ভূমিদস্যু নূরুলের আতংকে সাভারবাসী আতঙ্কিত

এজাজ, প্রিন্স: সমগ্র বাংলাদেশের অমানুষের অত্যাচারে হারিয়ে যাচ্ছে মানুষের বাঁচার স্থান। রক্ষকরাই যখন ভক্ষক হয়ে যায় তখন সাধারণ মানুষরাই বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। বিএনপি’র সাবেক নেতা সাভার সিঙ্গাইয়ের সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালিয়ে যাওয়ার জন্য সংঘদ্ধতাই সাভার মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আইন উদ্দিন ও জসিমের নেতৃত্বে অর্থের বিনিময়ে সঠিক মুক্তিযোদ্ধাদের বাদ দিয়ে কিছু সংখ্যক অসাধু, অর্থলোভী ও ভূমি সন্ত্রাসী মুক্তিযোদ্ধাদের তৈরী করা হয়, নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির লক্ষ্যে। এমনই একজন কমান্ডার নাসিরের অনুসারী বিএনপি’র নামধারী ভূমিদুস্য মুক্তিযোদ্ধা মোঃ নরুল ইসলাম গংদের পিতা- মৃত শের আলী, সাং-কাজী মোকমাপাড়া। তার দুই সন্ত্রাসী শ্যালক ছিদ্দিকুর রহমান ও হান্নানদের সন্ত্রাসী যোগানদাতা আমির হোসেন সাং-ভাটপারা, বর্তমান গ্রাম-দক্ষিণ বক্তারপুর, ওয়ার্ড যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক, সাভারের যুবলীগের কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা দেওয়ার আগেই সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরীর নির্দেশ আছে যে, যুবলীগের নেতাকর্মীদের জেলা পর্যায়ে থানা ওয়ার্ডের এলাকাবাসীদের সেবক হিসেবে কাজ করবে। সরকারে ভাবমূর্তি নষ্ট করে নুরুল ইসলাম গংরা সেবা না করে অসহায় হতদরিদ্র নিরীহ মানুষদের অবৈধভাবে জমি দখল, সরকারের খাস জমি দখল, মাদক, অস্ত্র উঠিয়ে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড তাদেরই আশ্রয় প্রশ্রয় এলাকাবাসী অতিষ্ঠ। এমনই একটা ঘটনা সাভার থানা এলাকায় হতদরিদ্র অসহায় মোঃ সিদ্দিকুর রহমান কন্যা গরিষ্ঠ পরিবার। তিনি মোঃ মোসলেম উদ্দিনের কাছ থেকে ২০/০৯/১৯৮৬ইং তারিখে সাভার থানাধীন দক্ষিণ দরিয়াপুর মৌজায় সরকারের এক নম্বর খাস খতিয়ান ভূক্ত যাহার দাগ নং-২৪৫/২। উক্ত দাগে ও খতিয়ানে আন্দরে এক একর একশ শতক নাল জমি লিজ হিসাবে সরকারের নিকট হইতে গ্রহণ করেন।

