বিএনপির আন্দোলন কোটা আন্দোলনে ভর করেছে: কাদের

নিউজ ডেস্ক: বিএনপির আন্দোলন এখন কোটা আন্দোলনের কাঁধে ভর করেছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে মেঘনা সেতুর নির্মাণাধীন অফিসে ঈদুল আজহার আগে ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের যানজট নিরসনকল্পে করনীয় মতবিনিমিয় সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

মন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষ এখন আর বিএনপিকে বিশ্বাস করে না। বেগম জিয়ার জেল জীবন আর অসুস্থতা নিয়ে বিএনপি যে নোংরা রাজনীতি করছে, তা এখন জনগণের কাছে স্পষ্ট। বিএনপির আন্দোলন এখন কোটা আন্দোলনের কাঁধে ভর করেছে।

এসময় জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল বিষয়টি আদালতে রয়েছে বলেও জানান ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, আসন্ন ঈদুল আযহায় যানজট নিরসনের সাথে সড়ক দুর্ঘটনা কমানো সরকারের প্রধান টার্গেট। মহাসড়কের দুই পাশে যত্রতত্র কোরবানীর পশুর হাট বসতে দেয়া হবেনা।

আগামী নির্বাচন নিয়ে সরকারের ভূমিকা কি- এ প্রশ্নে জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচন কমিশনে যেসব দলের রেজিস্ট্রেশন থাকবে তারা নির্বাচনে অংশ নিবে। যারা অন্যভাবে করবে সেটাও নির্বাচন কমিশন দেখবে। নির্বাচনের সিডিউল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে গোটা নির্বাচন ব্যবস্থা নির্বাচন কমিশনের অধীনে চলে যাবে। সরকারের এ ব্যাপারে কোন করনীয় থাকবেনা বলে মন্তব্য করেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, কোরবানীর ঈদকে কেন্দ্র করে যত্রতত্র পশুর হাট বসতে পারবেনা, মহাসড়কের পাশে কোন ভাবেই পশুর হাট বসতে দেয়া হবেনা । এজন্য জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনকে সজাগ দৃষ্টি রাখার নির্দেশনা দেন তিনি।

তিনি আরো বলেন, গত ঈদে মন্ত্রণালয়ের মনিটরিং ব্যবস্থা দুর্বল ছিল। এবার মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে। ঈদের তিন দিন আগে থেকে মহাসড়কে পচনশীল দ্রব্য, ওষুধ ও রফতানিমুখী পোষাকবহনকারী ছাড়া ভারি পরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে।

মত বিনিময় সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন- সড়ক পরিবহন বিভাগের সচিব নজরুল ইসলাম, সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী ইবনে আলম হাসান, বিআরটিসির চেয়ারম্যান ফরিদ আহমেদ, বিআরটিএ’র চেয়ারম্যান মশিউর রহমান, হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজি আতিকুল ইসলাম, নারায়ণগঞ্জে জেলা প্রশাসক রাব্বি মিয়া, মুন্সিগঞ্জের জেলা প্রশাসক সায়লা ফারজানা, সড়ক ও জনপথ বিভাগের ঢাকা বিভাগের অতিরিক্ত প্রকৌশলী আব্দুনস সুবুর, শ্রমিক নেতা তাজুল ইসলাম, পরিবহন মালিক সমিতির নেতা সোহেল মাহমুদসহ কুমিল্লা, মুন্সিগঞ্জ ও নারায়ণগঞ্জের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।