পঞ্চম দিনেও কমলাপুরে উপচেপড়া ভিড়

নিউজ ডেস্ক: ঈদযাত্রায় রেলের অগ্রিম টিকিট বিক্রির পঞ্চম দিন আজ মঙ্গলবার। এ দিনেও কমলাপুর রেলস্টেশনে টিকিট প্রত্যাশীদের উপড়েপড়া ভিড় জমেছে। গত চার দিনের তুলনায় আজ টিকিট প্রত্যাশীদের ভিড় সবচেয়ে বেশি। আজ বিক্রি হচ্ছে আগামী ১৪ জুনের টিকিট।
মঙ্গলবার সকাল আটটা থেকে রেলের আগাম টিকিট বিক্রি শুরু হয়। মোট ২৬টি কাউন্টারে এই টিকিট দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে নারীদের জন্য সংরক্ষিত কাউন্টার আছে দুইটি।

প্রত্যেকেই লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে দীর্ঘ সময় ধরে টিকিটের জন্য অপেক্ষা করছেন। গতকাল রাত থেকেই টিকিট প্রত্যাশীদের চাপে তিল ধারণের ঠাঁই ছিল না স্টেশনে। সেহেরির প্রস্তুতি হিসেবে অনেকেই আবার বাসা থেকে খাবার নিয়ে আসেন।

আগামীকাল বুধবার শেষ হবে ঈদে বাড়ি যাওয়ার রেলের অগ্রিম টিকিট বিক্রি। এদিন দেওয়া হবে আগামী ১৫ জুনের।
অনেকেই রাত থেকে অপেক্ষা করে এখনও টিকিট পাননি। অনেকেই আবার টিকিটের প্রত্যাশায় মলিন মুখ নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন। টিকিট পাবেন কিনা তাও জানেন না।

এদিকে বিক্রি কার্যক্রমে ধীরগতির অভিযোগে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন টিকিট প্রত্যাশীরা। এদের একজন বলছিলেন, ‘কাল রাত ২টা থেকে টিকিটের জন্য দাঁড়িয়ে আছি। এখন আশা নাকি নিরাশা করছি তা আল্লাহ পাকই জানেন।’
আরেকজন বলছিলেন, ‘টিকিটের জন্য ভোর ৪টা থেকে দাঁড়িয়ে আছি। যে ভিড় দেখা যাচ্ছে তাতে মনে হচ্ছে না টিকিট পাব।’
এর মধ্যেই টিকিট পেয়ে খুশি একজন বলছিলেন, ‘কাল রাত ১০টা থেকে দাঁড়িয়ে আজ টিকিট পেয়েছি। এখন খুব ভালো লাগছে। এতক্ষণ অনেক অস্থির হয়ে গেছিলাম।’

আরেকজন অভিযোগ করে বলেন, ‘যে আসছে তাকেই দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। একটা টিকিট দিতে তো এতক্ষণ লাগার কথা নয়।’
এ ব্যাপারে কমলাপুর স্টেশন মাস্টার বলেন, যে পরিমাণ লোকজন এখানে রয়েছে যদি ডাবল টিকিটও দেওয়া হয় তারপরও সেগুলোর চাহিদা কুলানো সম্ভব নয়। এবার ঈদে বিক্রির জন্য তারা ৭০ হাজার টিকিট রেখেছেন বলে জানান তিনি।

রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানান, ঈদযাত্রায় আরও কিছু বগি তারা বেশ কয়েকটি রেলে সংযুক্ত করবেন, যাতে ঈদযাত্রীরা নির্বিঘ্নে বাড়ি যেতে পারেন।
এদিকে চট্টগ্রামে রেলস্টেশনেও ঢাকার মতো চিত্র দেখা গেছে বলে জানা গেছে।