যাহার মেয়াদ হবে ১৫ বছর। উক্ত একশ শতকের ভূমি হইতে মোঃ মোসলেম উদ্দিনের কাছ থেকে মোঃ সিদ্দিকুর রহমান ১০ শতাংশ ভুমি দখলের হিসাবে হস্তান্তর করার প্রস্তাব দেন। সেই প্রস্তাবে রাজি হয়ে ইহার মূলে নিবন্ধন হয় মং-১,২০,০০০/-(একলক্ষ বিশহাজার) টাকা সেই মূল্যে মোসলেম উদ্দিন দাতা গ্রহিতা সিদ্দিকুর রহমানের মধ্যে একটি আন-রেজিষ্ট্রার বায়নাপত্র সম্পাদন হয়। যাহার তারিখ ০৭/১০/১৯৯৮ইং। মোঃ মোসলেম উদ্দিন, পিতা-মৃত ওসমানগণি। উক্ত মোসলেম উদ্দিন বিগত ২০/০৯/১৯৮৬ইং তারিকে লিজকৃত দলিল নং- ১০০৪-১৫২-১১৫/১৯৮৬ইং সময়কাল ১৫ বছর মেয়াদী ভুমি পরিমান এক একর বা একশ শতাংশ। মোঃ মোসলেম উদ্দিন এই নামে উল্লেখিত নাম্বারে লিজ দলিল লিজের বিধান ও শর্ত ভঙ্গের দায়গত ১২/০৬/২০০৪ইং তারিখে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব ঢাকা হইতে ২১/৮৫-৮৬ নম্বর মোসমে উদ্দিনের নামে বন্দোবস্ত দলিল উক্ত আদেশ মূল বাতিল হয়। যাহার প্রসঙ্গে সহকারী কমিশনার ভূমি সাভার ঢাকাকে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য অবহিতকরণ পত্র প্রেরণ করা হয়। সেই জমিতে সিদ্দিকুর রহমান উক্ত জমিতে মাটি ভরাট করে সেমিপাকা বসত ঘর নির্মাণ করে আসিতেছিল দীর্ঘদিন যাবত। বাংলাদেশে নিয়ম আছে এক জায়গা একযুগের উর্দ্ধে বসবাস করলে সেই জমি গংদের অধিকার দেওয়া হয়ে থাকে আইন মোতাবেক।

সেই সূত্রে মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান কে আশ্রয় দিয়েছিলেন সিদ্দিকুর রহমান মানবতার দৃষ্টিতে। বর্তমানে সরকারের সেই খাস জায়াগায় জেলা প্রশাসকের নির্দেশ উপেক্ষ্ াকরে ভূমি দুস্য নুরুল ইসলাম গংদের শ্যালক সিদ্দিক ও হান্নানের নেতৃত্বে আমির ক্ষমতা অপব্যহার করে মুরাদ জং এমপি ও ৪নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মানিক মোল্লার নাম ভাঙ্গিয়ে প্রভাবশালীদের কু প্ররোচনায় সাভার ভূমি অফিসের কাননগো ও সার্ভেয়ারকে উৎকোচের বিনিময়ে সরকারের খাস জায়গায় দাগ নং- লিখিয়ে নিতে চায়। অথচ জেলা প্রশাসক, ভূমি কমিশনার, নির্বাহী অফিসারের নির্দেশ আছে যে, সরকারী খাস জমি অবৈধভাবে দখল করলে আইনত দণ্ডনীয়। কিন্তু কোন পরিবার দীর্ঘদিন যাবৎ লিজ বা ভূমি সংক্রান্ত জটিলতায় ভোগেন তার জন্য সরকার পূনর্বাসনের ব্যবস্থা রেখেছেন।

সিদ্দিকুর রহমান সরকারী আইন মোতাবেক তার স্ত্রী আকলিমা আক্তারের নামে থানা সংলগ্ন নামাবাজার ৪নং ওয়ার্ড জমিটি পুনরায় প্রধানমন্ত্রী ও ভূমি মন্ত্রী এবং জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত কাগজপত্র জমা দিয়েছেন এবং যাহাতে আইনগতভাবে জমিটি নেওয়া যায়। কিন্তু ভুমি সন্ত্রাসী নুরুল ইসলাম গংদের নেতৃত্বে আমির হোসেন, পিতা-ওয়াহেদ আলী অবৈধভাবে এই জমি দখল করতে চায়। এবং সিদ্দিকের কন্যা গরিষ্ঠ পরিবারকে জীবননাশের ও অপহরেণর হুমকির মাধ্যমে জমি দখল করতে চায়। এ বিষয়ে সাভার থানায় পরপর দুইটি জিজি করা হয় নূরুল ইসলমা ও আমিরের বিরুদ্ধে যাহার নং-২৫/১১/২০১৭-৮০৬-১৭-০১-২০১৮ উক্ত বিষয়ে এসপি সার্কেল ও অফিসার ইনচার্জ বলেন সিদ্দিকুর রহমানে কন্যা গরিষ্ঠ পরিবারের জানমালের নিরাপত্তায় যথেষ্ট সচেতন কতর্ব্যরত আইন শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী। কোন প্রকার মানবাধিকার লঙ্ঘন হতে দেওয়া হবে না।