনি প্রতিটি এলাকার মেধাবী ছাত্র ও তৃনমুল, বর্ষীয়ান নেতাদের মূল্যায়ন করেছেন। যার কারনে শাহিন আহমেদ কেরানীগঞ্জের মানুষের কাছে একটি রাজনীতিবিদ নয় সফল সংগঠক হিসাবে পরিচিত হয়েছেন।

এ ব্যাপারে স্থানীয় আওয়ামীলীগের ইউনিয়ন নেতাদের কাছে জানতে চাওয়া হলে, হযরতপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো.আনোয়ার হোসেন আয়নাল ঢাকা নিউজ টোয়েনন্টিফোর প্রতিবেদককে জানান, এলাকাবাসীর অত্যন্ত আস্থাভাজন ও তাদের সুখ-দু:খের অংশীদার হিসেবে হযরতপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও তাদের সকল অঙ্গ সংগঠনের পক্ষ থেকে শাহীন আহমেদকেই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-২আসনের এমপি হিসেবে দেখতে চাই। তারানগর ইউপি চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন ফা রুক বলেন ঢাকা-২ আসন থেকে এমপি হিসেবে মনোনয়ন পাওয়ার মত সকল গুণাবলী শাহীন আহমেদের রয়েছে। তিনি বলেন, একজন যোগ্যনেতা হিসেবে জনগণের সাথে রয়েছে তার যথেষ্ঠ সম্পৃক্ততা। তিনি একজন ন্যায় বিচারক। মাদকের বিরুদ্ধে তিনি সবসময়ই সোচ্ছার ভূমিকা রেখে আসছেন যে কারনে আমাদের আগে এলাকার সাধারণ জনগণই তাকে এমপি হিসেবে পেতে চায়।

শাক্তা ইউপি চেয়ারম্যান মো. সালাহ উদ্দিন লিটন বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-২ আসনের বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে প্রার্থী হিসেবে শাহীন আহমেদের কোন বিকল্প নাই। তিনি বলেন ঢাকা-২ আসনের জনগণ শাহীন আহমেদকে এমপি হিসেবে দেখতে চান । এটা তাদের মুখের কথা নয় এটা তাদের প্রাণের দাবি। তিনি বলেন, শাহীন আহমেদ এলাকার মানুষের মনের কথা বোঝেন। মানুষের চাহিদার কথা বোঝেন সেজন্য এলাকার আপামর মানুষও তাকে ভালোবাসেন। দলীয় দিক থেকেও একেবারে তৃণমূল থেকে সমন্বয় রেখেই তিনি দলকে সু-সংগঠিত রেখেছেন। কাজেই শাহীন আহমেদ ঢাকা-২ আসন থেকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন পাক এটা শুধু শাক্তা ইউনিয়নবাসীর দাবি নয়। এটা ঢাকা-২ আসনের প্রতিটা মানুষের মনের কথা।

কালিন্দী ইউপি চেয়ারম্যান হাজী মোজাম্মেল হোসেন বলেন, শাহীন আহমেদ হচ্ছেন মাটি ও মানুষের নেতা। একদম তৃণমূল থেকে কিভাবে দলকে সু-সংগঠিত রাখতে হয়। কিভাবে তৃণমূলের একজন নেতা-কর্মীর মন জয় করা যায় এসব গুণাবলী তার মধ্যে বিদ্ধমান। এলাকাবাসী তাদের নেতা হিসেবে ঘুরেফিরে তাকেই সবসময় কাছে পায় তাই তার প্রতি এলাকার সাধারণ জনগনের বড় রকমের একটা আস্থা তৈরী হয়েছে। এ আস্থা থেকেই এলাকাবাসী তাকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-২ আসন থেকে এমপি হিসেবে পেতে চায়।

বাস্তা ইউপি চেয়ারম্যান হাজী মো.আশকর আলী বলেন, বাস্তা ইউনিয়নের পক্ষথেকে আমরা মনে-প্রাণে শাহীন আহমেদকেই আগামীতে ঢাকা-২ আসনের এমপি হিসেবে দেখতে চাই। তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমার জানামতে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে কোন দ্বিমত নাই। কারন এলাকার উন্নয়নে তার রয়েছে বিশেষ নজরদারি। ঢাকা-২ আসনের অংশ হিসেবে সাভার ও কামরাঙ্গীর চর এলাকায়ও তার ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে বলেও তিনি জানান।

