মধ্যরাত থেকে বন্ধ হচ্ছে নির্বাচনি প্রচার

নিউজ ডেস্ক: আজ রবিবার (২৪ জুন) মধ্যরাত থেকে সব ধরনের নির্বাচনি প্রচার শেষ হচ্ছে গাজীপুর সিটি করপোরেশনে। শনিবার মধ্যরাত থেকে বহিরাগতদের গাজীপুর সিটি করপোরেশন এলাকায় অবস্থান নিষিদ্ধ করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। এর ফলে গাজীপুরের ভোটার নন এমন আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতারা আজ থেকে সেখানে অবস্থান করতে পারবেন না। এছাড়া নির্বাচনি এলাকার নিরাপত্তায় আজ থেকে মাঠে নামছে অতিরিক্ত সংখ্যক পুলিশ, র‍্যাব ও বিজিবি। ২৯ প্লাটুন বিজিবি, র‍্যাবের ৫৮টি টিম এবং পুলিশের ৫৭টি মোবাইল ও ২০টি স্ট্রাইকিং ফোর্স মোতায়েন হচ্ছে। গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের রিটানিং কর্মকর্তা রকিব উদ্দিন মন্ডল এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন, ‘গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন উপলক্ষে আমাদের প্রস্তুতি প্রায় শেষের দিকে। শুক্রবার পর্যন্ত ৯ হাজার জন ভোট গ্রহণ কর্মকর্তাকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়োগ প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এই বিপুল পরিমাণ সদস্য মোতায়েনের প্রধান উদ্দেশ্য হলো নির্বাচন অবাধ, নিরপেক্ষ এবং শান্তিপূর্ণ করা। নির্বাচনি এলাকায় যাতে কেউ গোলোযোগ, অনিয়ম করতে না পারে। যারা দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবে আগামীকাল সোমবার (২৫জুন) সকালে তাদের জন্য একটা প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে। এই প্রশিক্ষণে তাদের দায়দায়িত্ব সম্পর্কে অবহিত করা হবে। আজ রবিবারই নির্বাচনি মালামাল বন্টন করে দেওয়া হবে যাতে করে ২৫ তারিখের মধ্যে কেন্দ্রে মালামাল পৌঁছে যায়।’
নির্বাচনি প্রচারণায় হাসান সরকার

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে ৪২৫টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে ৩৩৭টি গুরুত্বপূর্ণ বা ঝুঁকিপূর্ণ এবং ৮৮টি সাধারণ কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে পুলিশ, আনসার ভিডিপিসহ ২৪ জন (১২ জন অস্ত্রধারী) সদস্য মোতায়েন থাকবে। আর সাধারণ কেন্দ্রগুলোতে ২২ জন (১০ জন অস্ত্রধারীসহ) সদস্য মোতায়েন থাকবে।

মঙ্গলবার (২৬জুন) অনুষ্ঠিত হবে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের নির্বাচন। ৫৭টি সাধারণ এবং ১৯টি সংরক্ষিত ওয়ার্ড বিশিষ্ট এ সিটি করপোরেশনের মোট ভোটার ১১ লাখ ৩৭ হাজার ৭৩৭ জন। এর মধ্যে ৫ লাখ ৭৯ হাজার ৯৩৫ জন পুরুষ এবং ৫ লাখ ৬৭হাজার ৮০১ জন নারী ভোটার। এ নির্বাচনে মেয়র পদে সাত জন, সংরক্ষিত আসনে (নারী কাউন্সিলর) ৮৪ জন এবং সাধারণ কাউন্সিলর পদে ২৫৪জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ২০১৩ সালে গাজীপুর ও টঙ্গি পৌরসভার ৩২৯ দশমিক ৫৩ বর্গকিলোমিটার এলাকা নিয়ে গাজীপুর মহানগরের যাত্রা শুরু হয়।