বিএফইউজে’র নির্বাচন ২০১৮ শুক্রবার

ওয়াহিদুজ্জামান: বিএফইউজে- বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন এর নির্বাচন ২০১৮ আজ ৬ জুলাই শুক্রবার। নির্বাচন সংক্রান্ত সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন প্রার্থী ও ভোটারদের আচরণবিধি ঘোষণা করেছেন। সকাল ৯ টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে।

সাংবাদিকতা পেশার অধিকার আদায়ের শীর্ষ সংগঠন বিএফইউজে’র নির্বাচনে এবারে ভোটারের সংখ্যা সর্বমোট ৪১৪১ জন। নির্বাচনে একযোগে সারাদেশে ১০টি ইউনিটে অনুষ্ঠিত হবে। দিনাজপুর ইউনিটের নির্বাচন স্থগিত থাকবে। সভাপতি, মহাসচিব ও কোষাধ্যক্ষ এই ৩টি পদে দেশের সকল ভোটাররা ভোট প্রয়োগ করতে পারবেন। বাকি পদগুলো শুধুমাত্র ইউনিট ভিত্তিক ভোটে নির্বাচিত হবে।

এবারের নির্বাচনে সভাপতি পদে ৩ জন প্রার্থী নির্বাচন করছেন। মহাসচিব পদে রয়েছেন ২ জন এবং কোষাধ্যক্ষ পদে আছেন ৩ জন প্রার্থী। ঢাকা থেকে সহ-সভাপতি পদে ২ জন, যুগ্ম মহাসচিব পদে ৭ জন, দফতর সম্পাদক পদে ৩ জন ও নির্বাহী পরিষদ সদস্য পদে ১২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। তাছাড়াও ময়মনসিংহ ইউনিট থেকে নির্বাহী সদস্য পদে ৪ জন, চট্টগ্রাম ইউনিট থেকে সহ-সভাপতি ৩ জন, যুগ্ম মহাসচিব পদে ৫ জন, নির্বাহী পরিষদের সদস্য পদে ৬ জন, খুলনা ইউনিট থেকে সহ-সভাপতি পদে ২ জন, নির্বাহী সদস্য পদে ৩ জন, যশোর ইউনিট থেকে সহ-সভাপতি ১ জন, যুগ্মমহাসচিব পদে ১ জন ও নির্বাহী পরিষদের সদস্য পদে ৪ জন প্রতিদ্ব›দ্বীতা করবেন। ইতিমধ্যে নারায়ণগঞ্জ ইউনিটের ২ জন নির্বাহী পরিষদ সদস্যকে বিনা প্রতিদ্ব›দ্বীতায়, রাজশাহী ইউনিটের সহ-সভাপতি ও ২ জন নির্বাহী সদস্য বিনা প্রতিদ্ব›দ্বীতায়, কুষ্টিয়ায় ২ জন নির্বাহী পরিষদের সদস্য বিনা প্রতিদ্ব›দ্বীতায়, কক্সবাজার ইউনিটে ২ জন নির্বাহী পরিষদের সদস্য বিনা প্রতিদ্বন্দীতায় ও বগুড়া ইউনিটের যুগ্মমহাসচিব পদে ১ জন নির্বাহী সদস্য পদে ২ জনকে বিনা প্রতিদ্ব›দ্বীতায় বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে।

বিভিন্ন কারণে এবারের নির্বাচন অন্য যে কোনো বারের নির্বাচনের থেকে ব্যতিক্রমী বলে মনে করা হচ্ছে। বিএফইউজে এবারেই প্রথম আলাদা নামে রেজিষ্ট্রেশনের মাধ্যমে নির্বাচন পরিচালনা করা হচ্ছে। ফলে বিএফইউজে’র নির্বাচনকে এখন আর একাংশের নির্বাচন বলার সুযোগ থাকছে না। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছিল ২৮ এপ্রিল ২০১৮ তারিখে। এত দীর্ঘ সময় আগে নির্বাচন তফসিল ঘোষণার নজির এবারই প্রথম। ভোটারদের আচরণবিধিতে জাতীয় পরিচয়পত্র সাথে রাখার ধারাটি একেবারেই নতুন এবং সবার আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

নির্বাচনে একজন মহাসচিব প্রার্থীকে ঘিরে অন্য দু’জন সভাপতি প্রার্থীর সমর্থকদের প্রার্থী পানেল প্রচারে হিড়িক পড়তে দেখা গেছে। যদিও এই মহাসচিব প্রার্থীর নিজের একটি প্যানেল রয়েছে। ২ জন সভাপতি প্রার্থীর সমর্থকদের মাঝে কিছুটা কাদা ছোঁড়াছুড়ি লক্ষ্য করা গেলেও প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণার কাজ বেশ শান্তিপূর্ণভাবেই সম্পূর্ণ হতে চলেছে। আশা করা হচ্ছে নির্বাচন অনুষ্ঠান ও ফলাফল ঘোষণার পরিবেশও তেমনিভাবে শান্তিপূর্ণ থাকবে।