কালিন্দী ইউনিয়নর্ আওয়ামী লীগ নেতা জাহিদ হোসেন রনি ও ঢাকা জেলঅ ছাত্র লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইয়ামিন বলেন, কালিন্দী এলাকায় শাহীন আহমেদের রয়েছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা। এলাকাবাসী তাদের যেকোন ধরনের চাহিদার সময় শাহীন আহমেদকেই কাছে পায়। কাজেই কালিন্দী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও তাদের সকল অঙ্গ সংগঠন আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-২ আসন থেকে শাহীন আহমেদকেই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হিসেবে পেতে চায়।

ঢাকা নিউজ টোয়েনন্টিফোর প্রতিবেদককে একান্ত সাক্ষাতকারে শাহীন আহমেদ বলেন, ঢাকা -২, আসনের ভোটার ও জনগনবাসীকে শুভেচ্ছা। ঢাকা -২ আসন একটি গুরুত্ব পূর্ন সংসদীয় আসন। অবহেলিত বঞ্চিত ঢাকা-২ আসনটি ছিল অগোছালো। আসনটিতে বিএনপির ঘাটি হিসেবে পরিচিত ছিল আজ সেই ঘাটি ভেঙ্গে আওয়ামীলীগের ঘাটি হিসেবে আমি পরিচিত করেছি। প্রতিটি ওয়ার্ডে ও তৃনমুল পর্যায়ে কমিটি শক্তিশালী ।

মনোনয়ন প্রত্যাশী শাহিন আহমেদ বলেন, ২০১৪ সালের নির্বাচনের পর পরই আমি শতভাগ প্রস্তুত গ্রহন করেছি সিদ্ধান্ত নিয়েছি জাতীয় সংসদ নির্বাচন করব, নির্বাচনকে সামনে রেখে সংগঠনকে ঢেলে সাজিয়েছি বিশেষ করে প্রধান মন্ত্রী তৃনমুল নেতাকর্মীদের মূল্যায়নের বিষয় কথা বলেছেন, আমি তৃনমুল তথা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, মহিলালীগ, শ্রমিক লীগ কৃষকলীগ, তাতীলীগ, নিয়ে ওয়ার্ড ও মাঠ পর্যায় প্রত্যেকটি গ্রামে আমার সংগঠন প্রস্তুত করেছি। মাননীয় প্রধান মন্ত্রী যদি বলে এসপ্তাহের মধ্যে নির্বাচন, আমার সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন আছে। আমাদের প্রত্যেকটি কমিটি শেষ করেছি, নির্বাচনী পরিচালনা কমিটি করেছি, ইতি মধ্যে তারা কাজ শুরু করেছে, প্রত্যেকটি এলাকাতে পোলিং এজেন্ট করে দিয়েছি।

সাংগঠনিক দূর্বালতা আছে কিণা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সাংগঠনিক দূর্বালতা বলতে আমি কিছুই দেখিনা, বর্তমানে সংগঠন অনেক শক্তিশালী। স্বাধীনতার ৪৭ বছর বাংলাদেশের ইতিহাসে আজকের সংগঠনকে হিসাব করি তাহলে সবচেয়ে বেশি শক্তিশালী সংগঠন হলো ঢাকা -২ আসন ও কেরানীগঞ্জ উপজেলা । 

তিনি আরো বলেন, কেরাণীগঞ্জকে ঘিরেই আমার রাজনীতি কাজেই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-২ আসন থেকে আমি মনোনয়ন চাইতেই পারি এবং চাইবো। তিনি বলেন বিগত সরকারের আমলে আমার ওপর যথেষ্ট নির্যাতন হয়েছে। আমার পরিবারের ওপর নির্যাতন হয়েছে। আমার বিরুদ্ধে ৩৭টি মামলা দেওয়া হয়েছিল। আমি জেল খেটেছি কিন্তু সংগঠন থেকে পিছিয়ে আসিনি।

জনগণ সবসময় নেতাদের কাছে পেতে চায়। তাই আমিও সবসময় জনগনের খুব কাছে থেকেই তাদের সেবা দেয়ার চেষ্টা করে আসছি। আমি দিন-রাত তাদের সাথেই আছি। এলাকাবাসীর দোয়া ও সমর্থনে আমি পর পর দুইবার উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছি। কেরাণীগঞ্জ ছাড়াও ঢাকা-২ আসনের অংশ বিশেষ সাবারের ভাকুর্তা ও কামরাঙ্গীর চরেও আমার যথেষ্ট যোগাযোগ আছে। কাজেই সাংগঠনিক দিক বিবেচনা করলে ঢাকা-২ আসন থেকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমিই মনোনয়ন পাওয়ার যোগ্য বলে মনে করি। শাহীন আহমেদ বলেন দলীয় সভানেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আমার অবিচল আস্থা রয়েছে। স্থানীয় আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করার স্বার্থে আশা করি তিনি আমাকেই মনোনয়ন দিবেন।

প্রিন্স, ঢাকা