আমার প্রতিটি বাজেটই নির্বাচনি বাজেট: অর্থমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক: অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, ‘আমার প্রতিটি বাজেটই নির্বাচনি বাজেট। আমি একটি দলের সদস্য ও গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। সে হিসেবে আমার বাজেট নির্বাচনি বাজেটই হবে। আমি এমন বাজেট দিই যেটা মানুষ পছন্দ করবে।’ শুক্রবার (৮ জুন) দুপুর পৌনে ৩টায় ঢাকার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন তিনি।

এক প্রশ্নের উত্তরে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘যারা নির্বোধ ও যাদের দেশপ্রেম নেই, তারাই বলে ভুয়া বাজেট। ভুয়া বাজেট বলে কিছু নেই। বাজেট যখন দেই, সেটা ভেবেই দেই। এ বছর লক্ষ্যমাত্রা যা নির্ধারণ করেছি তা বাস্তবায়নযোগ্য বলে মনে করি।’

আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, ‘সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বর্তমান সরকারের সময়ের মতো সুযোগ-সুবিধা আগে কখনও পাননি। যারা ৪০ হাজার টাকা বেতন পেতেন তারা এখন পাচ্ছেন ৭৮ থেকে ৮০ হাজার টাকা। তাছাড়া পেনশনের অবস্থা ভালো ও ইনক্রিমেন্টের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আমার মনে হয় না, সরকারি কর্মকর্তাদের এমন কেউ আছেন যারা আরও সুযোগ-সুবিধা চান।’

সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া জানান, অনলাইনে (ই-কমার্স) কেনাকাটায় ক্রেতাকে কোনও মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) দিতে হবে না। তিনি বলেন, ‘ভার্চুয়াল বিজনেস যেমন ফেসবুক, ইউটিউব, গুগলের ওপর ট্যাক্স ধার্য করার একটি প্রক্রিয়া শুরু করেছি। কিন্তু অনলাইন বিজনেসকে আমরা আলাদা রেখেছি। এটার ওপর আমরা ভ্যাট রাখিনি।’

এ সময় আরও ছিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী আহম মুস্তাফা কামাল, কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম. এ. মান্নান, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান, জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বি মিয়া, চিফ হুইপ আসম ফিরোজ, বাংলাদেশ ব্যাংকের গর্ভনর ফজলে কবির, অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোসলেম চৌধুরী।