আন্তর্জাতিক আরকাইভস দিবসে প্রধানমন্ত্রীর বাণী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৯ জুন আন্তর্জাতিক আরকাইভস দিবস উপলক্ষে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন: “বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও ৯ই জুন আন্তর্জাতিক আরকাইভস দিবস পালন করা হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত।

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠা করেন ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির কেন্দ্রীয় সংরক্ষণাগার বাংলাদেশ জাতীয় আরকাইভস। দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির উপাত্তসমূহ সংরক্ষণ করা হয় জাতীয় আরকাইভসে। বস্তুনিষ্ঠ ইতিহাসচর্চা, শিক্ষা ও গবেষণা, রেফারেন্স ইত্যাদি ক্ষেত্রে জাতীয় আরকাইভসের গুরুত্ব অপরিসীম।

দীর্ঘ ২১ বছর পর জনগণের ভোটে ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে। দেশে সত্যিকারের গণতন্ত্র ফিরে আসে। মানুষের নিজস্ব ইতহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিচর্চার বন্ধ দুয়ার উন্মোচিত হয়। আমরা ঢাকার আগারগাঁওয়ে জাতীয় আরকাইভস ভবন নির্মাণ করি।

আওয়ামী লীগ সরকার মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। গত সাড়ে ৯ বছরে বাংলাদেশ আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, দারিদ্র্য বিমোচন, শিক্ষা, সংস্কৃতি, যোগাযোগ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, কৃষি, স্বাস্থ্য, অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে অভ‚তপূর্ব অগ্রগতি অর্জন করেছে। উন্নয়নে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে ‘রোল মডেল’। সম্প্রতি বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ হতে উন্নয়নশীল দেশের ক্যাটেগরিতে উন্নীত হয়েছে। এ স্বীকৃতি বিশ্বে বাংলাদেশের মর্যাদা আরো বৃদ্ধি করেছে। বাংলাদেশকে ২০২১ সালের আগেই আমরা মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত-সমৃদ্ধ দেশে পরিণত করব, ইনশাআল্লাহ।

আজকের সৃষ্ট নথিপত্রই আগামী দিনের ঐতিহাসিক দলিল তথা মূল্যবান আরকাইভাল উপকরণ বলে বিবেচিত হবে। আরকাইভস সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করতে আরকাইভস কর্তৃপক্ষের এ উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই। আশা করি, জাতীয় আরকাইভস খুব শীঘ্রই দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম সমৃদ্ধশালী কেন্দ্রীয় সংরক্ষণাগার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে।

আমি আন্তর্জাতিক আরকাইভস দিবস উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করছি।

জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”

প্রিন্স, ঢাকা নিউজ২৪