স্ত্রীকে হত্যার উদ্দেশ্যে স্বামীর ক্ষুরাঘাত

গাইবান্ধা প্রতিনিধি: গাইবান্ধা সদর উপজেলার দারিয়াপুরে স্ত্রী মৈতনকে (২০) হত্যার উদ্দেশ্যে স্বামী রফিকুল ইসলাম কাল্টুর (২৫) বিরুদ্ধে ক্ষুরাঘাতের অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী। এঘটনার পর স্বামী রফিকুল ইসলাম কাল্টু পলাতক রয়েছেন বলে জানাগেছে।

সোমবার রাত আটটায় সদর উপজেলার ঘাগোয়া ইউনিয়নের দারিয়াপুর গ্রামের বাদিয়াপাড়া এলাকায় পারিবারিক কলহের জের ধরে এ ঘটনা ঘটে।

এলাকাবাসী সূত্রে জানাগেছে, সোমবার রাতে সকলের অগোচরে রফিকুল ইসলাম কাল্টু তার নিজ স্ত্রী মৈতনকে মুখ বেধে হত্যার উদ্দেশ্যে ওই এলাকার বালুবাড়ি নামক উন্মক্ত স্থানে নিয়ে গিয়ে পেট, কোমর, ঘার ও যৌনাঙ্গসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ক্ষুরাঘাত করতে থাকে। এমতাবস্থায় আক্রান্তের আত্মচিৎকারে এলাকাবাসী এগিয়ে গেলে কাল্টু দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে এলাকাবাসী গুরুতর আহত মৈতনকে উদ্ধার করে গাইবান্ধা আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আহত মৈতনের অবস্থার বেগতিক দেখে রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালে রের্ফাড করে।

বর্তমানে তিনি রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের ৪র্থ তলার ১৬নং ওয়ার্ডের ২০নং বেডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন।

জানাগেছে, গত দুই/তিন বছর আগে সকলের অগচরে গাইবান্ধা সদর উপজেলার ঘাগোয়া ইউনিয়নের দারিয়াপুর গ্রামের বাদিয়াপাড়া এলাকার মজিবর রহমানের মেয়ে মৈতনের সাথে একই এলাকার বস্তা আওলা হাফিজার মিয়ার ছেলে রফিকুল ইসলাম কাল্টুর বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ লেগেই থাকত। কারণে অকারণে রফিকুল ইসলাম কাল্টু স্ত্রী মৈতনকে শারিরীক ভাবে নির্যাতন করত। এলাকাবাসী আরও জানান, এর আগেও একবার মৈতনকে হত্যার উদ্দেশ্যে তার যৌনাঙ্গে ক্ষুরাঘাত করা হয়েছিল। সেবার এলাকাবাসীর সহায়তায় চিকিৎসার মাধ্যমে তিনি মৃত্যুর হাত থেকে বেচে যান।

প্রিন্স, ঢাকা