চসিকের ১২৮৮টি কেন্দ্রে খাওয়ানো হয়েছে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) অধীনে নগরের ৪১টি ওয়ার্ডে (স্থায়ী/অস্থায়ী) ১ হাজার ২৮৮টি কেন্দ্রে খাওয়ানো হয়েছে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল। জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের অধীনে গতকাল শনিবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত একটানা ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৫ লাখেরও বেশি শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়।

৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ৮০ হাজার শিশুকে একটি নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল (১ লাখ ইউনিট) এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৪ লাখ ৩০ হাজার শিশুকে একটি উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল (১ লাখ ইউনিট) ট্যাবলেট খাওয়ানো হয়েছে। গতকাল শনিবার সকালে নগরীর উত্তর পাহাড়তলীর কৈবল্যধামস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এক শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাইয়ে দিয়ে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন।
চসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সেলিম আক্তার চৌধুরী জানান, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের আওতায় স্বাস্থ্য অধিদফতরের অধীনে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন (১ম রাউন্ড) ২০১৮ পালন করা হয়েছে।

জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ দেশব্যাপী অপুষ্টিজনিত অন্ধত্ব প্রতিরোধ কার্যক্রম বাস্তবায়নের লক্ষে নগরের ১ হাজার ২৮৮ কেন্দ্রে ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হচ্ছে। শিশুদের খাওয়ানোর উচ্চহার বজায় রাখা, শিশু মৃত্যুর ঝুঁকি ও ভিটামিন ‘এ’ এর অভাবজনিত শিশুর অন্ধত্ব প্রতিরোধ করতে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে। এছাড়া ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল শুধুমাত্র অপুষ্টিজনিত অন্ধত্ব থেকে শিশুদের রক্ষা করে তাই নয়, এটি ডায়রিয়ার ব্যাপ্তিকাল ও জটিলতা কমায় এবং সর্বোপরি শিশু মৃত্যুর ঝুঁকি হ্রাস করে বলেও জানান তিনি।

প্রিন্স, ঢাকা